Connect with us

ঝাড়গ্রাম

খবর অনলাইন-এর খবরের জের, ঝাড়গ্রামের সেই অনাথ কিশোরীর পাশে দাঁড়াল সামাজিক সংগঠন

Jhargram

সমীর মাহাত, ঝাড়গ্রাম: গত ২ জানুয়ারি ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়া অঞ্চলের এক অনাথ কিশোরীর অসহায়তার খবর আমাদের সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। প্রশাসনের এখনও কোনো হেলদোল না হলেও, অনাথ লোধা কিশোরীকে সাহায্যের হাত বাড়িতে দিল আদিবাসী জনজাতি কুড়মি সমাজ নামে একটি সামাজিক সংগঠন।

সোমবার সংগঠনের সদস্যরা কিশোরীর বাড়িতে চাল, ডাল, আলু-সহ বস্ত্র দিয়ে আসে। প্রসঙ্গত, বছর বারো-তেরোর এক অনাথ লোধা কিশোরী কার্যত ভিক্ষা করে নিজের ভাই-বোনকে বড়ো করছে। রেশনের ৩ কেজি চাল আর অনিশ্চয়তার ভিক্ষাই তাদের আহারের সম্বল। লোধা কিশোরীটি ঝাড়গ্রামের মানিকপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্বশোল গ্রামের দিপালী ভক্তা।

দিপালীর মা অনেক আগেই জন্ডিস আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। গত বছর এমন সময়ে পাশের রাশুয়া গ্রামে ক্ষেতে মজুরের কাজে এসে বাবা আশু ভক্তার স্ট্রোকে মৃত্যু হয়। তখন থেকেই দিপালীরা দু’বোন, এক ভাই অনাথ হয়ে পড়ে।

দু’ভাই-বোনকে পেটে আহার দিতে রোজ পাশের গ্রামগুলিতে ভিক্ষা করতে বেরিয়ে পড়ে। চাল, মুড়ি জোগাড় করে কিছু চাল মুদি দোকানে দিয়ে রান্নার জিনিস কিনে নেয়। পড়াশোনা তো দূরঅস্ত এদের বেঁচে থাকাটাই অনিশ্চয়তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওই দিন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি শিবাজী মাহাত বলেন, “আমরা খবর থেকেই এই ঘটনার কথা জানতে পারি। এরা দু’বেলা খেয়ে-পরে অন্তত বেঁচে থাকুক। প্রশাসনের নজর দেওয়া দরকার। আমি লোধা সংগঠন গুলির সঙ্গে কথা বলব”।

মানিকপাড়া অঞ্চলের উপপ্রধান মহাশিস মাহাত বলেন, “আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো খবর ছিল না। তবে শোনার পর জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানাব”।

ঝাড়গ্রাম

টানাপোড়েনের অবসান ঘটিয়ে, সক্রিয় রাজনীতিতে লালগড় আন্দোলনের মুখ ছত্রধর মাহাত

বুধবার গোপীবল্লভপুরের একটি অতিথিশালায় তৃণমূলের পক্ষে সভায় তাঁকে বক্তব্য রাখতে দেখা গেল।

সমীর মাহাত, ঝাড়গ্রাম: রাজনৈতিক মহলে একটা কানাঘুষো চলছিল-ই! ছত্রধর মাহাত কি শাসক তৃণমূলের হয়েই ময়দানে নামবেন? জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুধবার গোপীবল্লভপুরের একটি অতিথিশালায় তৃণমূলের পক্ষে সভায় তাঁকে বক্তব্য রাখতে দেখা গেল।

তিনি বলেন, “২০১১ সালে বামফ্রন্টকে সরিয়ে তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে। তার আগের এখানকার ইতিহাস সবারই জানা। দীর্ঘদিন বাম জামানার অপশাসনের ফলে তা হয়েছিল। গোপীবল্লভপুর প্রতিবাদের মাটি। অনেক বিপ্লবী এখানে জন্মেছেন। নকশাল আন্দোলন এখানে সংগঠিত হয়েছিল।”

পরক্ষণেই তিনি বলেন, “তৃণমূল অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। মানুষই সব কিছুর পরিবর্তন ঘটাতে পারে। সেই মানুষের উপর ভরসা আছে। এখানে একটি সাম্প্রদায়িক দল জায়গা করছে। আমার কোনো দিন আশা করিনি এ রাজ্যে তারা ঘাঁটি গাড়বে। এ রাজ্যে কংগ্রেস, সিপিএ রাজত্ব করেছে, তৃণমূল সে ক্ষেত্রে প্রগতিশীল। এটা সবারই ভাবার দরকার যে, এমন একটা সাম্প্রদায়িক দল সামনে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,” নব্য তৃণমূল এবং বিধায়ক চূড়ামণিবাবুর মধ্য একটা সংঘাত চলছে বলে শুনেছি, আমি মনে করি তা কিছু নয়। পুরনো মানুষেরা কষ্ট করে পার্টিটাকে ধরে রেখেছে। নতুনেরা তাকে সমৃদ্ধশালী করছে। এলাকায় এর আগে ঝাড়খন্ডি দলগুলি বামেদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। নয়ের দশকের দিকে তারা ভালমতো প্রভাব বিস্তার করে। তাদের সম্মান দিতে হবে। কংগ্রেস, ঝাড়খণ্ডি সবাই মিলেই আন্দোলন করেছিল। তাই সবার সঙ্গে সমন্বয় করেই হাঁটতে হবে, তবেই ২০১১ সালের গৌরভ ফিরে পাব।”

