তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই লক্ষ্মীর ভান্ডার চালু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীকী ছবি

কলকাতা: গত ১ নভেম্বর থেকেই রাজ্য জুড়ে চলছে দুয়ারের সরকার (Duare Sarkar) শিবির। জানা গিয়েছে, সেই শিবিরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে (Lakshmir Bhandar) আবেদন জানাতে এসে অনেক মহিলাকেই ফিরে যেতে হচ্ছে। কারণ, তাঁদের কাছে আধার বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। এই সমস্যা সমাধানে লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া আরও সহজ করল নবান্ন।

আধার অথবা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই, এমন মহিলাদের কথা মাথায় রেখে লক্ষ্মীর ভান্ডার ইস্যুর নিয়মে বড়োসড়ো রদবদলের সিদ্ধান্ত মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদীর। ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলার জেলাশাসকের কাছে পৌঁছে গিয়েছে নির্দেশিকা। ওই নির্দেশিকায় মুখ্যসচিব সাফ বার্তা দিয়েছেন, এ বার থেকে আবেদনকারী প্রত্যেক মহিলা করাতে পারবেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। আধার কার্ড কিংবা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড না থাকলেও এই প্রকল্পে আবেদন করার সুযোগ পাবেন তাঁরা।

অর্থাৎ, আধার কার্ড বা আধার কার্ডের নম্বর না থাকা বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড না থাকলেও তাঁদেরকে ফেরানো বা বাতিল করা যাবে না। আধারের নম্বর না থাকা বা আধার ভ্যালিডেশন না থাকা কোনো স্কিমের বাতিলের কারণ হতে পারে না। তাই সব জেলাশাসককে এই নির্দেশ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।

দুয়ারে সরকার শিবির চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। নবান্ন সূত্রে খবর, এই সময়কালে শিবির থেকে যাতে এই ধরনের অভিযোগ না আসে, তার জন্য জেলাশাসকদের বিশেষ ভাবে সতর্ক করা হয়েছে মুখ্যসচিবের তরফ থেকে। মোট ২৭ দফা প্রকল্পের সুবিধা এ বারের দুয়ারে সরকার শিবিরের মাধ্যমে সরাসরি পৌঁছে যাবে সাধারণ মানুষের কাছে।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যবাসীর স্বার্থে একাধিক প্রকল্প চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মধ্যে ছিল ‘কৃষকবন্ধু’, ‘স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ড’, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’। তৃতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন মমতা।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন