manoranjan byapari
মনোরঞ্জন ব্যাপারী

কলকাতা: বিজেপি ছেড়ে আবার তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন নিয়ে কটাক্ষ মনোরঞ্জন ব্যাপারীর। বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ‘সুবিধাভোগী-ধান্দাবাজ’রাই বিজেপি-তে ঘুরে আবার জোড়াফুল শিবিরে ফিরে আসছে।

মনোরঞ্জন বলেন, “চারদিকে একটা রব উঠেছিল, বিজেপি বাংলাকে গ্রাস করে ফেলেছে। তখন আমাদের মনে হয়েছিল, বিজেপি যদি সত্যিই এসে যায়, তা হলে আমাদের বাংলা ভাষা, সাহিত্য-সংস্কৃতি সবকিছুকে ধ্বংস করে দেবে। আমাদেরও হুমক-ধমকি দেওয়া হচ্ছিল। বলছিল, গৌরী লঙ্কেশকা ভাই বনা দেঙ্গে। তখন মনে হয়েছিল, মরতে যখন হবেই, লড়েই মরি। দিদির দেওয়া সুযোগ পেয়ে লোকসভায় এগিয়ে থাকা আসনেও লড়াই করে জিতেছি”।

সে সময় একাংশের তৃণমূল নেতা-কর্মী হু হু করে বিজেপি-তে নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু ভোটের ফলাফল বেরনোর পর আবার তৃণমূলে ফিরছেন। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “সেই সময় আমি ১৫৩ জন পর্যন্ত গুনতে পেরেছিলাম। তার পর আমি গুনতে পারিনি। তখন মনে হয়েছিল, এই যে বেইমান, বিশ্বাসঘাতক, মিরজাফরের দল, বাংলাটাকে যারা ধ্বংস করতে চায়, তাদের মুখের মতো জবাব দিতে হবে। লড়তে হবে। সেই লড়াই লড়েছি। দিদি সুযোগ দিয়েছেন। যারা সুবিধাভোগী, ধান্দাবাজ তারা যে দিকে পাল্লা ভারী সে দিকেই ঝুঁকে যায়। যখন বাংলা বিপন্ন, বাঙালি বিপন্ন, এবং তৃণমূল দল বিপন্ন, সেই সময় যারা দল ছেড়ে চলে গেল, আজকে তৃণমূলের সুদিনে তারা দলে ফিরছে। তাদের সুবিধাভোগী ছাড়া আর কী বলা যায়”।

তিনি কি বিধায়ক পদ ছাড়তে চাইছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মনোরঞ্জন বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বলেন, তা হলে আমি বিধায়ক পদ ছেড়ে দিতে পারি। একমাত্র দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদেশ আমার কাছে ভগবানের আদেশের চেয়ে বড়ো। উনি যা বলবেন তাই করব। তাতে আমার এক বারও দ্বিধা থাকবে না”।

আরও পড়তে পারেন:

শুক্রবার থেকে শুরু, আগামী আড়াই মাস সব প্রাপ্তবয়স্কের বিনামূল্যে বুস্টার

পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে বিশালাকার ধূমকেতু K2, জানুন দেখার তারিখ, সময় এবং পদ্ধতি

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন