শীতে আপাতত স্থিতাবস্থা, তবে জব্বর কামড় আসন্ন

0
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন শেষ কবে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছিল সেটা খুঁজতে গেলে হয়তো রেকর্ড বই বের করতে হবে। এখন তো জানুয়ারি শেষ সপ্তাহ পড়তে না পড়তেই শীত বিদায় নেওয়ার তোড়জোড় শুরু করে। ঊর্ধ্বমুখী হয় তাপমাত্রা।

কিন্তু এ বার সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনা ঘটতে চলেছে। ২৬ জানুয়ারিতে কলকাতার তাপমাত্রা যদি ১০-১১ ডিগ্রি আর বাঁকুড়া-বীরভূম-পুরুলিয়া-পশ্চিম বর্ধমানের গড় তাপমাত্রা যদি ৬-৭ ডিগ্রিতে নেমে যায় তা হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

শীতের পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে একটা স্থিতাবস্থা চললেও শুক্রবার থেকে জব্বর কামড় নিয়ে প্রত্যাবর্তন ঘটবে শীতের।

এমনিতেই দক্ষিণবঙ্গে শীত ফিরে এসেছে। গত সপ্তাহে তাপমাত্রা এমন ভাবে বাড়তে শুরু করেছিল যে অনেক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে শীত বিদায় নিতে চলেছে। খবর অনলাইন অবশ্য আগে থেকেই বলে এসেছে যে শীত এখনই বিদায় নেবে না।

সেই পূর্বাভাস মতোই সোমবার থেকেই শীত ফিরেছে দক্ষিণবঙ্গে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে ছিল ১৩.৮ ডিগ্রি। বুধবার তা আরও কিছুটা কমে ১৩.৬ হয়েছে।

পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া, পশ্চিম বর্ধমানে শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কারণ এ দিন কাঁথিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি আর শ্রীনিকেতন ও পানাগড়ে তাপমাত্রা ছিল ৮.৯ ডিগ্রি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জায়গায় তাপমাত্রা ১০ থেলে ১৪ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করেছে।

বৃহস্পতিবার কিছুটা বাড়তে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে এ দিন সন্ধ্যা থেকে দক্ষিণবঙ্গের আকাশে মেঘ ঢুকতে পারে। বিক্ষিপ্ত কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই বৃষ্টি ক্ষণস্থায়ী। বৃহস্পতিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন ইমরান খানকে পাশে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখে ফের ‘কাশ্মীর’

আর তার পরেই শুক্রবার থেকে দ্বিগুণ দাপট নিয়ে বইতে শুরু করবে কনকনে উত্তুরে হাওয়া। ঠান্ডা এতটাই বেশি পড়বে যে কলকাতার শহরতলিতেও তাপমাত্রা ১০-এর নীচে নেমে যেতে পারে।

এই শীতের দাপট শুক্রবার থেকে দিন তিনেক বজায় থাকবে। সরস্বতী পুজোর সময়ে শীতের দাপট কমে যাবে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন