mukul roy

কলকাতা: পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল নিয়ে আলোচনায় গরহাজির দলের পঞ্চায়েত নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায়। সূত্রের খবর, বিভিন্ন জেলায় বিজেপির সাংগঠনিক পদাধিকারীদের পরিবর্তন-সহ একাধিক ইস্যুতে আলোচনার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল এক বিজেপি নেতার সল্টলেকের বাসভবনকে। সেখানে দিলীপ ঘোষ-সহ অন্যান্য উচ্চ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকলেও দেখা মেলেনি মুকুলবাবুর। ওই সূত্রের দাবি, আসলে তাঁকে ডাকাই হয়নি।

সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, রাজ্যে এ মূহুর্তে দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাজনৈতিক দলটির নাম বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের এই আচমকা উত্থানের নেপথ্যে রয়েছে মুকুলবাবুর হাতযশ। তিনি তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়ে প্রথমেই নজর দেন বিজেপির জেলা ভিত্তিক সংগঠনকে চাঙ্গা করার। সেই কাজে তিনি তাঁর পূর্ব অভি়জ্ঞতা এবং যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে কতটা সফল হয়েছেন, তা ফলাফলেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিন্তু তাঁর এই সাফল্যকে মোটেই গুরুত্ব দিতে নারাজ দলের আদি অংশ।

ওই অংশটির মতে, সারা দেশে যে ভাবে বিজেপি বা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সৌজন্যে বিজেপির ভোট বাড়ছে, বাংলাতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বাংলার মানুষ যে বিজেপিকে চাইছে, তার আভাস মুকুলবাবু যোগ দেওয়ার আগেই মিলতে শুরু করেছিল।

আরও পড়ুন: বিজেপিতে পদের মেয়াদ ফুরিয়ে গেল মুকুল রায়ের!

তা যাই হোক, বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠকে সংগঠনের বিভিন্ন পদে ব্যাপক রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যে সমস্ত জেলাগুলিতে বিজেপির ফলাফল আশানুরূপ হয়নি, সেখানে দলীয় পদ থেকে নিষ্ক্রিয় পদাধিকারীদের বাদ দিয়ে নতুন মুখ নিয়ে আসার তোড়জোড় চলছে। আবার যে জেলাগুলিতে ভালো ফল হয়েছে, সেগুলিতে আরও ভালো ফলের জন্য বাড়তি কর্মসূচিগ্রহণের রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে ওই বৈঠকে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কেন ডাকা হল না মুকুলবাবুকে?

এক বিজেপি নেতার মতে, শুধু মাত্র পঞ্চায়েত ভোটের নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মুকুলবাবুকে। ফলে ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর দলীয় নীতি নির্ধারণে তাঁকে আবশ্যক ভাবার হবে কি হবে না, তা দলই ঠিক করবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here