নন্দীগ্রামে ষড়যন্ত্র, জবাব দিল ভবানীপুর: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

0
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংগৃহীত ছবি

কলকাতা: ৫৮ হাজারেরও বেশি ভোটে ভবানীপুর উপনির্বাচনে জিতলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ফল ঘোষণা হতেই কালীঘাটে নিজের বাড়ির সামনে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল, ভবানীপুরের মানুষ তার যোগ্য জবাব দিল।

ভবানীপুর থেকে হ্যাট্রিক জয়ের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মমতা বলেন, “আমি ভবানীপুরে জিতেছি। আগের সব রেকর্ডকে পিছনে ফেলে আমরা ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটে জিতেছি। প্রত্যেকটা ওয়ার্ডেই জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস”।

একই সঙ্গে ফের নিশানা করলেন কেন্দ্রকে। বলেন, “বাংলায় ভোট শুরু হতেই কেন্দ্রীয় সরকার আমাদেরকে সরাতে ষড়যন্ত্র চালিয়েছে। আমার পায়ে আঘাত করা হয়েছিল, যাতে আমি ভোটে না দাঁড়াতে পারি। এই জয়ের জন্য সাধারণ মানুষকে অভিনন্দন। নির্বাচন কমিশন ছ’মাসের মধ্যে ভোট করিয়েছে, তাদেরও ধন্যবাদ”।

গত বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়ে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হন মমতা। তবে ভোটগণনায় কারচুপির অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ দিন তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল, ভবানীপুরের মানুষ তার উপযুক্ত জবাব দিয়েছে”।

তিনি আরও বলেন, “এখানকার (ভবানীপুর) ৪৬ শতাংশ মানুষ অ-বাঙালি। তাঁরা সবাই আমাকে ভোট দিয়েছেন। সারা রাজ্যের মানুষ ভবানীপুরের দিকে তাকিয়ে ছিল, এটাই আমাকে উৎসাহ জুগিয়েছে”।

উল্লেখ্য, ভবানীপুরে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৫৬। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ১১ হাজার ২৪৩ এবং মহিলা ৯৫ হাজার ২০৯। বুথের সংখ্যা ২৬৯টি হলেও কোভিড পরিস্থিতিতে তা বেড়ে হয়েছে ২৮৭।

ভবানীপুরের ভোটপ্রচারে গিয়েই “বি ফর ভবানীপুর, বি ফর ভারত” স্লোগান দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ঘোষণা করেছিলেন, “ভবানীপুরের পর খেলা হবে সারা দেশে”। এ দিন তিনি বলেন, “ভবানীপুরের মানুষ গোটা দেশকে দেখিয়ে দিল বাংলা কাকে চায়”।

আরও পড়তে পারেন: রেকর্ড ভেঙে বিশাল জয়, ভবানীপুরের কোনো ওয়ার্ডেই কম ভোট পায়নি তৃণমূল!

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন