mp

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি রাজ্যসভা সাংসদপদের নির্বাচন হওয়ার পর শুক্রবারই ফলাফল ঘোষণা করা হল। ফলাফলে দেখা গেল তৃণমূল কংগ্রেসের চার প্রার্থীই নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য দিকে পঞ্চম স্থানটির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সিপিএম প্রার্থী রবিন দেব পরাজিত হয়েছেন জাতীয় কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির কাছে।

বিধানসভা সূত্রে খবর, তৃণমূল প্রার্থী শুভাশিস চক্রবর্তী পেয়েছেন ৫৪টি, নাদিমুল হক ও আবির বিশ্বাস পেয়েছেন ৫২ টি, শান্তনু সেন পেয়েছেন ৫১ টি এবং অবশিষ্ট ৪৭ টি ভোট পেয়েছেন সিঙ্ঘভি। রবীন দেব পেয়েছেন মাত্র ৩০টি ভোট।

এ বারের রাজ্যসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের কোনো প্রার্থীকে নির্বাচিত হওয়ার জন্য সমর্থন পেতে হয়েছে ৫০ জন বিধায়কের।

legistors are in queue to cast their votes
ভোট দিতে বিধায়কদের লাইন। ছবি – রাজীব বসু

শেষ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে এগোলে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের হাতে ছিল ২১৩, বামফ্রন্টের ৩২, জাতীয় কংগ্রেসের ৪২, এবং মোর্চার তিন ও এক জন নির্দল বিধায়ক। কিন্তু এই পরিসংখ্যানে অনেকে হেরফের হয়ে গিয়েছে গত দু’বছরে। তাতে তৃণমূলের পাল্লা অনেকটাই ভারী করে তুলেছে। যেমন ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর কংগ্রেসের তিন জন বিধায়ক দলবদল করলেও তাঁরা এখনও সরকারি ভাবে কংগ্রেসের বিধায়ক হিসাবেই চিহ্নিত। আবার মোর্চা বিধায়করাও তৃণমূলকে সমর্থন করবে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিল।

অর্থাৎ খাতায়-কলমে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ২১৩ জন ধরলে চার জন প্রার্থীকে জিতিয়ে নিয়ে আসার পরেও তাদের বাড়তি ভোটের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ১৩ টি (সঙ্গে কংগ্রেস এবং মোর্চার ভোট)। যা দিয়ে তৃণমূল সহজেই জিতিয়ে নিয়ে এসেছে কংগ্রেস প্রার্থী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিকে।

দলের প্রত্যাশা মতোই তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন নাদিমুল হক, শুভাশিস চক্রবর্তী, আবির বিশ্বাস এবং শান্তনু সেন। অতিরিক্ত পাঁচ নম্বর সাংসদপদটিতেও তৃণমূল বিধায়করা জিতিয়ে নিয়ে এসেছেন কংগ্রেস প্রার্থীকে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন