trinamool congress

কলকাতা: গঙ্গারামপুরের কংগ্রেস বিধায়ক গৌতম দাস তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন, এখনও এক সপ্তাহও হয়নি।  গত ২ এপ্রিল গৌতমবাবুর শিবির বদলের পরই উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক দুলাল বরের দলত্যাগের খবর মিলল। তিনি ২০১৬ সালে বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে ওই কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুলালবাবু কিন্তু অতীতে তৃণমূলের টিকিটেই একই আসন থেকে বিধানসভায় গিয়েছিলেন।

২০০৬ সালে বাগদা কেন্দ্রে ঘাসফুল প্রতীকে জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন দুলালবাবু। একে তো বাম জমানা, তার উপর উত্তর ২৪ পরগনার ওই এলাকায় কংগ্রেসের সঙ্গেই মূল লড়াই ছিল ফরওয়ার্ড ব্লকের। তবে পাঁচ বছর জনপ্রতিনিধিত্ব করার পরেও পেশায় শিক্ষক দুলালবাবুকে সরিয়ে দেওয়া হয় ২০১১ সালের পরিবর্তনের বিধানসভা নির্বাচনে। ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয় প্রাক্তন সিবিআই অধিকর্তা উপেন বিশ্বাসকে। দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার পাশাপাশি সংঘাতের বহরও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে দুলালবাবুর। ২০১৫ সালে আচমকা তাঁর উপর গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।

আরও পড়ুন: তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বিরোধী দলের আরও এক বিধায়ক

ব্যস। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট হলে তিনি তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন এবং তৃণমূল প্রার্থী উপেন বিশ্বাসকে পরাজিত করেন। কিন্তু এখন আর তিনি কংগ্রেসে থাকতে চাইছেন না। দলের সাধারণ সম্পাদক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, বাংলার উন্নয়ন করতে হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকতে হবে।

তবে তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত তাঁকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে খোলসা করে কিছু জানানো হয়নি। কিন্তু দুলালবাবু যে এ বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের হয়েও কাজ করবেন তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলের উত্তর ২৪ পরগনা পর্যবেক্ষক নির্মল ঘোষ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন