mukul

ওয়েবডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পেশের শেষ দিনেই বীরভূম জেলা পরিষদে জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে শাসক দল।  সরকারি ভাবে ঘোষণা না হলেও তৃণমূলই যে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে জেলা পরিষদ দখলে রাখল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মঙ্গলবার কলকাতায় রাজ্য বিজেপি কার্যালয়ে বসে দলের পঞ্চায়েত নির্বাচনী কমিটির আহ্বায়ক মুকুল রায় বীরভূম প্রসঙ্গে বলেন, “পুলিশ সরে যাক, আমি দেখে নেব অনুব্রত মণ্ডল কত বড়ো নেতা।”

বীরভূম জেলা পরিষদের ৪২টি আসনের মধ্যে মাত্র একটিতে প্রার্থী দিতে সক্ষম হয়েছে বিজেপি। অন্য দিকে ১৯টি ব্লকের মধ্যে মাত্র ৫টিতে বিরোধীরা মনোনয়ন পেশ করতে পেরেছে। মুকুলবাবুর এ হেন উক্তির মধ্যে যে বীরভূম হারানোর প্রবল ক্ষোভ ফুটে উঠেছে তা স্পষ্ট। শুধুমাত্র অনুব্রত-ফ্যাক্টরের কাছেই তাঁকে পরাস্ত হতে হয়েছে। রাজ্যের যে ২০টি জেলায় পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে চলেছে তার মধ্যে বীরভূমে বিজেপির সংগঠন মোটের উপর মন্দ নয়। গত বিধানসভা নির্বাচনে বীরভূমে বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের হার যথেষ্ট বেড়েছে। দলীয় ভাবে ওই জেলায় গুরুত্ব দিতে তারকা প্রার্থীদের উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে ফল সামান্য হলেও মিলতে শুরু করেছে। ফলে এমন একটি জেলায় ভোটের আগেই ফল নির্ধারণ হয়ে যাওয়ায় কিছুটা হলেও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন: ‘মশারি’তে আটকে গেল সব ‘মশা’, ভোটের আগেই একটি জেলা পরিষদ দখল করল তৃণমূল

যা চেপে রাখতে না পেরেই মুকুলবাবু বলেন, যে কেউ নিজের অভিযোগ নিয়ে আদালতে যেতে পারে। ফলে পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেলেই সব কিছু শেষ হয়ে যায় না। আসলে গণতন্ত্রের ঢোলটা একটু দেরিতে বাজে। তবে অনুব্রতবাবু এ ধরনের মন্তব্যে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বরাবরই মুকুল রায়কে ‘কে হরিদাস পাল’ হিসাবেই বর্ণনা করে থাকেন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন