ওয়েবডেস্ক: মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের পেশায় শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পালের সপরিবারে খুন হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক তরজায় আপাতত দাঁড়ি পড়ল ধৃত উৎপল বেহরার জবানবন্দিতে। ধৃত কবুল করেছে, আর্থিক প্রতারণার প্রতিশোধস্পৃহা থেকেই স্ত্রী, সন্তান-সহ ওই শিক্ষককে মাত্র পাঁচ মিনিটে খুন করেছিল সে। কে এই উৎপল?

জানা গিয়েছে, ১৮ মাস আগেও সাগরদিঘিতে থাকতেন নিহত শিক্ষক। সেখানেই তাঁর শৈশব কেটেছিল। স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর পরিচিতির বহরেও সেখানে যথেষ্ট। এ ছাড়া ওই এলাকাতেই তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।

ধৃত উৎপল পেশায় একজন নির্মাণকর্মী। তিনিও সাগরদিঘির বাসিন্দা। প্রথমত, তাঁর হাতে সপরিবারে খুন হওয়া বন্ধুপ্রকাশ পালের ব্যবসার অংশীদার ছিল উৎপল। কী সেই ব্যবসা?

জানা গিয়েছে, বিভিন্ন বিনিয়োগ সংস্থায় মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করাতেন বন্ধুপ্রকাশ। সেই ব্যবসারই অংশীদার ছিল ধৃত। এমনকী সে নিজেও দু’টি বিমা করায় বন্ধুপ্রকাশের কাছে। প্রথমটির রসিদ তাকে দেয় বন্ধুপ্রকাশ। কিন্তু দ্বিতীয় বিমার রসিদ নিয়েই শুরু হয় বিবাদ।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর কাছে এক পুলিশ আধিকারিক জানান, দ্বিতীয় বিমা পলিসির রসিদ নিয়ে শেষ কয়েক সপ্তাহ ধরে দু’জনের মধ্যে বিবাদ চলছিল। ধৃতের দাবি, টাকা দেওয়ার পরেও তাকে সহ্যাতিরিক্ত অপমান করেন শিক্ষক। যার জেরে তাঁকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় সে।

[ আরও পড়ুন: ৭ দিন পর জিয়াগঞ্জ হত্যাকাণ্ডের কিনারা করল পুলিশ ]

jiyaganj Triple Murder Case

উল্লেখ্য, গত বিজয়া দশমীর দিন পেশায় শিক্ষক বন্ধুপ্রকাশ পাল (৩৫), তাঁর সন্তানসম্ভবা স্ত্রী বিউটি মণ্ডল (৩০) এবং তাঁদের ছ’বছরের সন্তান বন্ধুঅঙ্গন পালকে নৃশংস ভাবে খুন করে দুষ্কৃতীরা। ঘরের মধ্যে এই বীভৎস খুনের কিনারা করতে তদন্তে নামে জেলা পুলিশ।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন