অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত একাধিক পরিবার, সাহায্যে এগিয়ে এলেন মন্ত্রী

ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলছেন শ্যামল সাঁতরা।
indrani sen
ইন্দ্রাণী সেন

বাঁকুড়া: বৃষ্টির মধ্যে আগুনে পুড়ে ছাই ঘরবাড়ি। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন মন্ত্রী। মঙ্গলবার ভোররাতে বাঁকুড়ার কোতুলপুরের জয়রামবাটির মায়ের ঘাট সংলগ্ন এলাকায় আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত চারটি বাড়ি। দমকল কেন্দ্রে খবর দেওয়ার আগেই সমস্ত কিছু হারিয়ে মাথায় হাত পরিবারের সদস্যদের।

সূত্রের খবর, এ দিন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা যখন ঘটে, তখন গ্রামের প্রায় সকলেই ঘুমিয়েছিলেন। এই ঘটনা টের পেয়ে এলাকার মানুষ হাতের কাছে যা পেয়েছেন তা নিয়েই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। খবর দেওয়া হয় দমকলে। পরে বিষ্ণুপুর থেকে দমকল আসার আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে স্বপন ধাড়া, পিন্টু পান, মঞ্জু সাউ ও সমীর ধাড়া নামে চার জন প্রান্তিক মানুষের বাড়ি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশও। দমকলের পাশাপাশি পুলিশের পক্ষ থেকেও ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কী করে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল ভেবে পাচ্ছেন না কেউই।

আগুনের খবর পেয়েই এদিন সকালে এলাকায় যান বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুন কালফাল্গুনী নয়, কালবৈশাখীই

কথা বলার সময় তিনি জানতে পারেন, অগ্নিকাণ্ডের জেরে সর্বস্বান্ত হওয়া মঞ্জু সাউয়ের মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল আগামী বৈশাখেই। কিন্তু বাড়িতে থাকা সমস্ত টাকাপয়সা ও অন্যান্য সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ায় সেই বিয়ে কী ভাবে দেবেন ভেবে পাচ্ছেন না মঞ্ছু সাউ। এই খবর শোনার পর বিয়ের সমস্ত খরচ বহন করার আশ্বাস দেন শ্যামলবাবু।

শ্যামলবাবু বলেন, “ভোর তিনটে নাগাদ এখানে আগুন লাগে। খবর পেয়েই এখানে ছুটে এসেছি। প্রশাসনের তরফে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সমস্ত রকম সাহায্য করা হবে।”

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.