jiyaganj Triple Murder Case

ওয়েবডেস্ক: ৭ দিন পর মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের কিনারা করল পুলিশ। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিবাদ নিয়েই ওই নৃশংস খুন বলে জেরার মুখে স্বীকার করে নেয় ধৃত উৎপল বেহরা।

পুলিশ জানিয়েছে, খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। জেরার মুখে ধৃত খুনের কথা কবুলও করে নিয়েছে। প্রতিশোধস্পৃহা থেকেই নৃশংস ভাবে পেশায় শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল-সহ তাঁর পরিবারের তিন জনকে খুন করে ধৃত। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই কাজ হাসিল করে সে।

জেলা পুলিশ সুপার জানান, তদন্তে জানা গিয়েছে, একাধিক বিনিয়োগ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নিহত শিক্ষক। নিজের পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি সাধারণ মানুষকে মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করাতেন। তাঁর কাছে ২৪ হাজার টাকার বিমা করান ধৃত। কিন্তু বিমার রসিদ না পেয়ে বন্ধুপ্রকাশের বাড়িতে ধাওয়া করে ধৃত।

দুর্গাপুজো চলাকালীন সপ্তমীর দিন বন্ধুপ্রকাশের বাড়ির খোঁজে অভিযান চালায় ধৃত। এর পর দশমীর দিন তাঁর বাড়িতেই খুন করে তাঁকে। খুনের দৃশ্য দেখে ফেলায় স্ত্রী এবং পুত্রকেও খুন করে উৎপল। খুনের পর পোশাক বদল করে সেখান থেকে পালিয়ে যায় উৎপল।

উল্লেখ্য, গত বিজয়া দশমীর দিন পেশায় শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল (৩৫), তাঁর সন্তানসম্ভবা স্ত্রী বিউটি মণ্ডল (৩০) এবং তাঁদের ছ’বছরের সন্তান বন্ধুঅঙ্গন পালকে নৃশংস ভাবে খুন করে দুষ্কৃতীরা। ঘরের মধ্যে এই বীভৎস খুনের কিনারা করতে তদন্তে নামে জেলা পুলিশ।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন