ছবি: ফেসবুক থেকে

ওয়েবডেস্ক: বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে নিখোঁজ নদিয়ার নোডাল অফিসার অর্ণব রায়। নদিয়ার সমস্ত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের দায়িত্বে থাকা ওই আধিকারিকের নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও কোনো সন্ধান মেলেনি। এর পরই একটি মহল থেকে দাবি করা হয়, মানসিক অবসাদের শিকার হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন অর্ণব।ওই দাবিকে নস্যাৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন তাঁর স্ত্রী অনিশা।

নোডাল অফিসারের নিখোঁজের নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করেছেন অনেকেই। একই সঙ্গে কারও কারও মতে, মানসিক অবসাদ থেকেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে অনিশা তাঁদের উদ্দেশেই জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন না৷ এ ব্যাপারে যেন সংবাদ মাধ্যমের গুজব ছড়ানো বন্ধ হয়। এ মুহূর্তে স্বামীকে খুঁজে বের করা ছাড়া অন্য কোনো চিন্তাই নেই তাঁর। ফলে তাঁর এই কাজে যেন প্রত্যেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।

বিয়ের পর কাজের ব্যস্ততা থাকলেও, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক যে স্বাভাবিক ছিল, সে কথাও জানিয়েছেন তিনি। অনিশা সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে বেরোনোর পর ছ’বার স্বামী সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর৷ কৃষ্ণনগর গর্ভনমেন্ট কলেজে দেখা হয়েছিল দু’জনের৷ সেই শেষ দেখা স্বামী-স্ত্রীর৷ 

উল্লেখ্য, রোজকারের মতো সে দিন সকালেও অর্ণব বীপ্রদাস পালচৌধুরী পলিটেকনিক কলেজে নির্বাচনের কাজে যান। দুপুরে খাওয়ার পর আর তাঁকে দেখতে পাওয়া যায়নি।

নির্বাচনী কাজে তিনি যে গাড়িটি ব্যবহার করতেন সেটি রয়েছে। গাড়ির চালকের কাছেও অর্ণবের কোনো খোঁজ নেই।

তাঁর সহকর্মীরা জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় অর্ণবের খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কোথাও খোঁজ মেলেনি। তাঁর ব্যবহার করা মোবাইল দু’টিও সুইচড অফ।

এর আগেই একটি নিখোঁজ ডাইরি করা হয়েছে বলে জেলাশাসক জানিয়েছেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে অবসাদে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার তত্ত্বে আমল না দিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন অনিশা৷



একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here