গত বছর ৩১ অক্টোবর জামিন পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ১৯ নভেম্বর জামিন বাতিল হওয়ায় ফের জেলে যেতে হয় তাকে। গত বিধানসভা ভোটে দাঁড়াতে পারেননি নিজের কেন্দ্র কামারহাটিতে। গত ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মদন মিত্রকে মুক্ত করার উদ্যোগ নিতে মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কবীর সুমন। বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে তার জামিন মামলার সওয়াল-জবাব চলার সময়, তিনি এখনও প্রভাবশালী আছেন কি না, তাই নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয় সিবিআই ও মদনবাবুর আইনজীবীর। শেষ অবধি, প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র এখন আর ততটা প্রভাবশালী নন, এই মতেই কার্যত সিলমোহর দিল আদালত। প্রথম বার জামিন পাওয়ার ৯ মাস পর আবার জামিন পেলেন মদন মিত্র। জামিন হল ৩০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে।
২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর সারদাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছিলেন মদনবাবু। সেই হিসেবে ২১ মাস পর জামিন পেলেন মদন মিত্র। তাকে আটকে রেখে, তদন্তের কোনও অগ্রগতি হচ্ছে না বলে মনে করেছে আদালত। তবে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তাকে স্থানীয় থানায় পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে। সপ্তাহে একদিন স্থানীয় থানায় দেখা করে আসতে হবে। অন্যদিকে এদিনের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সিবিআই হাইকোর্টে যাবে বলে জানা গিয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here