এই সভা থেকে এলাকার সাতমা অঞ্চলের ৩০টি পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছেন বলে দাবি তৃণমূলের।

বিজেপির প্রতিক্রিয়া

এ ব্যাপারে বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত মাহাত বলেন,” ছত্রধর মাহাতকে দিয়ে সুবিধা করতে পারবে না তৃণমূল। আর উনি যেটা বলেছেন, বিজেপি মোটেই সাম্প্রদায়িক দল নয়, কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃত্বে অনেকই মুসলিম রয়েছেন। বরং সাম্প্রদায়িকতা করছে তৃণমূল, ইমাম ভাতা, ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ, শুধু ভোট ব্যাঙ্কের জন্য বেশি তোল্লা দেওয়া হচ্ছে:।

লালগড় আন্দোলনের মুখ ছত্রধরকে নিশানা করে বিজেপি নেতা বলেন, “ছত্রধরবাবু তো নিজে একজন মাহাত – কুড়মি সম্প্রদায়ের মানুষ, নিজেদের জাতি-সমাজের জন্য কিছু বলছেন না কেন? ছত্রধরের আন্দোলনের সময় সবচেয়ে বিপর্যস্ত হয়েছেন এই এলাকার মাহাত আদিবাসীরা। যাঁরা মাওবাদীদের হাতে খুন হল, তাদের পরিবার কিছুই পেল না, অভিযুক্ত তারাকে সরকার চাকরি দিল। ছত্রধরের ছেলেকেও চাকরি দেওয়া হয়েছে। মানুষ সবই মনে রেখেছে।”

ছত্রধরে আগ্রহ দেখিয়েছিলেন মুকুল!

বছর দুয়েক আগে লালগড়ে একটি সভা শেষ করেই ছত্রধর মাহাতর স্ত্রী মিনতিদেবীর সঙ্গে দেখা করতে যান বর্তমানে বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এমন সংবাদে গোটা জঙ্গলমহলের রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।

শোনা গিয়েছিল, ইউএপিএ আইনে গ্রেফতার হওয়া এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ পাওয়ার পর বেশ কয়েক জন স্থানীয় তৃণমূল নেতা সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও তা জঙ্গল মহলের বাতাসে মিলিয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ছত্রধরকে নিয়ে মুকুলবাবুর সক্রিয়তা নতুন করে ভাবাতে শুরু করে রাজ্য রাজনীতিকে।

Continue Reading

ঝাড়গ্রাম

হুল দিবস পালন ঘিরে বিক্ষোভের মুখে ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন, সরল অনুষ্ঠান স্থল

এর ফলে অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন হতে পারে।

সমীর মাহাত

অবশেষে এলাকাবাসীর বিক্ষোভের জেরে মাঠের বদলে হলের ভিতরেই হুল দিবসের অনুষ্ঠান করল জেলা প্রশাসন।

ঠিক ছিল, রাজ্য সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন বিভাগ ৩০ জুন ও ১ জুলাই বিভিন্ন জেলায় হুল দিবসকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠান করবে। সেই মতো ঝাড়গ্রামের কেচন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মঙ্গলবার ৩০ জুন বেলা ২টোর সময় এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে ঘোষণা করেছিল জেলা প্রশাসন।

অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য মাঠে মঞ্চ তৈরি করা শুরু হলে, এলাকার বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের দাবি, সিধু-কানুর পাশে যে ভাবে পুজো হয় পুজো হোক। বড়ো মঞ্চ করে মেলা আকারে জমায়েত হতে দেওয়া যাবে না। এই মর্মে রবিবার ও সোমবার পর্যন্ত দফায় দফায় পুলিশ-প্রশাসনের কাছে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, “এখানে হুলের স্ট্যাচু করে সিধু, কানুর পুজো হয়, সেই টাকাটা তুলতে দেওয়া হল না। সামাজিক পুজো হচ্ছে হোক, লকডাউনে বাইরের লোক ঢুকতে দেব না।” এ রকম পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠানের স্থান বদল করে ঝাড়গ্রামের সিধু-কানু হলে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে।

