মূল গেট বন্ধ, বিধানসভায় ঢুকতে গিয়ে রাজ্যপাল বললেন, “এটা গণতন্ত্র নয়!”

0

কলকাতা: বিধানসভার মূল গেট বন্ধ। ঢুকতে হল অন্য গেট দিয়ে। ঘটনায় তীব্র উষ্মা প্রকাশ করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বলেন, “এ ভাবে গণতন্ত্র চলতে পারে না।”

এই মুহূর্তে বিলে ছাড়পত্র না দেওয়া নিয়ে তীব্র সংঘাত চলছে রাজ্যপাল আর রাজ্য সরকারের মধ্যে। এই বিতর্কের মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভা পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল। তিনি চিঠি দিয়ে আগেই জানিয়েছিলেন যে, বিধানসভার মূল ভবন, নির্মীয়মাণ ভবন ও লাইব্রেরি ঘুরে দেখবেন।

বুধবার ধনখড় জানিয়েছিলেন, “বিধানসভা পরিবদর্শনে যেতে চেয়েছি। স্পিকার আমাকে আমন্ত্রণ করেছেন। উনি স্বাগত জানিয়েছেন। আমি অত্যন্ত খুশি। এটাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। আমি সস্ত্রীক যাব কি না উনি জানতে চেয়েছিলেন। আমার সঙ্গে ফার্স্ট লেডিও যাবেন।”

সেই মতোই বৃহস্পতিবার সকালে রাজভবনে উপস্থিত হন ধনখড়। তবে তিনি যে গেট দিয়ে বিধানসভায় ঢোকেন, অধিবেশন বন্ধ থাকায় সেই ১ নম্বর গেট এ দিন বন্ধ ছিল। সেখানেই খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন রাজ্যপাল।

অধ্যক্ষ বা বিরোধী দলনেতা উপস্থিত না থাকায় বিধানসভার গেট খোলা হবে কি না, সেই নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মার্শালরা। বন্ধ গেটের সামনে দাঁড়িয়েই রাজ্য সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল।

প্রায় ১৮ মিনিট ১ নম্বর গেটের সামনে অপেক্ষা করার পর ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল বলেন, “বিধানসভার অধিবেশন চলছে না মানে বিধানসভা বন্ধ নয়। কেন এই গেট বন্ধ থাকবে? আমিও পরিষদীয় মন্ত্রী ছিলাম, বিধানসভা এই ভাবে বন্ধ থাকতে পারে না।”

এর পর ধনখড় আরও যোগ করেন, “অধ্যক্ষের তরফে থেকে আমাকে আর আমার স্ত্রীকে মধ্যাহ্নভোজের আমন্ত্রণ করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই কী হল জানি না, ফের আমার সচিবকে ফোন করে বলা হয় অধ্যক্ষ থাকতে পারবেন না। ওঁর সচিবরাও থাকতে পারবেন না। এ ভাবে গণতন্ত্র চলতে পারে না। স্পিকার আমাকে স্বাগত জানাবেন বলেছিলেন। স্পিকারকে চিঠি লিখব। এটা হওয়া উচিত না।”

আরও পড়ুন শতরানের পর এ বার দ্বিশতরানের দিকে এগোচ্ছে পেঁয়াজ

এর পর রাজ্যপাল অন্য গেট দিয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন। তবে বিধানসভার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি সাংবাদিকদের।

উল্লেখ্য, বুধবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ধনখড়। কিন্তু সেখানেও তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যতা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনের সময়ে উপাচার্য না থাকায় তাঁর ঘরের বাইরে গার্ডের চেয়ারে বসেই চা খান ধনখড়।

------------------------------------------------
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.