Connect with us

রাজ্য

এগিয়ে আসছে সমুদ্র, ফের স্থানবদলের সম্ভাবনা বাংলার এই বিখ্যাত মন্দিরের

গঙ্গাসাগর (দক্ষিণ ২৪ পরগণা): ক্রমশ এগিয়ে আসছে সমুদ্র। এর ফলে কয়েক বছরের মধ্যে সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যেতে পারে গঙ্গাসাগরের কপিলমুনির মন্দির। ফলে এখন থেকেই মন্দিরের স্থান বদলের চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

এই মন্দিরকে বাঁচানোর জন্য ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করে দিয়েছেন সাগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা গঙ্গাসাগর বকখালি ডেভলপমেন্ট অথোরিটির (জিবিডিএ) চেয়ারম্যান বঙ্কিম হাজরা। তিনি বলেন, “প্রতি বছর ১৫ মিটার করে এগিয়ে আসছে সমুদ্র। এটা যদি বজায় থাকে, তা হলে কয়েক বছরের মধ্যেই এই মন্দিরের জায়গা বদল করতে হবে।” তাঁর কথায়, মন্দির এবং সমুদ্রের মধ্যে এখন আর মাত্র ৪০০ মিটার দূরত্ব রয়েছে।

তবে সমুদ্রভাঙন আটকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ রাজ্য সরকার নিয়েছে বলে জানান বঙ্কিমবাবু। সমুদ্রের পাড় বরাবর বিশেষ পদ্ধতির জিও-টিউব বসানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। দুই ধাপে এই কাজটি হবে, যার জন্য মোট বরাদ্দ হয়েছে ৭৭ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন ৬টি ব্যাঙ্কের ঝাঁপ বন্ধ! ধর্মঘটের পথে যেতে পারে এআইবিইএ

তবে এর আগে একাধিকবার এই মন্দিরের স্থান পরিবর্তন হয়েছে। ইতিহাস বলে বর্তমানে যে মন্দিরটি রয়েছে, সেটি সপ্তম। এর আগে ছ’ বার এই মন্দির সমুদ্রগর্ভে তলিয়েছে। যখনই একটি মন্দির তলিয়েছে, পরের মন্দিরটি তৈরি হয়েছে তার একটু পেছনে। এর থেকেই বোঝা যায়, ঠিক কী ভাবে এগিয়ে আসছে সমুদ্র।

যদিও বঙ্কিমবাবু বলেন, বর্তমান মন্দিরটি চতুর্থ। তিনি বলেন, “১৮১১ থেকে গঙ্গাসাগরে মানুষের বসবাস শুরু। যা তথ্য আমাদের হাতে রয়েছে, তাতে মনে হয়, যে এটা সম্ভবত চতুর্থ মন্দির।” উল্লেখ্য, ১৯৭৩ সালে তৈরি হয়েছিল কপিলমুনির বর্তমান মন্দিরটি।

রাজ্য

রাজ্যে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত ৩৪০, চার জেলায় কিছুটা স্বস্তি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোমবার থেকে মঙ্গলবার রাজ্যে করোনায় (Coronavirus) সংক্রমিত হয়েছিলেন ৩৯৬ জন। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমল নতুন সংক্রমণের সংখ্যা। রাজ্যে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৪০ জন।

বুধবার বিকেলে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে এই মুহূর্তে মোট করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,৫০৮। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭০ জন রোগমুক্ত হওয়ায় এখনও পর্যন্ত বাড়ি ফিরে যাওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা ২,৫৮০। নতুন করে ১০ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৪৫।

গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় (Kolkata) নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৯৯ জন। ফলে শহরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২,৩৯৪।

এর মধ্যে রাজ্যের চারটে জেলায় কিছুটা স্বস্তির ছবি পাওয়া গিয়েছে। এই চারটে জেলা হল উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া আর বীরভূম।

উত্তর দিনাজপুরে (North Dinajpur) মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৬। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত যেমন হননি, তেমনই একসঙ্গে ১১৮ জন ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন। ফলে উত্তর দিনাজপুর এখন সক্রিয় করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা ১৮তে নেমে এসেছে।

বীরভূমে (Birbhum) নতুন করে এক জন করোনায় আক্রান্ত হলেও ১৪ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। মুর্শিদাবাদে ৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হলেও ছাড়া পেয়েছেন ৯ জন। অন্য দিকে নদিয়ায় নতুন করে চার জন আক্রান্ত হলেও ছাড়া পেয়েছেন ৬ জন।

এ ছাড়া দুই বর্ধমান (Burdwan) আর দুই মেদিনীপুরে সংক্রমণের সংখ্যা কমছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিম মেদিনীপুরে ২, পূর্ব মেদিনীপুরে ৩, পূর্ব বর্ধমানে ৬ আর পশ্চিম বর্ধমানে ১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগণাতেও সংক্রমিত হয়েছেন চার জন।

অন্য দিকে হাওড়া, হুগলি আর উত্তর ২৪ পরগণায় করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন যথাক্রমে ৫৮, ৩৮ আর ৪২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৯,৪৯৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এখন বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ২২৫। রাজ্যে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার এখন রয়েছে ২.৮০%।