প্রসঙ্গত, আদিবাসীদের কাছে সিধু – কানু ‘ভগবান’ তুল্য। তাই এ দিন তাঁদের মূর্তির পাদদেশে নিজস্ব আচারে পুজো করেন আদিবাসীরা। অবশেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে মাঠের বদলে ঝাড়গ্রামের সিধু – কানু হলে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ব্যাপারে ঝাড়গ্রাম ব্লক সভাপতি রেখা সরেন বলেন, “এটি জেলা প্রশাসনের প্রোগ্রাম। যদি পাবলিকের দ্বিমত থাকে তা হলে সেখানে অনুষ্ঠান না করাই ভালো। আমি এ কথা প্রশাসনের কর্তাদের বলেছি। এক পক্ষ বলছে তারা রথ, বাসন্তীপুজো করতে পারেনি। এখন যদি হুল দিবসের বড়ো অনুষ্ঠান হয়, সে ক্ষেত্রে হিন্দু আর ট্রাইবদের সম্পর্ক সাম্প্রদায়িক মনোমালিন্যের দিকে যেতে পারে। সবাইকেই তা মাথায় রাখতে হবে। একটি মিটিং ডেকেছিল, আমি ছিলাম। কোথায় অনুষ্ঠান হবে, তা নিয়ে যে যাঁর মত দেন। কেউ বলেন সাপধরা, সাঁওতালডিহা, মানিকপাড়া ইত্যাদি। আমি বললাম এই মুহূর্তে বাইরে অনুষ্ঠান করলে সমস্যা হতে পারে। কেচন্দার ওখানে কোড়া সম্প্রদায়ের ১০-১২ মিলে হুল দিবসে পুজো করে। তারা পুজো করতে চাইছে, তা হলে সেখানেই পুজো হোক। এ পর্যন্তই। পাশের পশ্চিম মেদিনীপুরেও প্রদ্যোত স্মৃতি ভবনে এই অনুষ্ঠান হচ্ছে।”

শেষমেশ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই মাঠের মূর্তিতে মাল্যদান ও সবুজ পতাকা উত্তোলন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি হয় ঝাড়গ্রামের সিধু কানু হলে। এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

অবশ্য সরকারের অনুষ্ঠান সূচিপত্রে বলা হয়েছে, “করোনা সংক্রান্ত সমস্ত নির্দেশিকা মেনে হুল দিবস ২০২০ পালন করা হবে।”

Continue Reading

ঝাড়গ্রাম

সেতু মেলেনি, ২০০ ফুট লম্বা সাঁকো তৈরি করে ফেললেন জামবনির আদিবাসীরাই

হাড়ভাঙা পরিশ্রমে একপ্রকার ‘বিপ্লব’-এর আদলেই আদিবাসীরা গড়েছেন বলেই, সাঁকোর নাম তাঁরা দিয়েছেন ‘হুল’

সমীর মাহাত, ঝাড়গ্রাম: ঐতিহাসিক ‘হুল দিবস’ উদযাপনের আগেই ঝাড়গ্রামের (Jhargram) জামবনিতে উদ্বোধন হয়ে গেল ‘হুল সাঁকো’র। ডুলুং নদীর উপর চিল্কীগড় ও উত্তরাশোল এলাকার মাঝে কারোর সাহায্য না নিয়েই স্থানীয় আদিবাসীরাই এই সাঁকো বানিয়েছেন। ২০০ ফুট লম্বা এই সাঁকো হাড়ভাঙা পরিশ্রমে একপ্রকার ‘বিপ্লব’-এর আদলেই আদিবাসীরা গড়েছেন বলে, সাঁকোর নাম তাঁরা দিয়েছেন ‘হুল’। সাঁওতালি ভাষায় এর অর্থ বিপ্লবের সমান।

রবিবার আদিবাসীদের পুজো রীতি মেনেই সাঁকোর উদ্বোধন হল। একেবারে উৎসবের মেজাজে, প্রায় ৫০০ জনের খিচুড়ি আয়োজনের মাধ্যমে। উল্লেখ্য ,প্রতিবছরই বর্ষাকালে ডুলুং নদীতে জল বাড়লে জামবনি ব্লকের উত্তরাশোল, জরকাশোল, বদাকাটা, হড়কি, পালবাঁশি-সহ ২৫-৩০টি গ্রামের সঙ্গে জামবনি ব্লক, চিল্কীগড় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এমনকী জেলার সঙ্গে সব রকমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই এলাকাবাসীদের দুবড়া জামবনি ঘুরপথ ধরতে হয়।

অভিযোগ, সেতু নির্মাণ-সহ একাধিক সমস্যা নিয়ে তাঁরা বহুবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে দরবার করেছিলেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তাই কারো উপর ভরসা না করেই এ বারে বর্ষা নামার আগেই তিন মাস খেটে, বাঁশ সংগ্রহ করে সেতু বানিয়েছেন তাঁরা।

ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, এই ঘটনা আসলে এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যা নিয়ে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের যে বিন্দুমাত্র হেলদোল নেই, তাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন এলাকার আদিবাসীরা। অবশ্য, এ ব্যাপারে জামবনি বিডিও সৈকত দে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “আমরা ওখানে সেতু নির্মাণের জন্য দু’বার ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে পর্যবেক্ষণ করিয়েছি। সেই রিপোর্ট উল্লেখ-সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে যাবতীয় তথ্য পাঠিয়েছি।”

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা5 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা1 week ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে