মুকুল রায়। ফাইল ছবি

খবর অনলাইন ডেস্ক: আগামী ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে গেল মুকুল রায়ের।

শনিবার প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রীয় বিজেপির নতুন পদাধিকারীদের তালিকা। ওই তালিকায় মুকুল ছাড়াও বাংলার আরও দুই বিজেপি নেতার নাম রয়েছে। মুকুলকে করা হয়েছে দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। অন্য দিকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে অনুপম হাজরাকে। পাশাপাশি বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে নাম রয়েছে দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তের।

গত ২০১৭ সালে নভেম্বরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূলে থাকাকালীন তিনিই ছিলেন রাজ্যের বর্তমান শাসকদলের ‘সেকেন্ডম্যান’। স্বাভাবিক ভাবেই গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পর রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট এবং লোকসভা ভোটের গুরুত্বপূর্ণ দলীয় দায়িত্ব বর্তায় তাঁরই কাঁধে। সাফল্যের সঙ্গে উতরেও যান মুকুল।

এ বার সামনে বিধানসভা ভোট। জানা যায়, দলের বঙ্গ-ব্রিগেডের ঘরোয়া কোন্দল নিয়ে যারপরইনাই চিন্তিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। স্বাভাবিক ভাবেই মুকুলকে কেন্দ্রীয় ভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বুঝিয়ে দিলেন, একুশের দিকে তাকিয়ে তাঁকেই বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে দল।

বিজেপির সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, দলের সহ-সভাপতি হলেন দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদের অধিকারী। সে দিক থেকে দেখলে মুকুলের পদোন্নতি হল বলেই ধরে নেওয়া যায়।

অন্য দিকে গত লোকসভা ভোটে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অনুপম হাজরা। প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ পদ্মপ্রতীকে প্রথম বার প্রার্থী হয়ে হেরে যান তৃণমূল প্রার্থী মিমি চক্রবর্তীর কাছে। তবে ভোটে হেরে গেলেও দলের কর্মসূচিতে নিজের উপস্থিতি বরাবর বজায় রেখেছেন।

২০১৯-এর লোকসভাতেই রাজ্যের দার্জিলিং কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হন রাজু বিস্ত। ভোটের মুখে তাঁর বিরুদ্ধে ‘বহিরাগত’-সহ একাধিক ইস্যুতে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। তবে শেষমেশ তিনি তৃণমূল প্রার্থী অমর সিং রাইকে চার লক্ষেরও বেশি ভোটে পরাজিত করে সংসদে যান।

আরও পড়তে পারেন: প্রগতিশীল সামাজিক-রাজনৈতিক সাংবাদিকতার অন্যতম প্রবর্তক ও পথপ্রদর্শক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন