শহিদ স্মরণে দেখা গেল না যে সমস্ত হেভিওয়েট নেতাকে

Anubrata Mondal
অনুব্রত মণ্ডল। ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: এক বছরের ফারাক। বদলে গিয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণ। সেই সমীকরণের সরণি ধরেই কেউ চলে গিয়েছেন বিরোধী শিবিরে। আবার কেউ শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ভরতি রয়েছেন হাসপাতালে। যে কারণে, বঙ্গরাজনীতিতে হেভিওয়েট হিসাবে পরিচিত বেশ কয়েকজন রাজনীতিককে দেখা গেল না তৃণমূলের এ বারের ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে।

ফাইল ছবি

ধর্মতলা হোক বা ব্রিগেড, মাঠ ভরাতে অন্যতম দায়িত্ব নেয় উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সংগঠন। এই জেলা থেকেই তিন তাবড় নেতা অনুপস্থিত এ বারের সমাবেশে। সব্যসাচী দত্ত, বিধাননগরের মেয়রপদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার দিনই জানিয়েছিলেন, একুশে জুলাই বিধায়কদের যে পাশ দেওয়া হয় সেটা তিনি পাননি। তিনি যাননি-ও। অবশ্য দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আলাদা করে কাউকে আমন্ত্রণ জানানো হয় না। শহিদদের স্মরণ করার ইচ্ছা নিয়েই সবাই আসেন।

লোকসভা ভোটে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পদ্মপ্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদে গিয়েছেন অর্জুন সিং। যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন বিধানসভায় পর্যন্তই ছিল তাঁর দৌড় ভাটপাড়ায় জেতার সৌজন্যে। গত বারের ২১ জুলাইয়ে নিজের এলাকা থেকে রেকর্ড সংখ্যক সমর্থক হাজির করেছিলেন। এ বার তিনি নিজেই নেই।

Subhranshu roy
ফাইল ছবি

বাবা মুকুল রায় ২০১৭ সালেই বিজেপিতে যোগ দিলেও ছেলে শুভ্রাংশু লোকসভা ভোটের সময় পর্যন্ত ছিলেন তৃণমূলেই। গত বারের ২১ জুলাই সমাবেশ নিয়ে তাঁরও ব্যস্ততা ছিল। এ বার সে সব উধাও। তরুণ রাজনৈতিক হলেও বাবার সৌজন্যে তিনি প্রচারে থাকেন, শিবির বদল করায় স্বাভাবিক ভাবেই থাকলেন না তৃণমূলের কর্মসূচিতে।

ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছেন বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু ধর্মতলার সমাবেশে তাঁকেও দেখা গেল না। চিকিৎসকদের নিষেধ, মানতেই হবে। এসএসকেএম হাসপাতালে ভরতি অনুব্রত। একাধিক শারীরিক সমস্যা কাবু করেছে তাঁকে। উচ্চরক্তচাপ থেকে শুরু করে কার্বোঙ্কল, ফিসচুলা, সুগার আরও কত কী!

তবে লোকসভা ভোটের আগে-পরে যে হারে দলবদলের হিড়িক চলছে, তাতে আরও অনেক ছো‌টো-মাঝারি তৃণমূল নেতা এ বার অমিল শহিদ স্মরণে!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.