Connect with us

রাজ্য

‘বিফ’ থেকে ‘বিপ’-এও কাজ হল না, হুমকির মুখে বাতিল কলকাতার বিশেষ খাদ্য উৎসব

ওয়েবডেস্ক: প্রথমে ছিল ‘বিফ।’ সেখান থেকে হল ‘বিপ।’ কিন্তু তাতেও কাজ হল না। হুমকির মুখে বাতিল হয়ে গেল কলকাতার একটি বিশেষ খাদ্য উৎসব ‘বিফ ফেস্টিভাল’। ২৩ জুন মধ্য কলকাতার সদর স্ট্রিটের একটি হোটেলে ‘কলকাতা বিফ ফেস্টিভ্যালে’র আয়োজন করেছিল দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল নোট নামে একটি সংস্থা।

কয়েক হাজার মানুষ গোমাংসের বিবিধ পদ আস্বাদন করতে চেয়ে যোগাযোগ করেন উদ্যোক্তাদের সঙ্গে। কিন্তু এর পরেই আসরে নামেন ‘হিন্দুত্ববাদীদের’ একাংশ, এমনটাই অভিযোগ দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল নোটের। এই ধরনের উৎসবের মধ্যে দিয়ে হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত লাগছে বলে দাবি করা হয়। হুমকি এবং চাপের মুখে পড়ে একটি সমঝোতায় আসে দু’পক্ষ। ‘বিফ ফেস্টিভ্যাল; পরিবর্তিত হয় ‘বিপ ফেস্টিভ্যাল’-এ।

আরও পড়ুন নীতি আয়োগে যাবেন কি? সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রাথমিক ভাবে তাতে কাজ হয়। কারণ শুধু গোমাংসই নয়, উদ্যোক্তারা জানান এই উৎসবে পর্কেরও নানাবিধ আয়োজন থাকবে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে ফের নতুন করে হুমকি ফোন আসতে শুরু করে। অ্যাক্সিডেন্টাল নোটের অন্যতম কর্তা অর্জুন করের অভিযোগ, বিফ ফেস্টিভ্যাল বাতিল করা না হলে তাঁদের সপরিবার খুন করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এর পর শুক্রবার তাঁরা উৎসবটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেন।

যদিও অর্জুনের মতে, তাদের মনে হয়েছে বেশির ভাগ হুমকি ফোন শুধুমাত্র ভয় দেখানোর জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে করা হয়েছে। তবুও উৎসবে অংশগ্রহণকারী মানুষদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আপাতত এই উৎসব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তবে ভবিষ্যতে কলকাতায় এই খাদ্য উৎসব হবেই বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

গোমাংস নিয়ে এই ধরনের হুমকির সঙ্গে কলকাতার কোনো সম্পর্কই এত দিন ছিল না। সাধারণত উত্তর ভারতের শহরগুলিতেই এই ধরনের অভিযোগ উঠত। এ বার তাতে নাম লেখাল কলকাতাও। নিঃসন্দেহে শহরের ইতিহাসে অন্যতম অন্ধকার অধ্যায়।

দার্জিলিং

‘বিশ্বাস ছিল এই লড়াই জিতব’, করোনাকে জয় করে বাড়ি ফিরলেন অশোক ভট্টাচার্য

এ দিন হাসপাতাল ছাড়ার আগে তাঁর হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে অভিবাদন জানান হাসপাতালের কর্মীরা।

শিলিগুড়ি: টানা ২১ দিনের লড়াই অবশেষে শেষ হল। করোনাকে (Coronavirus) ঘায়েল করে নিজের বাড়িতে ফিরলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা পুরসভার মুখ্যপ্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য (Ashok Bhattacharjee)। নিয়ম মেনে আপাতত কয়েক দিনের হোম কোয়ারান্টাইনে থাকবেন অশোকবাবু।

সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ মাটিগাড়ার কোভিড (Covid 19) হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ সার্টিফিকেট পান অশোক ভট্টাচার্য। এ দিন হাসপাতাল থেকে বেরোনোর আগে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অশোকবাবু।

বর্ষীয়ান এই সিপিএম (CPM) নেতার কথায়, “বিশ্বাস ছিল যে এই লড়াইটা জিততে পারব। এখানে এসে এঁদের দেখে সেই বিশ্বাস আরও শক্তপোক্ত হয়েছে। এক নার্স আমাকে লিখে পাঠিয়েছেন যে আমি সাহসী যোদ্ধার মতো লড়েছি।”

এ দিন হাসপাতাল ছাড়ার আগে তাঁর হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে অভিবাদন জানান হাসপাতালের কর্মীরা। বাড়ি ঢোকার আগে দলীয় কর্মীরাও তাঁকে অভিবাদনে ভরিয়ে দেন।

সপ্তাহ তিনেক আগে কোভিড পজিটিভ হয়ে এই হাসপাতালেই ভরতি হয়েছিলেন অশোকবাবু। বেশ কয়েক দিন অসুস্থতার পর অবশেষে গত বৃহস্পতিবার তাঁর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। মাটিগাড়ার কোভিড হাসপাতালের পরিষেবায় তিনি খুশি বলেও জানান অশোকবাবু।

