খবর অনলাইন ডেস্ক: শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে দলীয় প্রার্থীর সঙ্গে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথোপকথনের অডিয়ো ক্লিপ বিতর্কে ফের নতুন ইন্ধন। ফোন ট্যাপ করার অভিযোগ তুলে শনিবার মমতা বললেন, এই ঘটনায় তিনি সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেবেন।

এ দিন পূর্ব বর্ধমানের গলসির সভা থেকে মমতার হুঁশিয়ারি, “কারা ওই ফোনালাপ ফাঁস করেছে তার সিআইডি তদন্ত হবে”। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করেন তিনি বলেন, “তদন্তে আপনাকেও ছাড়ব না”।

মমতা বলেন, “বিজেপি লোকদের দেখুন, উন্নয়নের কথা বলতে পারছে না। আমি কার সঙ্গে কথা বলছি সেটাকে ট্যাপ করছে। তার মানে কী! আপনাদের সবার ফোন ট্যাপ হচ্ছে। এটা একটা বিরাট স্ক্যাম। সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেব। কে আমরা ফোন ট্যাপ করেছে, তা আমি জানতে চাই। আমি ছেড়়ে দেব না। অনেকগুলো এফআইআর হয়েছে”।

শোনা যায়, শুক্রবার ওই ফোনালাপের অডিয়ো ক্লিপ ‘ফাঁস’ করে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির সহ-পর্যবেক্ষক তথা দলের সর্বভারতীয় আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য অভিযোগ করেন, “ফোনের একপ্রান্তে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা এবং অন্য প্রান্তে, তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি তথা শীতলখুচি কেন্দ্রের প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়”।

মমতা এ দিন বলেন, “বিজেপি দলবেঁধে এটা পাবলিসিটি করেছে। তার মানে ঠাকুর ঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি। তুমি করেছে বিজেপি। তোমার দালাল কাউকে দিয়ে এটা তুমি করেছ। কে কে এই খেলায় রয়েছে, তা খুঁজে বের করা হয়ে গিয়েছে”।

মমতা আরও বলেন, “তা হলে প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমার ফোন ট্যাপ করেছেন। লজ্জা করে না। প্রধানমন্ত্রীপদ থেকে পদত্যাগ করুন। তার পরে মানুষকে মুখ দেখাবেন। আপনার লজ্জা করে না এক জন মুখ্যমন্ত্রীর ফোন ট্যাপ করতে”।

তবে এই অডিয়ো ক্লিপ ছড়ানোর নেপথ্যে তৃণমূলেরই হাত রয়েছে বলে পাল্টা দাবি তুলে শনিবার নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। তাদের দাবি, “এ ধরনের টেপের এক মাত্র লক্ষ্য ছিল আরও মেরুকরণ তৈরি করা”।

আরও পড়তে পারেন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শীতলকুচি অডিয়ো ক্লিপ-কাণ্ডে নয়া মোড়, নির্বাচন কমিশনে বিজেপি

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন