Left Front

ওয়েবডেস্ক: প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী। নয়াদিল্লিতেই বসেছে দু’দিনের পলিট ব্যুরো বৈঠক। দুই বৈঠকের নির্ধারিত আলোচ্য তালিকায় ছিল আগামী লোকসভা ভোটে জোট প্রসঙ্গ। কিন্তু কোনো পক্ষই স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি।

তবে কী কংগ্রেস, কী সিপিএম- উভয় পক্ষেরই যে নির্বাচনী সমঝোতায় যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে, বৈঠক থেকে বেরিয়ে আসার পর তার জোরালো ইঙ্গিত মিলেছে। দু’পক্ষ একে অপরের জন্য দরজা খুলে রেখেছে। কিন্তু লোকসভায় কংগ্রেস-বামফ্রন্টে নির্বাচনী সমঝোতা হলে আসনবণ্টনে কে কতটা ত্যাগ স্বীকার করতে পারবে- সেটাই সব থেকে বড়ো প্রশ্ন।

বৈঠকের পর প্রদেশের কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেছেন, “তৃণমূলের সঙ্গে কোনও জোট হচ্ছে না। রাহুল গান্ধী এ কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। বামেদের সঙ্গে জোটের প্রশ্নেও সম্মানজনক বোঝাপড়ার উপর জোর দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি”।

অন্য দিকে সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও বঙ্গ-নেতৃত্বকে রাজ্যে কংগ্রেসের ভোট শতাংশের যাবতীয় তথ্য চেয়েছেন। যা আগামী ৩ এবং ৪ মার্চ দিল্লিতে দু’দিনের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে পেশ করা হতে পারে। সেখান থেকেই উঠে আসতে পারে জোট সংক্রান্ত্র জটিলতার সমাধান সূত্র।

সূত্রের খবর, গত ২০১৪ সালের নির্বাচনে বামেদের জেতা দু’টি আসন-রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ এ বার আর ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস। ফলে এই দু’টি কেন্দ্র নিয়েই জটিলতা সব থেকে বেশি। কারণ, বামেরাও চাইবে না নিজেদের জেতা দু’টি আসন নির্বাচনী সমঝোতার তাগিদে কংগ্রেসকে ছেড়ে দিতে।

[ আরও পড়ুন: বামফ্রন্টের সঙ্গে জোটের দরজা খুলে রাখল কংগ্রেস! ]

তবে এখনও পর্যন্ত যা খবর, আগামী লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট না করলে ভোট কাটাকাটির অঙ্কে বাড়তি সুবিধা পেয়ে যেতে পারে বিজেপি। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের ৪২টি আসনে প্রার্থী নাও দিতে পারে বামফ্রন্ট। কিন্তু রায়গঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদ নিয়ে কী হবে, সেটা স্পষ্ট হয়ে যাবে আগামী মাসের গোড়ায় অনুষ্ঠিত পলিট ব্যুরো বৈঠকেই!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here