Connect with us

নদিয়া

মানুষের জীবনযন্ত্রণার ভাগিদার হতে চান করিমপুরের সিপিএম প্রার্থী

Published

on

নদিয়ার করিমপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর। মূলত ত্রিমুখী লড়াইয়ে তৃণমূল, বিজেপি এবং বামফ্রন্ট-কংগ্রেসের প্রচার তুঙ্গে। প্রচার-ব্যস্ততার মাঝেই খবর অনলাইনের মুখোমুখি সিপিএম প্রার্থী গোলাম রাব্বি

২০১৬-র আগে করিমপুর ছিল বামফ্রন্টের দখলেই। এই আসন পুনরুদ্ধারে কী ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন?

Loading videos...

করিমপুর এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থীদের গড় হিসাবে পরিচিত ছিল। মানুষ ইতিমধ্যেই তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মুখোশ খসে পড়েছে। অন্য দিকে বিজেপির মুখোশও উন্মুক্ত হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই মানুষ চাইছে পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে। প্রচারে বেরিয়ে সেটাই দেখছি। প্রচুর মানুষ আমাদের সঙ্গে আসছে। ফলে আমরা আশাবাদী, এই নির্বাচনে করিমপুর পুনরুদ্ধার করতে সফল হব আমরা।

এলাকার অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবী। তাদের জন্য বিশেষ কোনো দাবির কথা তুলে ধরছেন?

অবশ্যই। নিশ্চিত ভাবেই কৃষি আমাদের ভিত্তি। কিন্তু গত কয়েক বছরে দেখছি, সংবাদ মাধ্যমে কৃষকের উন্নয়নে যে ভাবে প্রচার করা হচ্ছে, তার কিছুই বাস্তবে হয়নি। কৃষকের ঘরে উন্নয়ন পৌঁছানোর ক্ষেত্রে যে ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে, তা মানুষ তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতাতেই বুঝতে পারছে। সে সব কথা তারা আমাদের কাছে বলছে। এখানে পান চাষিরা রয়েছে, তারা যে তিমিরে ছিল, সেখানেই রয়ে গিয়েছে। বিগত বিধানসভা বা লোকসভা ভোটে তৃণমূল যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পালন করতে পারেনি। এবং মানুষের কাছে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি রাখা হয়েছিল, তা পালন না করায় করিমপুরের কৃষকের কোনো স্বার্থরক্ষা হয়নি।

এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারে আর কোন কোন ইস্যুর কথা তুলে ধরছেন?

করিমপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি রেলপথ। এখানকার কৃষক যে পান বা অন্যান্য সবজি উৎপাদন করছে, তা যদি সরাসরি কলকাতায় পৌঁছানো যায়,তা হলে সুবিধা সব দিক থেকেই বৃদ্ধি পাবে। একই ভাবে কলা চাষিরা নিজেদের পণ্যের সঠিক মূল্য পায় না। মাঝে ফড়েদের খপ্পরে পড়তে হয়। কিন্তু তা যদি সরাসরি কলকাতায় পৌঁছানো যায়, তারা উপকৃত হবে। এখানে রেলপথের দাবি দীর্ঘদিনের। বাম জমানাতেও রেলপথের দাবিতে আমরা সরব হয়েছিলাম। এখনও হচ্ছি। করিমপুর থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত রেলপথের দাবিতে যুব সংগঠনের তরফে আমরা রাস্তায় হেঁটেছিলাম। এমনই কিছু দাবি পূরণের কথা আমরা প্রচারে তুলে ধরছি। মানুষ আমাদের সঙ্গে থাকার আশ্বাস দিচ্ছে।

একশো দিনের কাজের প্রকল্পের গতিপ্রকৃতি কী রকম?

একশো দিনের কাজের গতিপ্রকৃতি দুর্বিষহ। গোটা রাজ্যে একশো দিনের কাজের অবস্থা যে রকম,করিমপুরও তার বাইরে নয়। বুথের অভ্যন্তরে একশো দিনের টাকা লুঠ করা হচ্ছে। পুরো টাকাটাই দশজন মিলে লুঠপাট করে খাচ্ছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের জন্য, মানুষের উন্নয়নের জন্য তা খরচ করা হচ্ছে না। আমরা অন্তত গ্রামগঞ্জের দিকে তেমন কিছু দেখছি না।

এনআরসির প্রভাব ভোটবাক্সে পড়বে?

