নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: নাবালিকা ‘স্ত্রী’র সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ব্যাপক মারধর খেলেন এক যুবক। গুরুতর জখম অবস্থায় আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যুবক। নদিয়ার ধুবুলিয়ার বছর তিরিশের শুভ্রনীল হালদার কালনার মহাপ্রভু পাড়ার ওই নাবালিকাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। ওই ছাত্রীকে নিযে ত্রিপুরার আগরতলায় পালিয়ে যায় শুভ্রনীল। এদিকে, নাবালিকার বাবা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ শুভ্রনীলের মা মিনু হালদার, দিদি সুপর্ণা মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। শুভ্রনীল কালনায় এসে আত্মসমর্পণ করে। আদালতের নির্দেশে ওই নাবালিকা তার বাবার কাছে ফিরে যায়। কিন্তু শুভ্রনীলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ওই নাবালিকার।

ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের চকোলেট ডে-তে তার ডাকে সাড়া দিয়ে বৃহস্পতিবার ওই নাবালিকার সঙ্গে দেখা করতে আসে শুভ্রনীল। অভিযোগ, নাবালিকার পরিবারের লোকজন শুভ্রনীলের উপর হামলা চালায়। ব্যাপক মারধর করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা। শুক্রবার কালনা হাসপাতালে বিছানায় বসে শুভ্রনীল বলে, “ওদের বাড়ির লোকজন আমাকে খুব মেরেছে। পাড়ার লোকজন বাধা দিলেও ছাড়েনি।”

স্থানীয় সূ্ত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে একটি অনুষ্ঠানে এসে ওই নাবালিকার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল শুভ্রনীলের।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন