বিশেষ প্রতিনিধি, কলকাতা: নানা ধরনের গুরুতর অপরাধ এবং বিস্ফোরক খোঁজার ক্ষেত্রে কুকুরের ভূমিকা বরাবরই থেকেছে দুনিয়ার পুলিশ বাহিনীগুলির কাছে। কলকাতা পুলিশও তাঁর ব্যতিক্রম নয়। গোয়েন্দা দফতরের অধীনে একটি ডগ স্কোয়াড রয়েছে তাঁদেরও। এটি রয়েছে পিটিএস বা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে। যে ভাবে সমাজে অপরাধ ও নাশকতার ঘটনা বাড়ছে এবং নানা কারণে মানুষের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে ওই একটি ডগ স্কোয়াড আজ আর যথেষ্ট নয় বলেই মনে করছেন কলকাতা পুলিশের কর্তারা। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছ আরও একটি ডগ স্কোয়াড তৈরির।

পিটিএস-এ কলকাতা পুলিশের বর্তমান ডগ স্কোয়াডটিতে রয়েছে ৩৫টি কুকুর। তার মধ্যে ১৮টি ল্যাব্রাডর। বাকিগুলির মধ্যে বেশিরভাগই অ্যালসেশিয়ান। কিছু রয়েছে অন্যান্য প্রজাতির। কলকাতা পুলিশের কোনো তদন্তে কুকুরের দরকার পড়লে এখান থেকেই পাঠানো হয়।

নতুন ডগ স্কোয়াডটির জন্য নবান্নের উত্তর গেটের কাছে জমি চিহ্নিত করা হয়ে গিয়েছে। এই স্কোয়াডে থাকবে ৩০টি কুকুর। এই স্কোয়াডটিকে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে প্রশিক্ষিত করা হবে। তাদের শরীরচর্চার জন্য অত্যন্ত উন্নত মানের যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কুকুরদের থাকার ক্যানালটিও তৈরি করা হবে অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে। এই ডগ স্কোয়াডটিকে নবান্নে তৈরি করার কারণ হল, এটি রাজ্যের মুখ্য প্রশাসনিক ভবন। নানা কারণে এই ভবনের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দিতে চাইছে রাজ্য সরকার।

রাজ্য পুলিশের একাধিক ডগ স্কোয়াড থাকলেও কলকাতা পুলিশের এতদিন একটাই ডগ স্কোয়াড ছিল। ডগ স্কোয়াড বাড়ানোর কারণ হিসেবে গোয়েন্দা কর্তারা বলছেন, অপরাধী বা বিস্ফোরক খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতির ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু তাতে ৩০ শতাংশ কাজ হয়। প্রশিক্ষিত কুকুর ব্যবহার করলে, প্রায় ৯০ শতাংশ ফলাফল মেলে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন