Dhangikusum

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ির ঢাঙিকুসুমে ঝরনা দেখতে গিয়ে মাওবাদীদের খপ্পরে পড়ার যে দাবি খড়গপুরের চার যুবক করেছিলেন, তা  ‘সাজানো’ বলে সাফ জানিয়ে দিল নবান্ন। তবে জঙ্গলমহলে গত কয়েক মাসে পর পর যে ক’টি ঘটনা ঘটেছে, তা হালকা ভাবে দেখছে না প্রশাসন।

উল্লেখ্য, ৩ সেপ্টেম্বর খড়গপুরের চার যুবক ঢাঙিকুসুম থেকে ফিরে মাওবাদীদের দেখেছেন বলে দাবি করেছিলেন। তাঁদের ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছিলেন তাঁরা।

পরে পুলিশি জেরার মুখে পড়ে বয়ান বদলে যায় তাঁদের। তাঁরা বলেন, নেশাগ্রস্ত থাকায় তাঁদের এক জনের মোবাইল ফোন ঝরনার জলে ভেসে গিয়েছিল। তখনই তারা মাওবাদী তত্ত্ব সাজিয়ে চার যুবকের ফোন হারিয়ে গিয়েছে বলে থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন।

রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ নবান্নে জানিয়েছে, এখন জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের আনাগোনা না-থাকলেও ঝাড়খণ্ড সীমানায় স্কোয়াড আসছে। ধলভূমগড়, গালুডি, ঘাটশিলা এবং পটমদা এলাকায় মাঝে মাঝে মাওবাদীরা আসে। খবর এলেই ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, গত মার্চ থেকে বেশ কয়েকটি ঘটনায় জঙ্গলমহলে ফের মাওবাদীদের নামে হুমকি চিঠি এবং পোস্টার পড়ছে। সেগুলি আসলে মাওবাদীরা করছে, না কি অন্য কেউ, তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের বিরোধিতা করে পোস্টার পড়ে।  গত ৪ সেপ্টেম্বর সিন্দুরিয়ার কাছে হাদরা মোড়ে ২০টি হাতে লেখা পোস্টারে এক ঠিকাদারকে রাস্তা তৈরির কাজ বন্ধ করতে বলে হুমকি দেওয়া হয়। যদিও পুলিশ মনে করছে এর পেছনে মাওবাদীরা নয়, স্থানীয় শত্রুতাও অন্যতম কারণ হতে পারে।

খবরঅনলাইনে আরও পড়ুন

হাওড়া, শিয়ালদহ শাখায় লোকাল ট্রেন চালাতে চেয়ে রাজ্যকে চিঠি রেলের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন