জয় গঙ্গোপাধ্যায় সিআরপিএফ জওয়ান নন, ভুয়ো পরিচয়ের অভিযোগে আটক

0
pulwama attack jay ganguly
পুলওয়ামা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিজেকে দাবি করেন জয়।

আসানসোল: নিজেকে সিআরপিএফ জওয়ান হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন জয় গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকি নিজেকে পুলওয়ামার ঘটনার সাক্ষী হিসেবেও দাবি করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই পরিচয় ভুয়ো এমনই জানাচ্ছেন তাঁর পাড়ার বাসিন্দারা।

মঙ্গলবার দুপুর থেকেই সংবাদ শিরোনামে ছিলেন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বাসিন্দা জয় গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও দুপুর গড়াতেই বদলে যায় চিত্রটা। টিভিতে এই খবর দেখা মাত্রই সোনামুখীর বাসিন্দারা আপত্তি তোলেন।

জানা যায়, জয় কোনো সিআরপিএফ জওয়ান নন। এমনকি আদতে তিনি কী করেন তাও স্পষ্ট ভাবে জানাতে পারেননি তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন সেনার নিয়োগ কর্মশালায় আবেদন আড়াই হাজার কাশ্মীরি যুবকের

সোমবার রাতে আসানসোল জেলা হাসপাতালে এসেছিলেন জয়। অসুস্থ অবস্থায় তাঁর স্ত্রী শ্রাবণী ভর্তি রয়েছেন ওই হাসপাতালে। তাঁকে দেখতেই হাসপাতালে আসেন জয়।

জলপাই রঙের পোশাক, পায়ে জওয়ানদের জুতো ও তাঁর চোখে মুখে ক্লান্তির ছাপ দেখে সবাই তাঁকে জওয়ান বলেই ভেবে নিয়েছিল। পাশাপাশি আসানসোল জেলা হাসপাতালের সুপার, চিকিৎসক ও অন্যরাও তাঁর আচরণে বিভ্রান্ত হন। পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার সময় তিনি সেখানে ছিলেন বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেন সবাই। অনেকে আবার তাঁকে হাসপাতালেই সংবর্ধনা দেন।

কিন্তু, চিত্রটা বদলে যায় দুপুরের পর থেকে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই খবর দেখানোর পর বাঁকুড়ার সোনামুখীর বাসিন্দারা জয়কে চিনতে পারেন। তাঁরা বলেন, জয় গাঙ্গুলি কোনো সিআরপিএফ জওয়ান নন। বরং তিনি কী করেন সেটা কারও কাছেই পরিষ্কার নয়।

এর পর জয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁর মায়ের বক্তব্য, “ছেলে সিবিআইতে কাজ করে।” আবার তাঁর ভাই জানিয়েছেন, সপ্তাহ দু’য়েক আগে তাঁর কাছে টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন জয়।

এ দিকে মঙ্গলবার দুপুরের পরই আসানসোল জেলা হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে যান জয়। ফোন করলেও নানা ভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। সন্ধ্যার দিকে ফের হাসপাতালে আসেন জয়। তখন তাঁকে দেখতে পেয়ে ঘিরে ধরেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অন্য রোগীর পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন জঙ্গিদের যোগ্য জবাব দিতে বদ্ধপরিকর পুলওয়ামার প্রত্যক্ষদর্শী জয়

তখনও তিনি নিজেকে সিআরপিএফ জওয়ান বলে দাবি করেন। যদিও সেই সংক্রান্ত কোনো পরিচয়পত্র বা নথি তিনি দেখাতে পারেননি। এ দিকে, মা ও ভাইয়ের বক্তব্য শোনার পরেই জয় ভেঙে পড়েন। যদিও ১৫ দিনের মধ্যে স্বপক্ষে প্রমাণ দেবেন বলে দাবি করেন তিনি।

কথায় অসঙ্গতি থাকায় পুলিশে খবর দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আসানসোল দক্ষিণ থানা থেকে পুলিশ এসে জয়কে আটক করে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর আসল পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

------------------------------------------------
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।
কোভিড১৯ বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করুনপশ্চিমবঙ্গ সরকারের জরুরি ত্রাণ তহবিলে দান করুন।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.