আমরা বাম-গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষ থেকে বলছি, এ রাজ্যে এনআরসি হতে দেব না। শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে আমরা এনআরসি হতে দেব না। এনআরসির বিরুদ্ধে তৃণমূলের যে লড়াই সেটা মেকি। তাদের মুখের কথার সঙ্গে কাজের কোনো মিল নেই। মানুষে-মানুষে ভাগ করার রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে বেশি দিন চলতে পারে না।

অনেকেই বলছেন, করিমপুরে বামপন্থীরা নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছেন?

যাঁরা বলছেন, বামপন্থীরা নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছেন, তাঁরা সঠিক জানেন না। কারণ বামপন্থার মৃত্যু নেই। আমাদের সমাজব্যবস্থায় যতদিন অনাহার, দারিদ্র, অশিক্ষা, নিপীড়ন থাকবে, ততদিন বামপন্থাও থাকবে। সারা পৃথিবীর ক্ষেত্রেই এ কথা প্রযোজ্য। কিন্তু রাজ্য অথবা কেন্দ্রের যে দল মানুষের বিরুদ্ধে সরকার পরিচালনা করছে, মানুষের জীবনযন্ত্রণা যাদের লাঘব করার কথা, তার বদলে তারা বাড়িয়ে তুলেছে। তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই। সেই লড়াইয়ে মানুষ জয়ী হবে। করিমপুরের মানুষও আজ সে কারণেই জোটবদ্ধ। নিপীড়িত মানুষ ঐক্যবদ্ধ তাদের বিরুদ্ধে জবাব দেবে।

golam-rabbi
দরজায় দরজায় বাম-কংগ্রেস জোট প্রার্থী

করিমপুরের ভোটারদের উদ্দেশে কী বলবেন?

মানুষের সঙ্গে আছি। করিমপুর বিধানসভা এলাকার মানুষ তাদের সুখে-দুখে আমাকে পাবে। মানুষের জীবনযন্ত্রণা ভাগিদার হতে চাই আমি। তাদের উদ্দেশে এ কথা বলতে চাই, তারা যদি আমাকে ডাকে, আমি তাদের সঙ্গে রয়েছি।

নিজের জয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী?

জয়ের ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত। মানুষ যে ভাবে স্বত‌ঃস্ফূর্ত ভাবে এগিয়ে আসছে, মানুষের জয় হবেই।

বিস্তারিত দেখুন নীচের ভিডিয়োয়-

দোল উৎসব

শান্তিপুরে বিগ্রহবাড়ির দোলযাত্রার পাশাপাশি গোপালপুজো এক অন্য মাহাত্ম্য বহন করে

শান্তিপুরের দোল উৎসবে বিগ্রহবাড়ির পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বারোয়ারি পুজো। এই পুজোগুলির বিশেষত্ব হল বিরাট আকৃতির গোপাল বিগ্রহের পুজো।

Published

on

বড়োগোস্বামী বাড়ির রাধারমণ এবং শ্রীমতী।

শুভদীপ রায় চৌধুরী

সামনেই দোলযাত্রা। আপামর বাঙলির কাছে দোলযাত্রা এক অন্য রকম অনুভূতির উৎসব। সকলেই আবির মেখে বসন্তের উৎসব পালন করে, কেউ নিজের প্রিয়জনদের সঙ্গে, আবার কেউ বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে। আর এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বাড়ির ঠাকুরদালানও সেজে ওঠে আবিরে-রঙে-গুলালে। প্রাচীন পরিবারগুলিতে রাধাকৃষ্ণের দোলযাত্রা যেন এক মিলনক্ষেত্র রচনা করে যা এই বাংলার এক অন্যতম সংস্কৃতি।

Loading videos...

দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে শান্তিপুরে এক বিরাট মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বাড়িতে রাধাকৃষ্ণের দোল হয় এবং পাশাপাশি বিরাট বিরাট গোপালের বিগ্রহপুজো – এ যেন এক অন্য রকম মুহূর্ত, যা শান্তিপুর প্রতি বছরই উপহার দেয় আমাদের। শান্তিপুরে পূর্ণিমায় দোলযাত্রা ছাড়াও পঞ্চমদোল, সপ্তমদোল, রামনবমীতে দোল ইত্যাদি পালিত হয়।

বিগ্রহবাড়ি, বারোয়ারি উৎসব ছাড়াও শান্তিপুরে শ্যামচাঁদ মন্দিরের দোল বিখ্যাত। তবে এই মন্দিরে দোল উৎসব পালিত হয় পূর্ণিমার পরের দিন, প্রতিপদে। দোলের দিন সন্ধ্যায় হয় চাঁচর পোড়ানো এবং পরের দিন ভোগ, নামসংকীর্তনের শেষে সন্ধ্যায় শ্যামচাঁদকে নিয়ে এক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়, যা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসা অগণিত ভক্ত ভিড় করেন রাস্তার দু’ ধারে।

