anubrata mondal

ওয়েবডেস্ক: ভোটের আগেই বীরভূম, বাঁকুড়া এবং মুর্শিদাবাদের জেলা পরিষদে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় জয়লাভ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু এই তিনটি জেলার মধ্যে দু’টিতেই ই-মেল মনোনয়ন স্বীকৃতি পেলে নির্বাচন অবশ্যাম্ভাবী। তবে নিজেদের জয়ের ব্যাপারে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন শাসক দলের জেলা নেতৃত্ব। স্বাভাবিক কারণেই এখন অনেকটাই মুক্তমনে খেলার চেষ্টা করছেন তাঁরা।

সিপিএম সূত্রে এখনও পর্যন্ত খবর, রাজ্যে তাদের তরফে নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ই-মনোনয়ন জমা করেছেন ৮৩১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জেলা বীরভূম ও বাঁকুড়া। কারণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলের জিতে যাওয়া এই দুই জেলার যথাক্রমে ১৮ এবং ১৯টি জেলা পরিষদ আসনে ই-মনোনয়ন জমা করেছেন সিপিএম প্রার্থীরা। হাইকোর্টে স্বীকৃতি পাওয়া ই-মনোনয়ন যদি সুপ্রিম কোর্টেও মান্যতা পায়, তা হলে এই সমস্ত আসনে নির্বাচন অনিবার্য। সে ক্ষেত্রে ঠিক কেমন ভাবে ওই বিরোধী প্রার্থীদের ‘ট্রিটমেন্ট’ করবে শাসক দল?

মনোনয়ন পর্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মশারি তত্ত্ব বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল দলীয় কর্মীদের কাছে। বিরোধী দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন থেকে বিরত রাখতে মশারি টোটকা যে আর ই-মনোনয়নের ক্ষেত্রে কাজ করবে না, তা ভালোই বুঝেছেন অনুব্রত। তিনি বলেছেন, “ওই মনোনয়নগুলি যদি বৈধ হয়, তা হলে তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিতে হবে”।

আরও পড়ুন: হাইকোর্টের রায়ে ছিঁড়ে গেল ‘মশারি’, বীরভূমে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন ১৮ সিপিএম প্রার্থী

তৃণমূলের এক ডাকসাইটে নেতা বলেন, “ভোট যে ভাবেই হোক, ফলাফলের কোনো ফারাক হবে না। বীরভূম, বাঁকুড়া হোক বা মুর্শিদাবাদ-তিনটি জেলার পরিষদই বিরোধী শূন্য হবে। ফলে ই-মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীদের নিয়ে আমরা কোনো মতেই চিন্তিত নই”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here