ওয়েবডেস্ক: চোলাই বিক্রির ওপরে নজরদারি চালানোর জন্য দায়িত্ব দেওয়া হল স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে। প্রতিটি জেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে চোলাই বিক্রির উপর নজর রাখবে সেই এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি। চোলাই বিক্রির ব্যাপারে কোনো খবর পেলেই আবগারি দফতরকে জানাবে তারা।

নবান্ন সূত্রে খবর, পঞ্চায়েত দফতরকে চিঠি দিয়ে এ কথা জানিয়েছে আবগারি দফতর। কোন গ্রামে কোন বাড়িতে চোলাই তৈরি হচ্ছে, তা পুলিশের তরফে সব সময় খেয়াল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন এ বার কি ‘গরম’ শীত? আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে শুরু জল্পনা

সম্প্রতি  নদিয়ার শান্তিপুরে চোলাই মদে বিষক্রিয়ার ফলে ১২ জনের মৃত্যু হয়। এর পরে তদন্তে নামে সিআইডি। সাসপেন্ড করা হয় এক ওসি, দুই সার্কেল ইন্সপেক্টর সহ আবগারি দফতরের এগারো কর্মীকে। ক্লোজ করা হয় শান্তিপুর থানার ওসি সৌরভ চট্টোপাধ্যায়কে। তাঁর জায়গায় নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় মুকুন্দ চক্রবর্তীকে।

নড়েচড়ে বসে পুলিশ ও আবগারি দফতরের কর্মীরা। এক দিকে যেমন শান্তিপুর কাণ্ডের কিংপিন গণেশ হালদারকে গ্রেফতার করা হয়, তেমনই বিভিন্ন জেলায় চোলাইয়ের ঠেক ভাঙার অভিযান শুরু করে পুলিশ। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রত্যন্ত গ্রামে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে চলে চোলাই বিক্রি। অনেকে বাড়িতেও চোলাই তৈরি করে বিক্রি করেন। এ বার তা রুখতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে দায়িত্ব দিল আবগারি দফতর।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here