লাইভ: ৫টা পর্যন্ত ভবানীপুরে ভোট পড়ল ৫৩ শতাংশ

0

কলকাতা: গোটা পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই, দেশের নজর এই কেন্দ্রের দিকে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় শুরু হয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ। এখানে প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের আরও দু’টি কেন্দ্র— শমসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরেও একই সঙ্গে হচ্ছে বকেয়া বিধানসভা ভোট।

দক্ষিণ কলকাতার এই কেন্দ্রই ঠিক করে দেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভবিষ্যৎ। ১০ বছর আগে প্রথম বার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই জিতে প্রথম বার বিধানসভায় গিয়েছিলেন মমতা। কাকতালীয় ভাবে সে বারও পুজোর ঠিক আগে ভবানীপুরে উপনির্বাচনের মধ্যে দিয়ে জিতেই বিধায়ক হয়েছিলেন মমতা।

মমতা যে জিতবেন, তা নিয়ে তৃণমূলের কোনও স্তরেই কোনও সংশয় নেই। কিন্তু তৃণমূল তথা মমতার কাছে এই লড়াই আরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবধানের কারণে। বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর থেকে জিতেছিলেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মমতার জন্যই তিনি কেন্দ্রটি ছেড়ে দিয়েছেন। শোভনদেবের জয়ের ব্যবধান ছিল ২৭ হাজারের কিছু বেশি। এই উপনির্বাচনে মমতার জয়ের ব্যবধান তার চেয়েও বেশি রাখতে চায় তৃণমূল।

৫০ শতাংশ টপকালো ভবানীপুর

বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভবানীপুরে ভোটদানের হার ৫৩.৩২ শতাংশ। যা রাজ্যের বাকি দুই কেন্দ্রের থেকে অনেকটাই কম। মুর্শিদাবাদ জেলার শমসেরগঞ্জে ভোট পড়েছে ৭৮.৬০ শতাংশ এবং জঙ্গিপুরে ৭৬.৬০ শতাংশ।

৩টে পর্যন্ত ৫০ শতাংশ থেকে দূরে ভবানীপুর

দুপুর ৩টে পর্যন্ত কলকাতার ভবানীপুরে ভোটদানের হার ৪৮.০৮ শতাংশ। অন্য দিকে, জেলার দুই কেন্দ্রে এই সময়ের মধ্যে ভোটদানের হার যথেষ্ট বেশি। মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে ৭২.৪৫ শতাংশ এবং জঙ্গিপুরে ভোট পড়েছে ৬৮.১৭ শতাংশ।

দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটের হার

দুপুর ১টা পর্যন্ত ভবানীপুরে ভোটদানের হার ৩৬ শতাংশ। জেলার দুই কেন্দ্রে এই হার ৫০ শতাংশের অনেক উপরে। জঙ্গিপুরে ভোট পড়ল ৫৪ শতাংশ। এ ছাড়া সামশেরগঞ্জে ভোটদানের হার ৫৭ শতাংশ।

কমিশনে তৃণমূল

ভোটারদের বিরক্ত করার অভিযোগে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল। মদন মিত্রর পাড়ায় প্রিয়ঙ্কাকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভ। অভিযোগ, সন্ত্রাস তৈরির চেষ্টা করছেন বিজেপি প্রার্থী। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিক্ষোভরত তৃণমূল কর্মীদের সরিয়ে দেন।

১১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভোটের লাইনে দেখা গিয়েছে ভবানীপুরবাসীকে। তবে রাজ্যের বাকি দুই কেন্দ্রের তুলনায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ভবানীপুরে ভোটের হার কম। সেখানে ভোট পড়েছে ২১.৭৩ শতাংশ। ১১টা পর্যন্ত জঙ্গিপুর এবং শমসেরগঞ্জে ভোটের হার যথাক্রমে ৩৬.১১ শতাংশ এবং ৪০.২৩ শতাংশ।

