Connect with us

মালদা

হরিশ্চন্দ্রপুর আর ভালুকার মাঝে কার্যত উপড়ে ফেলা হয়েছে লাইন, কবে চলবে ট্রেন, নিশ্চিত নয় রেল

মালদা: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদের নাম করে কার্যত তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। মালদা জেলায় তাদের তাণ্ডব কার্যত নজিরবিহীন। প্রতিবাদের নামে হাওড়া জেলাতেও তাণ্ডব হয়েছে, কিন্তু মালদার মতো পরিস্থিতি সেখানে তৈরি হয়নি।

কী হয়েছে পরিস্থিতি?

গত রবিবার সকালে দল বেঁধে কয়েকশো উন্মত্ত জনতা ভালুকা রোড স্টেশনে হামলা চালায়। তার আগের দিন হামলা চালানো হয়েছিল হরিশ্চন্দ্রপুর স্টেশনে।

বিক্ষোভকারীরা যে শুধুমাত্র স্টেশনে হামলা চালিয়ে থেমে থেকেছে তা নয়, ভালুকা রোড আর হরিশচন্দ্রপুরের মাঝে জায়গায় জায়গায় রেল লাইন উপড়ে ফেলেছে।

বিভিন্ন জায়গায় রেলের ‘ফিশ প্লেট’, ‘প্যান্ড্রোল ক্লিপ’ খুলে রেললাইন উপড়ে ফেলেছে আন্দোলনকারীরা। বিভিন্ন জায়গায় রেলের প্যানেল বোর্ড ভাঙচুর করা হয়েছে। যার ফলে সিগন্যালিং ব্যবস্থা ভীষণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর ফলে মালদার পর আর উত্তরবঙ্গে ট্রেন চালানো সম্ভব হচ্ছে না। সোমবারের পর মঙ্গলবারও নিউজলপাইগুড়ি থেকে কলকাতাগামী সব ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, লাইনের কোথায় কী অবস্থা রয়েছে, তা খতিয়ে না দেখে, ট্রেন চালানো সম্ভব হবে নয়।

নিউ জলপাইগুড়ির পর থেকে মালদহ পর্যন্ত লাইনে কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে। চূড়ান্ত ছাড়পত্র পাওয়ার পরে তবেই উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন চালানো হবে।

আরও পড়ুন হাওড়ায় আর কতক্ষণ বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট, জানাল প্রশাসন

এই তাণ্ডবের পর স্বভাবতই প্রশ্ন জাগতে শুরু করে, স্থানীয় বাসিন্দারা কি আদৌ এই হামলা চালাতে পারে? না কি বহিরাগত সমাজবিরোধীদের দিয়ে এই কাণ্ড ঘটানো হয়েছে?

যদিও বহিরাগত তত্ত্বটিই বেশি জোরালো হচ্ছে। কারণ ভালুকা রোডে হামলায় অভিযুক্ত যত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তাদের মধ্যে অধিকাংশই বিহারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।

মালদা

মালদায় বজ্রপাতে মৃত ৩

মালদা: বজ্রপাতে তিন জনের মৃত্যু হল মালদায় (Malda)। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ঘটনাটি ঘটে হরিশ্চন্দ্রপুর (Harishchandrapur) থানা এলাকায়। গুরুতর আহত হয়েছেন এক জন।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই প্রবল ঝড় শুরু হয় মালদার বিভিন্ন প্রান্তে। ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায় তিনটে জায়গায় ভয়াবহ বজ্রপাত হয়। মারা যান তিন জন।

মৃতদের মধ্যে রয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক এলাকার বারদুয়ারী দক্ষিণ রামনগর গ্রামের মিঠু কর্মকার। মাঠে কাজ করছিলেন সে সময়। বাজ পড়ে প্রাণ হারান।

বাকি দু’ জনও মাঠে কাজ করছিলেন। এ ছাড়াও বজ্রপাতের ফলে রামনগর এলাকার কৃষ্ণ সাহা নামের এক ব্যাক্তি গুরুতর আহত হন।

তাঁকে প্রথমে হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পর অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টি হলেও রাতের দিকে সাংঘাতিক বজ্রপাত হয়। শহরবাসীর মধ্যে অনেকেই এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

Continue Reading

মালদা

শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে মৃত্যু মালদহের অভিবাসী শ্রমিকের

মালদহ: শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে মৃত্যুমিছিল যেন থামছেই না! এ বার গুজরাতের সুরত থেকে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনের মধ্যেই মৃত্যু হল মালদহের (Maldah) এক বছর পঞ্চাশের বাসিন্দার।

ঘটনায় প্রকাশ, গত ৩০ বছর ধরে সুরতের হোটেলে কাজ করতেন মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের ১ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা বুধিয়া পাহাড়ি। করোনাভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus lockdown) জেরে গত কয়েক মাস আটকে ছিলেন সেখানেই। পরে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন (Shramik Special Train) চালু হতে বাড়ি ফেরার স্বপ্ন সফল হওয়ার দিকে এগিয়ে যায়।

সহযাত্রীরা জানিয়েছেন, সুরত (Surat) থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে ওঠেন বুধিয়া। মাঝপথেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই ট্রেনটি মালদহে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়। ট্রেনটি মালদহ পৌঁছানোর পর সমস্ত যাত্রী নেমে আসার পর তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে রেল পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ।

সূত্রের খবর, টিবি রোগে আক্রান্ত ছিলেন বুধিয়া। এর আগেই একাধিক বার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এই রোগের কারণে। কিন্তু শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে কোনো চিকিৎসা না পেয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। ওই ট্রেনে ছিলেন তাঁর দু’একজন পড়শি। জানা যায়, এ দিন ভোরে রামপুরহাটের কাছাকাছি তাঁর মৃত্যু হয়।

রবিবার মালদহে ফেরার কথা ছিল তাঁর। ফিরলেনও। তবে প্রাণহীন দেহে!

