মুড়ি মেলার শেষে নদীর চরে বর্জ্য পরিষ্কারে নেমেছেন লাল্টুরা

0
wastes on riverbed
indrani sen
ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া: দ্বারকেশ্বর নদীর চরে কয়েকশো বছরের প্রাচীন মুড়ি মেলা শেষ হয়েছে। শনিবার মেলা শেষে ফিরে গিয়েছেন মানুষজন। কিন্তু তাঁদের ব্যবহৃত অসংখ্য শালপাতা, পলিথিন পড়ে রয়েছে নদীর চরে। আর তা দেখে বাড়িতে বসে থাকতে পারেননি বাঁকুড়ার কেঞ্জাকুড়া গ্রামের লাল্টু চঁন্দ। পেশায় ব্যবসায়ী এই যুবক নিজের উদ্যোগেই সকাল থেকে নেমে পড়েছেন নদীর চর পরিষ্কারে।

আরও পড়ুন ৩১টা স্টল নিয়ে শুরু হল কাশীপুর বইমেলা

কেঞ্জাকুড়া গ্রাম সংলগ্ন দ্বারকেশ্বর নদীতীরে মাতা সঞ্জীবনী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর মাঘ মাসের ৪ তারিখে অভিনব মুড়ি মেলায় যোগ দেন হাজার হাজার মানুষ। তাঁদের ফেলে যাওয়া শালপাতার ঠোঙা, প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ, থার্মোকলের থালাবাটিতে ভরে গিয়েছে নদীর চর, যা পরিবেশের পক্ষে মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। জেলাপ্রশাসন যখন প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহার না করার কথা বলছেন, তখনও কেউ কেউ জেনে বা না জেনে আজও তা ব্যবহার করে চলেছেন। অপচনশীল ওই সব বস্তু দীর্ঘদিন নদীর চরে পড়ে থাকলে আখেরে ক্ষতি সাধারণ মানুষেরই।

laltu collecting shal leaves
শালপাতা কুড়িয়ে আনছেন লাল্টু।

লাল্টু চঁন্দ বলেন, অসংখ্য মানুষ মেলায় আসেন। অনেকেরই মধ্যে প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগ ব্যবহার বন্ধে সচেতনতা তৈরি করা যায়নি। তাই ফি বছর বন্ধু পঙ্কজ দে-কে সঙ্গে নিয়ে আমরা নদীর চর পরিষ্কারে হাত লাগাই। এই কাজ একদিনে সম্ভব হয় না। লাগাতার দু’তিন দিন খেটে আমরা সেই কাজ শেষ করি। লাল্টু চঁন্দদের এই উদ্যোগে খুশি এলাকার মানুষ। প্রত্যেকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here