সমীর মাহাত, ঝাড়গ্রাম: লোকসানে বালি খাদান চালাতে চান না মালিকদের একাংশ। শুক্রবার বিভাগীয় দফতরে রিটার্ন জমা দিলেন তাঁরা। ফলে ঝাড়গ্রাম এলাকায় কয়েক’শ বালি খাদান বন্ধের উপক্রম হল।

ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর এবং মোটর ভেহিকেলস দফতরের টানাপোড়েনের ফলেই চল্লিশটিরও বেশি বৈধ বালি খাদান বন্ধের উপক্রম বলে অভিযোগ। এর ফলে নয়াগ্রাম ও গোপীবল্লভপুর এলাকার প্রায় এক হাজার পরিবার বে-রোজগারের মুখে পড়ল।ঝাড়গাম জেলার নয়াগ্রাম গোপীবল্লভপুর থানা এলাকার সুবর্ণরেখা নদীতে প্রায় চল্লিশটি বৈধ বালি খাদান রয়েছে। কয়েক বছর ধরে ওই খাদানগুলি থেকে বালি তোলার কাজ চলছে। প্রতি লরিতে এতদিন ৪৫০-৫০০ সিএফটি বালি তোলা হতো। সম্প্রতি রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশে তা কমিয়ে ৩০০সিএফটি অর্থাৎ ১৬ টন করা হয়। এর পরেই দেখা দেয় বিপত্তি।

বরুণ আগুয়ান-সহ অন্যান্য বালি খাদান মালিকদের অভিযোগ, বিএলআরও দফতরের নির্দেশ মতো তাঁরা প্রতি লরিতে ৩০০ সিএ টি অর্থাৎ ২৪ টন বালি পরিবহণ করতে গেলে মোটর ভেহিকেল দফতরের চেকপোস্টে তা আটকে দিয়ে জরিমানা করা হচ্ছে ।মোটর ভেহিকেল দফতরের বক্তব্য, একটি লরিতে ১৬ টনের বেশি বালি পরিবহণ করা যাবে না।

খাদান মালিকদের বক্তব্য, এর ফলে এত কম বালি পরিবহণে তাঁদের লোকসান হচ্ছে। দিনের পর দিন লোকসান করে বালি খাদান তাঁরা চালাতে চান না। এ জন্য আজ তাঁরা বিএলআরও-তে এসে সমস্ত চালান অর্ডারগুলো ফেরত দিয়ে দেন।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন