গো-হত্যা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই সরগরম দেশের রাজনীতি। আখলাকের হত্যা থেকে শুরু, তারপর বারবার বিভিন্ন ঘটনায় শিরোনামে এসেছে ‘গো-রক্ষক’রা। নিগ্রহ, ভয় দেখানো, চলেছে সবকিছুই। উত্তর ভারত থেকে গুজরাত, সর্বত্রই দেখা গিয়েছে সঙ্ঘ পরিবারের দাপাদাপি। শুধু মুসলিমরা নয়, গুজরাতের দলিতরাও হয়েছে আক্রমণের লক্ষ্য। বিরোধিতার পারদও বেড়েছে দেশ জুড়ে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে মুখ খুলতে বাধ্য হন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘গো-রক্ষক নয়, দেশের প্রয়োজন গো-সেবক’। তারপরও ঘটনা ঘটেছে। দুদিন আগেই হরিয়ানার দুই মহিলা অভিযোগ করেছেন, গরু খাওয়ার অভিযোগে তাদের ধর্ষণ করা হয়েছে।

শুধু মুখ খুলছিলেন না তিনি। বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেও, গরু হত্যা প্রসঙ্গে এতদিন নীরবই ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ইদের ঠিক আগের দিন সিঙ্গুর নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকের শেষে গরু নিয়ে মুখ খুললেন মমতা। বললেন, “কাল রাতে কেউ কেউ গরু খুঁজতে বেরিয়েছিল। সব খবর আছে আমার কাছে। এসব এখানে চলবে না। ডার্টি পলিটিকস। নিজেদের রাজনৈতিক প্রয়োজনে যদি কেউ ধর্ম নিয়ে খেলতে চান, তাহলে কাউকে ছাড়া হবে না।”

শুধু এটুকুই নয়, মমতা এদিন আরও বলেন, সকলেই বিভিন্ন প্রাণী হত্যা করে খেয়ে থাকেন। শুধু কেউ গরু খেলেই দোষী হতে পারেন না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here