হুল দিবস
Samir mahat
সমীর মাহাত

ঝাড়গ্রাম: একদিকে ঐতিহাসিক হুল দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে দশ দিনের মধ্যে পুর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি দো-টানে শাসক শিবিরের জেলা নেতৃত্ব। ২০১৬ সালের মতো এ বারেও রাজ্যস্তরীয় ঐতিহাসিক হুল দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠান হবে ঝাড়গ্রামে। জেলাস্তরীয় এই অনুষ্ঠান হতে পারে সাঁকরাইল বা বেলপাহাড়িতে। সুত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে।

৩০ জুন ঐতিহাসিক হুল দিবস থেকে অনুষ্ঠান শুরু হবে। গত ২২ জুন, লোধাশুলির সরকারি “পথসাথী” কক্ষে এই মর্মে সাংসদ উমা সোরেনের উপস্থিতে আলোচনায় মিলিত হন স্থানীয় বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব। সরকারি ভাবে রাজ্য ও জেলাস্তরীয় এই অনুষ্ঠান বাদেও দলীয় ভাবে ব্লকওয়াড়ি অনুষ্ঠানও হওয়ার কথা। পাশাপাশি নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া নির্দেশ দিয়েছেন দশ দিনের মধ্যে পঞ্চায়েত ভোটের আগাগোড়া পুর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা করার। স্বভাবতই ব্যতিব্যস্ত জেলা নেতৃত্ব। এর মধ্যে কেটে গিয়েছে দু’দিন। অবশ্য আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগই এই অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পেতে পারে। উল্লেখ্য, জনসংযোগ আরও মজবুত করাও অনুষ্ঠানগুলির অন্যতম লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠান ঝাড়গ্রামে এর আগেও অনুষ্ঠিত হয়েছে, বিশেষত রাজ্যস্তরীয় জঙ্গল মহল উৎসবগুলি তার মধ্যে অন্যতম।

হুল দিসব

২০১৬-য় জাঁকজমকের সঙ্গে কুমুদ কুমারী স্কুল মাঠে তিন দিন ব্যাপী হুল দিবসের অনুষ্ঠানও হয়েছে। অনুষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সব ক’টিকেই গুরুত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তথাপি পঞ্চায়েতে বেশ কয়েকটি এলাকায় মুখ ফিরিয়েছে সাধারণ ভোটাররা। সর্বোপরি ঝাড়গ্রামের দায়িত্ব নিজে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওয়াকিবহা মহলের মতে, এর আগে মুখ্যমন্ত্রীর অজান্তে অনুষ্ঠানগুলিতে দলীয় স্বজনপোষণ লক্ষ্য করা গিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। সামান্য লোক শিল্পীদের অনুষ্ঠানে সুযোগ পেতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। অনেকে সুযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিতও হয়েছেন। এ বারে হয়তো তার অবসান হবে। সব ক্ষেত্রেই ঝাড়গ্রামবাসী সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

ছবি প্রতীকী

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here