kolkata rain

কলকাতা: দশকের অন্যতম শক্তিশালী কালবৈশাখীর স্মৃতি সরিয়ে ক্রমে স্বাভাবিক হওয়ার পথে শহর কলকাতা। মঙ্গলবার রাতের ঝড়ের তাণ্ডবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকাল থেকেই ফের একদফা বৃষ্টি হয়েছে কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। তবে এই বৃষ্টির সঙ্গে কোনো ঝড় ছিল না। বরং সকাল থেকেই বয়ে যাওয়া দমকা হাওয়া তাপমাত্রাকে অনেকটাই স্বাভাবিকের কোঠায় রেখে দিয়েছে।

মঙ্গলবারের ঝড়ের পরে বায়ুমণ্ডলে থেকে যাওয়া জলীয় বাষ্পের প্রভাবে এই বৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা। তিনি বলেন, “রাজ্যের মধ্যাংশে ঘূর্ণাবর্ত এবং জলীয় বাষ্পের প্রভাবে এই বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার বিকেলেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে।”

মঙ্গলবার রাতে মাত্র এক-দু’মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে কলকাতা এবং হাওড়া। ঝড়ের দাপটে হার মেনেছে আয়লাও। আলিপুরে ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯৮ কিমি উঠলেও, কলকাতার অন্যান্য অংশে তা প্রায় ১৪০ ছুঁয়েছিল। ঝড়ের প্রভাবে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় গাছ পড়ে। বাড়ি ভেঙে এবং গাছ পড়ে কলকাতা এবং হাওড়াতেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত এগারো জনের। তবে পুরসভা এবং দমকল কর্মীদের তৎপরতায় মঙ্গলবার রাত থেকেই গাছ সরানোর কাজ শুরু হয়।

তবে ঝড়ের প্রভাবে সব থেকে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে রেল পরিষেবা। মঙ্গলবার রাতে হাওড়া এবং শিয়ালদহ থেকে বিভিন্ন দুরপাল্লার ট্রেন প্রায় এক থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত দেরিতে ছেড়েছে। কিছু ট্রেন ছ’ঘন্টা পর্যন্তও দেরিতে ছেড়েছে। রেল পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে যে আরও সময় লাগবে সেটা বলাই বাহুল্য।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here