ফিরহাদ হাকিম এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভবানীপুর কেন্দ্রের ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলল বিজেপি। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জানিয়েছে বিজেপি।

ন’টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভোটের লাইনে দেখা গিয়েছে ভবানীপুরবাসীকে। তবে রাজ্যের বাকি দুই কেন্দ্রের তুলনায় সকাল ৯টা পর্যন্ত ভবানীপুরে ভোটের হার কম। সেখানে ভোট পড়েছে ৭.৫৭ শতাংশ।

বিকাল ৪টের পর মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় দুপুর ২টোর পর ভোট দিতে আসতে পারেন। 

বুথে বুথে ঘুরছেন পুলিশ পর্যবেক্ষক

ভবানীপুরের ১০০ শতাংশ বুথেই ভোট শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। ওই কেন্দ্রের সব বুথে রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মাইক্রো অবজারভার। প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে ভবানীপুরের বুথে বুথে। ভবানীপুরের ভোট নির্বিঘ্নে শেষ করতে তৎপর প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ওই কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথে ঘুরছেন পুলিশ পর্যবেক্ষক।

রাস্তায় ঘুরছেন ফিরহাদ

প্রচার পর্বের শুরু থেকেই ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের অন্যতম সেনাপতি হিসাবে উঠে এসেছেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। প্রচার চলাকালীন প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে জনসংযোগ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ভোটের দিন সকালেও সেই একই ছবি দেখা গেল।

এ দিন সকাল থেকেই ভবানীপুরের রাস্তায় নেমে পড়লেন কলকাতার পুর প্রশাসক। তাঁর লক্ষ্য মূলত ভোটারদের সকাল সকাল বুথমুখী করা। কারণ, গত দু’দিনের অবিশ্রান্ত বৃষ্টির পর শাসক শিবিরে এখন একটাই আশংকা, সব ভোটারকে বুথে পাঠানো যাবে তো?

স্বস্তির খবর হল, পরপর দুদিন বৃষ্টি হলেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তেমন বৃষ্টি নেই। বরং আকাশ অনেকটাই পরিষ্কার। কিন্তু তাতেও আশঙ্কা কমছে না তৃণমূলের। ফিরহাদ বলছিলেন,”আসলে ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ডরায়। আমরা আশা করছি, আজ বৃষ্টি হবে না। কিন্তু প্রকৃতির সঙ্গে তো আর লড়তে পারব না।”

বুথে বুথে ঘুরছেন প্রিয়ঙ্কা

অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল (Priyanka Tibrewal) কিন্তু বিন্দুমাত্র জমি ছাড়তে নারাজ। এ দিন ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় আসরে নেমে পড়েছেন তিনি। প্রথমেই তিনি যান ভবানীপুর কলেজে। সেখান থেকেই বুথে বুথে গিয়ে এজেন্ট এবং কর্মীদের অভয় দেওয়া শুরু করেছেন। ভোটের ফল নিয়ে তাঁর প্রত্যয়ী ঘোষণা, “আমি সব কিছু মানুষের উপর ছেড়েছি। যদি মানুষ চায়, তাহলে যা নন্দীগ্রামে হয়েছে সেটা ভবানীপুরেও হবে।” 

আরও কিছু কিছু উল্লেখযোগ্য খবর পড়তে পারেন:

রাষ্ট্রায়ত্ত ইসিজিসি-র শেয়ার বিক্রির অনুমোদন দিল কেন্দ্র, তৈরি হবে ৫৯ লক্ষ চাকরি!

পঞ্জাব কংগ্রেসের সংকটে লাভ আইএসআই এবং পাকিস্তানের, বললেন কপিল সিবল

ভারতকে চিঠি তালিবানের, ফের উড়ান চালু করার আরজি

হাইভোল্টেজ ভবানীপুর উপনির্বাচনে বুথ প্রতি ৪টে রেনকোট

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন