কলকাতা: চার বছর আগে টোকিওয় ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছিল ডেঙ্গি। আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনশো জন। মৃত্যুও হয়েছিল কয়েক জনের। কিন্তু তার পর থেকে জাপানি প্রশাসনের জোরদার তৎপরতায় আর কখনও ডেঙ্গি দেখেনি টোকিও। জাপানের এক জাতীয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত বিজ্ঞানী ইয়োশিফোমি টাকেদা কলকাতায় বললেন, জাপান যে ভাবে ডেঙ্গিকে প্রতিরোধ করেছে, ঠিক একই পন্থা মানলে এখানেও জঙ্গি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ডেঙ্গির মশা যেখান থেকে জন্ম নিচ্ছে, সেখানে কড়া নজরদারি চালিয়েই টোকিওয় ডেঙ্গি প্রতিরোধে এমন সাফল্য এসেছে বলে জানান টাকেদা। তিনি বলেন, “মশা বেশি দূর উড়তে পারে না। তাই যে সব অঞ্চল থেকে রোগীরা আসত, আমরা সেই সব অঞ্চলের দিকে বেশি নজর দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল সব মশা মারব। সেই লক্ষ্যে আমরা সফল। ওখানে মশার সব আঁতুড়ঘর ধ্বংস করে দিয়েছি।”

আরও পড়ুন রাজ্যে প্রধান প্রতিপক্ষ তৃণমূলই, মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে ব্রিগেড সমাবেশে থাকবে না এই দুই দল

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, ডেঙ্গির জন্য দায়ী এডিস ইজিপ্টাই মশা, খুব বেশি হলে ৪০০ মিটার উড়তে পারে।

জাপানের পদ্ধতিই মানার কথা কলকাতাতেও। পুরসভার থেকে মশা নিধনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, ডেঙ্গির সমস্যা থেকে এখনও মুক্তি হতে পারেনি কলকাতা। শহর এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এ বছর আড়াই হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। টাকেদা মনে করেন জাপানের তুলনায় কলকাতায় জনবসতি অনেক বেশি বলেই মশাকে পুরোপুরি নিধন করা যাচ্ছে না। তাঁর কথায়, “এখানে বাড়িগুলো এত কাছাকাছি অবস্থিত। সেই সঙ্গে জনসংখ্যাও সাংঘাতিক বেশি। সে কারণেই ডেঙ্গি প্রতিরোধে সমস্যা এখানে।”

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here