শুধুই কি সংগঠনকে জোরদার করা, না কি মোদীর ব্রিগেড বাতিল হওয়ার পেছনে রয়েছে অন্য কারণ?

আগামী ৭ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট।

0

ওয়েবডেস্ক: বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সংঘাতে বাতিল হয়ে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সভা। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ওই সভা হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দাবি ব্রিগেডে এখনই এই ধরনের সভা না করে, বরং রাজ্যের ছোটো ছোটো জায়গায় সভা করুক প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে দলের সংগঠন আরও মজবুত হবে।

কিন্তু শুধুই কি দলের সংগঠন মজবুত করার জন্য এই সভা বাতিল হয়েছে, না কি এর পেছনে রয়েছে অন্য কারণ? এই অন্য কারণটির দিকেই বিশেষ নজর দেওয়ার চেষ্টা করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আগামী ৭ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট। এক বছর আগেই এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সামিট উপলক্ষ্যে শহরের দেশ-বিদেশের অনেক শিল্পপতির থাকার কথা। যে রাজ্যে আন্তর্জাতিক মানের শিল্প সম্মেলন হবে, সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী একই দিনে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরব হলে, শিল্পপতিদের কাছে ভারত সম্পর্কে ভুল বার্তা যেতে পারে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন মোদীর ব্রিগেড সভা বাতিল, বদলে কী পরিকল্পনা বিজেপির?

এমনিতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে সম্পর্ক এখন তলানিতে। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প থেকেও সরে এসেছে রাজ্য। প্রধানমন্ত্রীর আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প থেকেও রাজ্য হাত গুটিয়ে নিয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিয়েছেন তাজপুর এবং কুলপি বন্দর একক ক্ষমতায় তৈরি করবে রাজ্য। এই পরিস্থিতিতে ৮ তারিখই রাজ্যের বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর সুযোগ মোদীর কাছে থাকলেও, তাঁকে অস্বস্তি দিতে পারে অন্য একটা দিক।

অতীতে এই সম্মেলনে অনেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেই মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করে গিয়েছেন। এই সামিটে উপস্থিত থেকেছেন অরুণ জেটলি, নীতিন গড়কড়ি, পীযূষ গোয়ালের মতো হেভিওয়েট মন্ত্রীরা। এ বারের সম্মেলনেও কেন্দ্রের তরফ থেকে কোনো প্রতিনিধি থাকতেই পারেন। এই পরিস্থিতিতে মোদী যদি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়ান, তা হলে কোনো ভাবেই ভালো বার্তা যাবে না।

যদিও রবিবার পর্যন্তও এই সভার ব্যাপারে অনড় ছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতারা। তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর মত ছিল ভিন্ন। তাদের দাবি ছিল ব্রিগেড সভা বাতিল করে ছোটোখাটো সভাতেই জোর দিক রাজ্য বিজেপি। তাতে এ রাজ্যে তাদের সংগঠন আরও জোরদার হবে। শেষে সোমবার সকালে অমিত শাহের সিদ্ধান্তের পরে সেই সভা বাতিলই করা হয়েছে।

কিন্তু ঠিক কী কারণে সভা বাতিল হয়েছে, শুধু কি সংগঠন? না কি এই সম্মেলনও একটা কারণ, সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.