বৃষ্টি থামলেও কুয়াশার দাপট, এ বার গরম পড়ার পূর্বাভাস

0

ওয়েবডেস্ক: সোমবার রাত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কমবেশি ভালোই বৃষ্টি হয়েছে। সেই বৃষ্টির পরিস্থিতি কেটে গেলেও বুধবার সকাল থেকে দাপট দেখাতে শুরু করেছে কুয়াশা। এই কুয়াশাই জানান দিচ্ছে, ধীরে ধীরে গরমের দিকে পা বাড়াচ্ছে দক্ষিণবঙ্গ।

কেন হল এই কুয়াশা?

বুধবার সকালে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অনেক জায়গাই কুয়াশার আস্তরণে মোড়া ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই কুয়াশা কাটলেও, আগামী ৪৮ ঘণ্টা কুয়াশা থাকবে।

বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা জানাচ্ছে, এই মুহূর্তে ওড়িশা এবং উত্তরপূর্ব ভারতে দুটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এই দুই ঘূর্ণাবর্তের জেরে দক্ষিণবঙ্গে উপকূলবর্তী এবং বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এর ফলেই তৈরি হয়েছে কুয়াশার পরিস্থিতি।

বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

এই জলীয় বাষ্পকে কাজে লাগিয়ে এই সপ্তাহের শেষের দিকে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতাতেও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, তা বড়োসড়ো আকার ধারণ করবে না।

বাড়বে গরম

তবে শীত যে আর ফিরবে না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করেই বলে দিয়েছে ওয়েদার আল্টিমা। সংস্থার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানাচ্ছেন, মধ্য ভারতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে দিয়েছে। সেখান থেকে গরম হাওয়া ঢুকতে শুরু করবে রাজ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের আকাশ পরিষ্কার থাকার ফলে সেই গরম হাওয়ার ঢোকার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকবে না। ফলে পশ্চিমাঞ্চলে বাড়বে তাপমাত্রা। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমান, বীরভূম, দুই মেদিনীপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে ভোরের দিকে এখনও হালকা শীত শীত ভাব অনুভূত হতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭-১৮-এর দিকেই ঘোরাফেরা করবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্য দিকে কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে জলীয় বাষ্পের ফলে বাড়বে ঘর্মাক্ত গরম। অর্থাৎ আর্দ্রতা বেশি থাকার ফলে বাড়বে ঘামের পরিমাণ। শুকনো গরমের সম্ভাবনা নেই। এখানে পারদ ৩৪-৩৫ ডিগ্রিতে উঠে যেতে পারে।

উত্তরবঙ্গ এখনও মনোরম

হিমালয় থেকে ঠান্ডা হাওয়া ঢোকার ফলে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া এখনও মনোরমই থাকবে। সর্বোচ্চ পারদ ২৮-এর বেশি উঠবে না। আবার সমতলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩-১৪-তেই আটকে থাকতে পারে। আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সে ভাবে কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই জানানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here