Asif Khan
ছবি: ইউটিউব থেকে

ওয়েবডেস্ক: ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠ নেতা আসিফ খান তৃণমূল ত্যাগ করেছিলেন। সম্প্রতি ডিএনএ-তে প্রকাশিত একটি সংবাদে আসিফ বলেছেন, সে সময় তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে যে ধরনের মন্তব্য করেছিলেন, তার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ক্ষমা চাইছেন।

গত বুধবার তিনি বলেছেন,”আমি মনে করি সেই সময়ে দ্রুততার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম।। আমি সারদা কেলেঙ্কারির প্রধান সন্দেহভাজন মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে সিবিআইয়ের নজরে পড়ে যাই। তার পরই আমি ভাবলাম, তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া উচিত। কারণ দলের কাছে আমি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছিলাম। তবে এখন আমি মনে করি, আমার এই রকম কিছু বলা উচিত নয়। যে কারণে দল ও দলনেত্রী মমতার কাছে ক্ষমা চাইছি”।

Asiif Khan
আসিফ খান। ছবি: ডিএনএ থেকে

আসিফ বলেছেন সে সময় তিনি দলের কয়েকজন ধর্মীয় নেতৃত্বের কাছে দরবার করেন। কিন্তু তাঁরাও তাঁকে দলে চাইছিলেন না। তিনি বলেন, “বর্তমানে বিজেপির নেতৃত্বে দেশ যে ভাবে এগোচ্ছে তা মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়। এ মুহূর্তে যদি বিজেপি-কে রোখা না যায় তা হলে বাংলায় মুসলমানরা শেষ হয়ে যাবে”।

বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দাবি করেছেন, তাঁর দল আগামী লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ২২টি আসন পাবে। আসিফ মনে করেন, নিশ্চয় নির্দিষ্ট সমীক্ষা চালিয়েই অমিত এই দাবি করেছেন। ফলে বাংলায় বিজেপি-কে রুখতে মমতার হাত শক্ত করাই মূল্য লক্ষ্য বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, “মমতাই এক মাত্র ধর্মনিরপেক্ষ নেত্রী, যিনি বিজেপি-কে থামাতে পারেন”।


পড়তে পারেন: ‘শোবার ঘরের দরজা খুলে রেখে ঘুমোন’, গৃহবন্দি সমাজকর্মীর মহিলা সঙ্গীকে বলল পুলিশ!

ত্রিপুরার সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সে রাজ্যে আপাতদৃষ্টিতে অপরাজেয় একটা দলকেও হারতে হয়েছে। বাংলায় ৩৯ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেস জিতেছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশ ভোট মুসলিম সম্প্রদায়ের।কিন্তু বিজেপি এখানে চাইছে, মুসলমান ভোটারদের একাধিক দলের কাছে ঠেলে দিতে। ফলে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে সব ভোটই যেন তৃণমূলের হাত শক্ত করে”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন