পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যে ব্যাকফুটে যাবে শীত, আর ফিরবে কি?

0

ওয়েবডেস্ক: এক দিকে উত্তর ভারতে ধেয়ে আসা শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা একটি নিম্নচাপ। এই দুইয়ের প্রভাবে আগামী দিন পাঁচেক রাজ্যে ক্রমশ বাড়বে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে চলে যাবে শীত। তবে জানুয়ারির শেষে ফের এক দফা প্রত্যাবর্তন হতে পারে শীতের।

এ বছর রাজ্যে শীতটা বেশ জম্পেশ পড়েছে। তাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রির ঘরে উঠে গেলেই গরম লাগছে। এ দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রাটি স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম হলেও গত কয়েকদিনের তুলনায় তা বেশি। সেই কারণেই শীতের অনুভূতিটা কিঞ্চিৎ কম। শুধু কলকাতাই নয়, শীতের দাপট কমেছে পশ্চিমাঞ্চলেও। বর্ধমান, আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া তাপমাত্রা বেড়েছে সর্বত্র।

আগামী দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এমন কি এই সপ্তাহের মাঝামাঝি কলকাতা এবং দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা তিরিশ ডিগ্রির কাছাকাছি চলে যেতে পারে। উঠে ১৫-১৬ ডিগ্রিতে চলে আসতে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও। তাপমাত্রার এই বেড়ে যাওয়ার পেছনে মূলত পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দোষই দেখছেন বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা।

তিনি বলেন, “ঝঞ্ঝাটি খুবই শক্তিশালী। শুধু উত্তর ভারতই নয়, এর প্রভাব এসে পৌঁছবে সিকিম এবং উত্তরবঙ্গেও। সেই কারণেই রাজ্যের ওপরে উত্তুরে বাতাস ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাবে। এর প্রভাবেই বাড়বে পারদ।”  এই ঝঞ্ঝার পাশাপাশি আরও একটি কারণও রয়েছে। সেটি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে চলা একটি নিম্নচাপ। এই প্রসঙ্গে রবীন্দ্রবাবু বলেন, “বঙ্গোপসাগরে এই সপ্তাহের শেষের দিকে একটা নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে। মূলত তামিলনাড়ু উপকূল ঘেঁষে এটি তৈরি হলেও এর প্রভাবে মধ্য এবং উত্তর ভারতে জলীয় বাষ্প ঢুকবে। যার ফলেও উত্তুরে হাওয়া দক্ষিণবঙ্গের দিকে আসতে পারবে না।”

তবে এটাই যে শীতের বিদায়ঘণ্টা নয়, সেটা সাফ করে দিয়েছেন রবীন্দ্রবাবু। জানিয়ে দিয়েছেন, ঝঞ্ঝা এবং নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলে ফের বইতে শুরু করবে উত্তুরে হাওয়া। আগামী সপ্তাহ থেকেই ফের রাজ্যে প্রত্যাবর্তন হবে শীতের।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here