mukul roy

ওয়েবডেস্ক: দেগঙ্গা হোক বা বীরভূম, আসানসোল হোক বা শিলিগুড়ি-তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দলকে কাজে লাগিয়ে এ বারের পঞ্চায়েত ভোটে বাড়তি মাইলেজ পেতে চাইছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এখনও পর্যন্ত যা খবর, সারা রাজ্যে শাসক দলের হয়ে পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়া এমন হাজার দশেক প্রার্থী রয়েছেন, যাঁরা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের চরম শিকার। তাঁদের কাছে টানার কাজ নিপুণ হাতে, গোপন পথে চালিয়ে যাচ্ছেন মুকুলবাবু।

পঞ্চায়েত ভোটের প্রথমবারের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরই শাসক দলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব চরম আকার নিতে শুরু করে। যেমন আসানসোলের জেলা তৃণমূল সভাপতি ভি শিবদাসন স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী মলয় ঘটকের প্রত্যক্ষ বিরোধিতা করতে শুরু করেন। আবার মঙ্গলকোটের বিধায়ক তথা আর এক মন্ত্রী সিদ্দিকুলা চৌধুরির পছন্দের প্রার্থীদের হুমকি দিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের বাহিনী ৩৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে খোদ মন্ত্রীর তরফেই।

গত ৭ এপ্রিল দিনহাটায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে, চার জনকে হাসপাতালে পর্যন্ত ভর্তি করতে হয়। একই ভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর ফুলমালঞ্চ পঞ্চায়েতে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন সোমা সর্দার। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার হুমকি দিয়ে তাঁর স্বামীকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় এক যুব তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেই। এ ভাবে তালিকা ক্রমশ দীর্ঘায়িত হবে। তবে সেই দীর্ঘকার তালিকা অতি যত্নে সংগ্রহ করছেন মুকুলবাবু। তিনি দলীয় সভায় বলেছেন, জেলায় জেলায় তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ঘটনায় কড়া নজর রাখছেন তাঁরা। এমনকী শিবিরগুলির পূর্ণাঙ্গ তালিকাও সংগ্রহ চলছে।

বিজেপি সূত্রে খবর, সোমবার মুকুলবাবু দিল্লি গিয়েছেন। দিল্লি থেকে ফিরেই তিনি সেই তালিকা নিয়ে বসবেন। মনোননয় প্রত্যাহার করার আগেই তৃণমূলের ‘বাতিল’দের ‘পদ্ম চিহ্ন’ প্রদানের ব্যবস্থা গৃহীত হতে পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here