Amit Shah

ওয়েবডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচন থেকে কম-বেশি ৬-৭ মাস দূরে দাঁড়িয়ে শাসক-বিরোধী উভয়পক্ষই শুরু করে দিয়েছে প্রাক-নির্বাচনী প্রচার। উভয়ের যে কোনো জনসভাতেই প্রাধান্য পাচ্ছে সেই নির্বাচনী আবহ। স্বাভাবিক ভাবেই এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে আসনভিত্তিক সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে আগাম অনুমানের মহড়া। সেখান থেকেই উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চমকপ্রদ গুঞ্জন।

বর্তমানে অমিত বিজেপির এক জন রাজ্যসভার সদস্য। শোনা যাচ্ছে, তিনি ২০১৯-এর নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রার্থী হতে পারেন। নেটদুনিয়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়েছিল, অমিত প্রার্থী হবেন কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রের সাংসদ সুব্রত বকসির বিরুদ্ধে। তবে কিছু দিনের মধ্যেই স্থান পরিবর্তন করে জল্পনা। বিজেপি কর্মীদের কেউ কেউ বলতে শুরু করেন, অমিত ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হবেন না। তাঁর জন্য চিন্তাভাবনা চলছে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং কৃষ্ণনগর কেন্দ্র নিয়ে।

কিন্তু জল্পনার জল গড়াতে গড়াতে ফের বদল করল ঠাঁই। আপাতত শোনা যাচ্ছে, অমিত প্রার্থী হতে পারেন উত্তর কলকাতা অথবা আসানসোল থেকে। যদিও এ ব্যাপারে দলের তরফে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরবিআইকে প্রত্যাঘাত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির

সত্যিই কি এ রাজ্য থেকে প্রার্থী হতে পারেন অমিত? এমন প্রশ্নের জোরালো কোনো উত্তর না মিললেও এক বিজেপি নেতা দাবি করেন, বিজেপির এ বার কেন্দ্রীয় ভাবে নজর রয়েছে বাংলা ও ওড়িশায়। এই দুই রাজ্যে বিজেপি চাইছে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে প্রার্থী করে সাফল্য পেতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এ বার উত্তরপ্রদেশের বেনারস ছেড়ে প্রার্থী হতে পারেন ওড়িশার পুরীতে। একই ভাবে অমিত শাহ যদি বাংলা থেকে প্রার্থী হন, তা হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তবে বিষয়টি নিয়ে দলের কর্মী মহলে যতটা উৎসাহ রয়েছে দলীয় নেতৃত্ব ততটা ভাবছেন কি না, সে বিষয়ে আশ্বস্ত করতে পারেননি ওই বিজেপি নেতা।

রাজ্যের শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামে অপ্রত্যাশিত ফল করেছে বিজেপি। পুরুলিয়ায় দলীয় কর্মীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সেখানে জনসভাও করেছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি। সব মিলিয়ে দুইয়ে-দুইয়ে চার করার কথাই এখন উড়ে বেড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here