এ দিন হাসপাতাল থেকে অবশ্য প্রথমেই বাড়ি নয়, শিলিগুড়ি শহরের সিপিএম পার্টি অফিসের সামনে অশোকবাবুর গাড়ি গিয়ে থামে। তবে অশোকবাবু গাড়ি থেকে নামেননি। পার্টি অফিসের সামনে তাঁর গাড়ি পৌঁছোতেই সহকর্মীরা পুষ্পবৃষ্টি করেন।

এর পরেই বাড়ি চলে যান তিনি। সবাইকে হাত নেড়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে যান অশোকবাবু।

Continue Reading

রাজ্য

আচমকা তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) আচমকা তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি নামল। প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি চলতে থাকবে।

গত শনিবার ওড়িশা আর অন্ধ্রপ্রদেশ লাগোয়া উপকূলে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়। সেটিই রাতারাতি নিম্নচাপে ঘনীভূত হয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছাকাছি চলে আসে। সেই নিম্নচাপের জেরে রবিবার সারা দিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে।

তবে সোমবার ভোরের দিকে কলকাতায় এক দফা জোর বৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। গত তিন-চার দিন যা প্রবল গরম পড়েছিল, তার পর এই বৃষ্টিতে নিঃসন্দেহে মানুষের মনে অনেকটাই স্বস্তি এসেছে।

এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে থাকবে। তবে এক টানা প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা এখনই নেই।

উল্লেখ্য, এ বার এখনও পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বর্ষা স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশিই রয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া আর পূর্ব মেদিনীপুর বাদে রাজ্যের সব জেলাতেই বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের থেকে বেশি।

চারটে জেলায় বৃষ্টি হয়েছে স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেশি। সেগুলি হল দুই বর্ধমান (স্বাভাবিকের থেকে ২৪ শতাংশ বেশি), উত্তর ২৪ পরগণা (২৩ শতাংশ) আর মুর্শিদাবাদ (২১ শতাংশ বেশি)। কলকাতায় স্বাভাবিকের থেকে ১৭ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে আপাতত।

Continue Reading

রাজ্য

করোনা রুখতে পশ্চিমবঙ্গের ‘সেফ হোম’-এর ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রের

খবরঅনলাইন ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) ছড়িয়ে পড়া রুখতে আইসিএমআরের (ICMR) নির্দেশমতো রাজ্য যে বিভিন্ন ‘সেফ হোম’ তৈরি করেছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করল কেন্দ্র। কিছু দিন আগেই করোনা মোকাবিলা নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যসচিবদের নিয়ে বৈঠক করেন ক্যাবিনেট সচিব রাজীব গৌবা (Rajib Gouba)।

সেই বৈঠকেই পশ্চিমবঙ্গের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন বলে নবান্ন সূত্রের খবর। সেই সঙ্গে অন্যান্য রাজ্যকেও পশ্চিমবঙ্গের এই মডেল অনুসরণ করার পরামর্শে দিয়েছেন ক্যাবিনেট সচিব।

সেফ হোম কী?

নবান্ন সূত্রে খবর, উপসর্গহীন করোনা রোগীদের কিংবা যাঁদের উপসর্গ একেবারে প্রাথমিক অবস্থায় রয়েছে, তাঁদের বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছে আইসিএমআর। কিন্তু জনবহুল জায়গাগুলিতে এই ধরনের রোগীকে কোনো ভাবেই বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রের মতোই ‘সেফ হোম’ (Safe Home) তৈরি করেছে। যেখানে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছেন রোগীর উপর। সুস্থ হলে রোগীরা নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন।

কোনো রোগীর জটিলতা দেখা দিলে তাঁকে সেফ হোম থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেফ হোমে রোগীর থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার খরচ সরকার বহন করছে। ইতিমধ্যে রাজ্যে ১০৬টি সেফ হোম তৈরি হয়েছে। যেখানে ৬ হাজার ৯০৮টি শয্যা রয়েছে।

অভিবাসী শ্রমিকরা (Migrant Labourers) রাজ্যে ফিরতে শুরু করার পর উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে যায় রাজ্যে। সে কারণে সেফ হোমের প্রয়োজনীয়তা আগের থেকে অনেক বেড়ে গিয়েছে।

সরকারি উদ্যোগে কলকাতায় এ রকম দু’টি সেফ হোম চলছে। একটি ট্যাংরা এলাকায়, সেখানে দেড়শো শয্যা। দ্বিতীয়টি নিউ টাউনে, সেখানে শয্যা সংখ্যা একশো। এ ছাড়া শহরের কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালও এই মডেল অনুসরণ শুরু করেছে।

সে ক্ষেত্রে হাসপাতাল সংলগ্ন হোটেলে এই সেফ হোম তৈরি করে ‘আইসোলেশন সেন্টার’ নাম দেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের এই মডেল অনুসরণ করে রাজস্থানও উপসর্গহীন রোগীদের সঙ্গে সেফ হোম তৈরি করেছে। কেন্দ্রের প্রশংসা কুড়িয়েছে সেটাও।

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা24 mins ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা1 day ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা6 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

নজরে