হাতে সময় স্বল্প! নবমীতে অব্যাহত জনজোয়ার

0

ওয়েবডেস্ক: বৃষ্টির ভ্রুকুটি নেই! আকাশ মুখ ভার করে থাকলেও নবমীর সারাটা দিন ছিটেফোঁটার দেখা মেলেনি। তবুও কিছুটা হলেও মন খারাপ বাঙালির। দিনের হিসেবে রাত পোহালেই দশমী, কিন্তু তিথি অনুযায়ী এ দিনই শুরু হয়ে গিয়েছে দশমী। মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর পালা। স্বাভাবিক ভাবে হাতে স্বল্প সময়েই মণ্ডপে-মণ্ডপে ঢল নেমেছে দর্শনার্থীর।

এ দিন সকাল থেকেই উৎসবমুখর মানুষ বেরিয়ে পড়েছেন প্যান্ডেলে ঢুঁ মারতে। এ দিন সকালে নবমীর বিশেষ যজ্ঞ, ধুনুচি নাচের পর বেশ কিছু সর্বজনীন পুজোয় চলছে প্রতিবারের মতোই ভোগ বিতরণ। আবার এ দিনও বাবু রাজচন্দ্রের মতো বেশ কিছু বনেদি বাড়ির পুজোয় প্রাচীন প্রথা মেনে কুমারীর পুজোর আয়োজনও হয়। পুজোর শুরুর দিন থেকেই যে ভাবে বৃষ্টির চোখ রাঙানি অব্যাহত ছিল, এ দিন তাতেও মিলেছে স্বস্তি।

স্বাভাবিক ভাবেই দিনভর রাস্তায় জনস্রোত সমানে এগিয়েছে। আর মাত্র একটা দিন, রাত পেরোলেই পড়ে যাবে মহাদশমী। তার পরই সেই বিষাদের সুর। বিদায় জানানোর পালা। শুরু হয়ে যাবে ঘাটে-ঘাটে বিসর্জন। তবে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত আর গুপ্তপ্রেস, দু’টি পঞ্জিকা মতে দশমী তিথির শুরু এবং শেষের সামান্য ফারাক রয়েছে।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা নির্ঘণ্ট মতে, দশমী তিথি আরম্ভ সোমবার বেলা ১২.৩৮টা থেকে। দশমী তিথি শেষ আগামী মঙ্গলবার দুপুর ২.৫০ মিনিট পর্যন্ত। এর পরই দুর্গাদেবীর দশমী বিহিত পুজো ও বিসর্জন।

গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা নির্ঘণ্ট মতে দশমী তিথি শুরু হয়েছে সোমবার বেলা ৩.০৫টা এবং শেষ হচ্ছে আগামী মঙ্গলবার বিকেল ৪.১৯টায়। অর্থাৎ, সোমবার নির্দিষ্ট সময়ের পর থেকেই দশমী বিহিত পুজো ও বিসর্জন প্রথাসিদ্ধ।

তবে শুধু মহানগর নয়, রাজ্যের সর্বত্রই এ দিন আবহাওয়া মোটের উপর ভালো থাকায় ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন দর্শনার্থীরা। শহরতলি এবং জেলার পুজোগুলিতেও মহানবমীতে মানুষের উৎসাহ চোখে পড়ার মতোই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here