Continue Reading

দেশ

বেঙ্গালুরুতে আটক পশ্চিমবঙ্গের শ’ পাঁচেক শ্রমিক, ফেরাতে আর্জি মুখ্যমন্ত্রীকে

খবর অনলাইন ডেস্ক: নাম মনিরুল মণ্ডল, বয়স ২০। মালদার বামনগোলার বাড়ি থেকে মাস চারেক আগে বেঙ্গালুরু এসেছেন নির্মাণশিল্পী হিসাবে। করোনাভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণের জেরে প্রায় দেড় মাস ধরে চলছে লকডাউন। এখন তিনি কর্মহীন। খুবই আতান্তরে পড়েছেন। যে ভাবেই হোক, বাড়ি ফিরতে চান।

মনিরুল অসংখ্য পরিযায়ী শ্রমিকের (Migrant workers) একজন। এ রকম দেড়-দু’ হাজার পরিযায়ী শ্রমিক আটকা পড়েছেন বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) অদূরে হোয়াইটফিল্ডে (Whitefield)। আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের শ’ পাঁচেক পশ্চিমবাংলার। বাদ বাকি ওড়িশা, অসম প্রভৃতি রাজ্যের। এঁদের জমানো টাকাও প্রায় শেষ হওয়ার মুখে। তাই এঁরা নিজের রাজ্যে ফিরে আসতে চান। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Bandyopadhyay) কাছে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) থেকে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের কাতর আর্জি, যে করেই হোক, তাঁদের নিজের জায়গায় যেন ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন: হায়দরাবাদে আটকে বাংলার শ্রমিক, ঘরছাড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন ঠিকাদার

মনিরুল বলছিলেন, এই পরিযায়ী শ্রমিকেরা নির্মাণশিল্প ছাড়াও আরও অন্যান্য শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। এঁরা হোয়াইটফিল্ডের একটি গ্রামে কলোনি করে বাস করেন। এখানে শ’ পাঁচেক ঘর আছে। প্রত্যেক ঘরে তিন-চার জন করে থাকেন।

মনিরুল জানান, লকডাউনের পর প্রথম দু’ সপ্তাহ তাঁদের কোম্পানি রোজ দু’ বেলা করে খাইয়েছে। তার পর থেকে নিজেদেরই পয়সা খরচ করে খেতে হচ্ছে। রোজগার নেই, এ দিকে সামান্য যেটুকু জমানো পয়সা আছে তা একটু একটু শেষ হয়ে যাচ্ছে। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌছেছে যে অনেকেই কান্নাকাটি শুরু করেছেন।   

ইতিমধ্যে কয়েক দিন আগে আশেপাশের গ্রাম থেকে গ্রামবাসীরা এসে তাঁদের ওপর চড়াও হন। তাঁদের অভিযোগ, মনিরুলরা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মানছেন না। একই অভিযোগে পুলিশও এসেছিল। তাঁরা তাঁদের কলোনি থেকে বেরোবেন না, মনিরুলরা এই আশ্বাস দেওয়ার পর এই ব্যাপারটা মিটেছে।

মনিরুলের কথায়, “পশ্চিমবঙ্গ থেকে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকদের বেশির ভাগই মালদা-মুর্শিদাবাদ থেকে যাওয়া। বামনগোলার বাড়ি্তে বাবা-মা ভাইবোনেরা রয়েছেন। মা তো রোজ কান্নাকাটি করছেন, বলছেন ফিরে আসতে। কিন্তু ফিরব কী করে? দিদি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) তো সকলের কথা ভাবেন, বিশেষ করে গরিব মানুষের কথা। আমাদের কষ্টের কথা ভেবে যদি এখান থেকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন, তা হলে কৃতজ্ঞ থাকব।”

যোগাযোগের নম্বর

তবে বাইরে আটকে থাকা পশ্চিমবঙ্গবাসীদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যবস্থা করেছে রাজ্য সরকার। লকডাউনের কারণে অন্য রাজ্যে যাঁরা আটকে পড়েছেন, তাঁদের নোডাল অফিসার পি বি সেলিমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭০, ল্যান্ডলাইন নম্বর ০৩৩-২৩৫৬১০৭৫, হোয়াটস অ্যাপ নম্বর +৯১ ৯৮৩০১ ৫৪১০১, ইমেল [email protected]।    

কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি

এ দিকে পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে থেকে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদিউরাপ্পা।

কর্নাটকের (Karnataka) মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে তিনি শ্রমিকদের উদ্দেশে বলেন, “অন্য দেশের তুলনায় ভারতে কোভিড ১৯ পরিস্থিতি অনেকটাই ভালো। এর কারণ সাধারণ মানুষের সহযোগিতা। আমরা দ্রুত রাজ্যে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবার শুরু করতে চাইছি। তাই পরিযায়ী শ্রমিকদের কাছে আমাদের আবেদন, দয়া করে রাজ্যে থেকে যান আর সরকারের পরবর্তী নির্দেশের দিকে নজর রাখুন।”

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা6 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

কেনাকাটা1 week ago

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক...

নজরে