শৈবাল বিশ্বাস

রামলীলা রথযাত্রার পর এবার দুর্গাপুজোয় জনসংযোগ বাড়ানোর লক্ষে অন্তত দশজন মন্ত্রীকে রাজ্যে আনছে বিজেপি।  তারা ভাগাভাগি করে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঘুরবেন। কলকাতায় থাকবেন ক্যাবিনেট পর্যায়ের অন্তত পাঁচজন মন্ত্রী। তবে এখন থেকেই তাদের নাম ঘোষণা করতে রাজি নয় দল। কোথায় তারা যাবেন সেটাও গোপন রাখা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস যাতে পুজো কমিটিগুলোকে ভয় দেখাতে না পারে সেই জন্য আপাতত মন্ত্রীদের নাম এবং কোন পুজোয় তাঁরা যাবেন সে সব গোপন রাখা হচ্ছে। তবে বেশ কয়েকটি পূজা কমিটি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মন্ত্রীদের আনতে চেয়েছেন বলে খবর।

জানা গেছে দশজন হেভিওয়েট মন্ত্রীর একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁদের সঙ্গে কথাও হয়েছে। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ স্বয়ং মন্ত্রীদের হাজির থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রে গণেশ চতুর্থীতেও বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হাজির ছিলেন। কলকাতায় থাকবেন বাবুল সুপ্রিয়্‌, রবিশঙ্কর প্রসাদ, রাজ্যবর্ধন রাঠোর, ধরমেন্দ্র প্রধান। এছাড়া রূপা গাঙ্গুলি তো থাকবেনই। তারা বেশ কিছুক্ষণ বাছাই করা কয়েকটি মণ্ডপে ঘুরবেন। মন্ত্রীদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ কথা বলার-ও সুযোগ পাবেন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব চাইছেন মানুষ যেন মন্ত্রীদের প্রশ্ন করেন। কথাবার্তার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা বাড়বে, বদলাবে দল সম্পর্কে ধারণাও। আগামীদিনে এর ফলে দলের সুবিধা হবে।

ইতিমধ্যে তৃণমূল  কংগ্রেস সমস্ত জনপ্রতিনিধিকে নির্দেশ দিয়েছে পুজোর ক’দিন রাস্তায় থাকতে হবে। কোনও ভাবেই ছুটি কাটানো চলবে না। বন্যা বিধ্বস্ত এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে পুজোর মধ্যে তাঁদের প্রধান কাজ হবে পুনর্বাসন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা।

সিপিএম নেতারাও এবার রাস্তায় থাকবেন। উত্তর চব্বিশ পরগনার বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য ইতিমধ্যেই পাড়া পরিক্রমার তালিকা করে ফেলেছেন। বই-এর স্টলে বসে থাকাই শুধু নয়, এবার রবিন দেব, মানস মুখোপাধ্যায়দের বিভিন্ন মণ্ডপেও দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন