মহেশতলা উপ-নির্বাচনের প্রার্থী বাছাই নিয়ে অন্তর্কলহ বাড়ছে রাজ্য বিজেপিতে

0

কলকাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মহেশতলা বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী বাছাই নিয়ে রাজ্য বিজেপিতে সৃষ্টি হল জোর অন্তর্কলহের। পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে ব্যস্ত দলীয় নেতৃত্ব কোনো রকমে প্রস্তাবিত প্রার্থীর নাম দিল্লি পাঠিয়ে দিলেও তা যে চূড়ান্ত নাও হতে পারে, সে বিষয়ে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।

আগামী ২৮ মে ওই কেন্দ্র‌‌টিতে উপনির্বাচন হতে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিএম দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন স্থানীয় পুরসভার চেয়ারম্যান তথা মহেশতলার সদ্য প্রয়াত বিধায়ক কস্তুরী দাসের স্বামী দুলাল দাস। অন্য দিকে সিপিএম প্রার্থী করেছে প্রভাত চৌধুরীকে। পাশাপাশি জাতীয় কংগ্রেস সরাসরি সিপিএম-কে সমর্থন জানিয়ে প্রার্থী না দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।

দুলালবাবু বা প্রভাতবাবু উভয়েই মহেশতলার চেনা মুখ হলেও বিজেপির তরফে তেমন কোনো স্থানীয় নেতাকে প্রার্থী করা হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, মহেশতলায় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন রাজকমল পাঠক। যাঁকে অতীতে তমলুক লোকসভার প্রার্থী করতে চেয়েও ব্যর্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। দিল্লিতে তাঁর নাম পাঠানোর পর উচ্চ নেতৃত্ব অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা করে অধ্যাপক অম্বুজাক্ষ মা্ইতিকে প্রার্থী করেন। এ বারও রাজকমলের নাম দিল্লিতে পাঠানোর খবরে মহেশতলার বিজেপি নেতৃত্ব এখন থেকেই নিজেদের ক্ষোভের কথা উগরে দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: মহেশতলা উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর নাম চুড়ান্ত করে ফেলল রাজ্য বিজেপি

মহেশতলার এক বিজেপি নেতা বলেন, সিপিএম-তৃণমূল দু’টো বড়ো দলই ভূমিপুত্রদের প্রার্থী করল, অথচ বিজেপির সে ধরনের কোনো মনোভাব দেখতে পাচ্ছি না। বাইরে থেকে প্রার্থী করলে এখানে ভোটে জেতা মুশকিল। ওই বিজেপি নেতার দাবি, “এই এলাকায় আমাদের সংগঠনের শক্তি মোটের উপর কম নয়। তৃণমূল ছেড়ে বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ফলে কর্মী-সমর্থক যেমন আছেন, নেতাও পাওয়া যাবে। কিন্তু সে রকম কাউকে বাদ দিয়ে বাইরে থেকে মাথার উপর তাঁকে বসিয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা থাকলে ক্ষতি হবে দলেরই”।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন