বৃক্ষকে ভালোবাসার উৎসব ‘করম’

0
karam festival
আজ রে করম ঠাকুর ঘরে দুয়ারে-।
mrinal mahat
মৃণাল মাহাত

বৃক্ষকে ভালোবাসার উৎসব ‘করম’ প্রতি বছর ভাদ্রমাসের করম একাদশীর দিন অনুষ্ঠিত হয়। এ বছরও তার অন্যথা হয়নি। আদিবাসী কুড়মী অধ্যুষিত পশ্চিম-সীমান্ত বাংলার চার জেলার পাশাপাশি ছোটোনাগপুর মালভূমি এলাকার শ্রেষ্ঠ উৎসব হল ‘করম পরব’। কুড়মী জনজাতির পাশাপাশি কামার, কুমোর, নাপিত-সহ অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষও বিক্ষিপ্ত ভাবে এই পরবে যোগ দেন। এই উৎসব ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের পরিবেশ-চেতনা শেখায়, গাছকে ভালোবাসতে শেখায়। সারা দিন উপবাস থেকে পুজো করার উৎসব আসলে আগামী দিনে সুসন্তান ও ভালো ফসল কামনার প্রতীকী আয়োজন বলা চলে। ‘জাওয়া’র মাধ্যমে শিশুরা শেখে বীজ উৎপাদন ও বীজ সংরক্ষণের কৌশল। শিশু, কিশোর-কিশোরীদের সামনে রেখে বড়োরাও মেতে ওঠে নৃত্যগীতে। বাস্তবিকই ‘করম’ পৃথিবীর অন্যতম কৃষি উৎসবে পরিণত হয়েছে। এই ছবিগুলি পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী ব্লকের মধুপুর গ্রামে তোলা।সহযোগী ফটোগ্রাফার রমেশ চন্দ্র মাহাত।

আজ রে করম ঠাকুর ঘরে দুয়ারে।
নাচে গানে মাতাব আখড়া।
পূজার জন্য ফুল পাতা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে।
কান পেতে শুনি কর্মু-ধর্মুর গল্প।
‘হামার করম, ভাইয়ের ধরম’।
হে করম রাজা, মঙ্গল করো সকলের।
বাদ্যযন্ত্রের তালে করম রাজাকে ঘরে তোলা।
করম রাজা আঁধারে আলো দেখাও আমাদের।
বৃক্ষবন্দনা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.