পড়তে থাকুন

রাজ্য

সরকারি কর্মীদের হাজিরা নিয়ে কড়াকড়ি শিথিল করছে রাজ্য

Employees

কলকাতা: করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে দীর্ঘ লকডাউন কাটিয়ে ফের ধীরে ধীরে খুলতে চলেছে কলকারখানা, অফিস। তবে পরিবহণ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কার্যালয়ে পৌঁছাতে বিলম্ব হতে পারে ধরে নিয়েই সরকারি কর্মীদের জন্য কড়াকড়ি শিথিল করছে রাজ্য সরকার।

এর আগে রাস্তায় নেমেছে সরকারি বাস, অটো, ট্যাক্সি। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে রাস্তায় নামছে বেসরকারি বাস-মিনিবাস। তবে সংখ্যায় তা কত হবে, সে বিষয়টি স্পষ্ট হবে আগামী দিনে। অন্য দিকে পরিবহণের অন্যতম মাধ্যম লোকাল ট্রেনও কবে চালু হবে ঠিক নেই। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অফিসে হাজিরা দিতে দেরি হলে আপাতত একমাস ‘লাল কালি’র দাগ পড়বে না। যেহেতু গণপরিবহণ স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে, তাই কর্মীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন অফিসে আসতে সমস্যায় পড়ছেন কর্মীরা। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই সঙ্গে সরকারি কর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, মোটেই তাড়াহুড়ো করবেন না। এমন পরিস্থিতিতে অফিসে পৌঁছাতে আধ-একঘণ্টা দেরি হতেই পারে। তবে এর জন্য লাল কালি পড়বে না, অ্যাবসেন্ট করা হবে না। মানবিক দিক থেকে বিষয়টি দেখবে দফতর।

কারণ হিসাবে তিনি বলেন, “এখনও পর্যন্ত ট্রেন, মেট্রো রেল চালু হয়নি। সব কিছুই ধীরে ধীরে সচল হচ্ছে। প্রত্যেকে এটা মেনে নিন”।

প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিক থেকে লকডাউনের নিয়ম শিথিল হওয়ার পর রাস্তায় বেরোতে হচ্ছে অসংখ্য মানুষকে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সতর্কতা মেনে ৭০ শতাংশ কর্মীকে সরকারি দফতরগুলিতে একদিন অন্তর আসতে হচ্ছে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ বাস না থাকায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তাঁরা। এমনকী, শারীরিক দূরত্বের নিয়মও বজায় থাকছে না অনেক ক্ষেত্রে। স্বাভাবিক ভাবে মুখ্যমন্ত্রীর এ দিনের ঘোষণায় কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলল সরকারি কর্মীদের।

পড়তে থাকুন

ভ্রমণের খবর

৮ জুন রাজ্যের পাঁচটি টুরিস্ট লজ পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ৮ জুন থেকে কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা যাবে বলে আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র এবং রাজ্য। সেই সূত্র ধরেই ওই দিন থেকেই রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগমের (West Bengal Tourism Development Corporation) আওতায় থাকা পাঁচটি টুরিস্ট লজ খুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব (Goutam Deb)।

বুধবার শিলিগুড়ির মৈনাক টুরিস্ট লজে সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে পর্যটনমন্ত্রী এমনই জানান। যে পাঁচটি লজ খোলা হবে, সেগুলি হল ডায়মন্ড হারবারের সাগরিকা ট্যুরিজম প্রপার্টি, বিষ্ণুপুরের বিষ্ণুপুর ট্যুরিজম প্রপার্টি, লাটাগুড়ির কাছে টিলাবাড়িতে অবস্থিত তিলোত্তমা ট্যুরিজম প্রপার্টি, মাইথনের মুক্তধারা ট্যুরিজম প্রপার্টি এবং শান্তিনিকেতনের রাঙাবিতান ট্যুরিজম প্রপার্টি।

এই পাঁচটি লজের অনলাইন বুকিংও শুরু হয়ে যাবে। পর্যটনমন্ত্রী জানান, “প্রথম দফায় এই পাঁচটি লজ খোলা হল। ধাপে ধাপে আরও লজ খোলা হবে।”

করোনা (Coronavirus) সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে সুরক্ষাবিধি সকলকে মেনে চলতে হবে বলে জানান গৌতমবাবু। তিনি বলেন, “পর্যটকদের মাস্ক পরতেই হবে। সেই সঙ্গে স্যানিটাইজারও রাখতে হবে তাঁদের।” পর্যটকের পাশাপাশি হোটেলকর্মীদেরও সুরক্ষাবিধি মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন গৌতমবাবু।

এই পাঁচটি লজ খুলে যাওয়ার ফলে দীর্ঘ আড়াই মাস ঘরবন্দি থাকা বাঙালি ছোট্ট ছুটিতে একটু বেরিয়ে আসে কি না, সেটাই দেখার।

পড়তে থাকুন

নজরে