গোকুলচাঁদ বাড়ির দোল।

বড়োগোস্বামী বাড়ির দোলযাত্রাও বিখ্যাত শান্তিপুরে। এই বাড়িতে চার দিন দোল উৎসব পালিত হয়। দোলপূর্ণিমার দিন শ্রীশ্রীরাধারমণের দোল উৎসব পালিত হয়। আগের দিন রাসমঞ্চের সামনের প্রাঙ্গণে চাঁচড় পোড়ানো হয়। পরের দিন দোলমঞ্চে ওঠেন রাধারমণ এবং শ্রীমতী, বিশেষ পূজা হয়। দোল উপলক্ষ্যে বিশেষ সাজসজ্জা হয় তাঁদের। দুপুরে বিশেষ ভোগ নিবেদন হয়। ভোগে থাকে সাদাভাত, পোলাও, নানা রকমের ভাজা, তরকারি, চাটনি, পায়েস ইত্যাদি। সন্ধ্যায় আবার শ্রীশ্রীরাধারমণকে দোলমঞ্চে এসে বসানো হয়, বিকাল থেকে শুরু হয় নামসংকীর্তন।

দোলপূর্ণিমার পঞ্চমী তিথিতে অনুষ্ঠিত হয় পঞ্চমদোল। ওই দিন মদনমোহন-শ্রীমতীকে দোলমঞ্চে আনা হয় এবং রীতি মেনেই সেবাপূজা হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্য সুদীপ্ত গোস্বামী। দু’ দিন পরে সপ্তমদোল। এর একটি বিশেষত্ব আছে। তা হল এই দিনের দোলকে ‘সীতানাথের দোল’ও বলা হয়ে থাকে। কারণ ওই দিন শ্রীঅদ্বৈতাচার্যকে কেন্দ্র করে দোল উৎসব পালন করা হয়। বিশেষ পূজারও আয়োজন করা হয়ে থাকে।

বড়োগোস্বামী বাড়িতে রামনবমীর দিনও দোল উৎসব পালিত হয় রামচন্দ্রকে কেন্দ্র করে। তিন দিনব্যাপী রামনবমীর দোল ও মেলা বেশ সাড়ম্বরেই পালিত হয়। এ বছরও নিয়ম মেনেই পালিত হবে বড়োগোস্বামী বাড়ির দোল, এমনটাই জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

মুখোপাধ্যায় বাড়ির গোপাল।

শ্রীঅদ্বৈতাচার্যের প্রপৌত্র ঘনশ্যাম গোস্বামী থেকেই মধ্যমগোস্বামী বাড়ির উৎপত্তি হলেও অধস্তন তৃতীয়পুরুষ রঘুনন্দন গোস্বামীই ছিলেন এই বংশের প্রাণপুরুষ। এই বাড়ির দোল উৎসবও খুবই প্রাচীন, বর্তমানে তা ‘গোকুলচাঁদের দোল’ বলেই পরিচিত। দোল উৎসবের আগের দিন চাঁচড় পোড়ানো হয় এবং পরের দিন সকালে দেবদোল অনুষ্ঠিত হয়।

গোকুলচাঁদ বাড়ির দোলমঞ্চের হাওদায় বিরাজ করেন শ্রীশ্রীরাধাগোকুলচাঁদ জিউ। পরিবারের সকলে তাঁদের আবির দেন এবং চলে দোলপূর্ণিমার বিশেষ পূজা। সেই সঙ্গে পালিত হয় মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জন্মতিথি উৎসব। অতীতে এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে লাঠিখেলা, পুতুলনাচ, নাটক ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হত। তবে বর্তমানে নিষ্ঠার সঙ্গে শুধু দোল উৎসবটুকুই পালিত হয় মধ্যমগোস্বামী বাড়িতে।

শান্তিপুরের প্রাচীন পাগলাগোস্বামী ঠাকুরবাড়ির দোলযাত্রাও খুব বিখ্যাত। এই বাড়ির আদিপুরুষ অদ্বৈতাচার্যের চতুর্থ পুত্র বলরামের দশম পুত্র কুমুদানন্দ গোস্বামী ছিলেন পণ্ডিত ব্যক্তি। এক সময় তিনি কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি কর্তৃক প্রদত্ত সম্পত্তি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই পরিবারের দুই বিগ্রহ কৃষ্ণরায় জিউ এবং কেশবরায় জিউ-এর দোল উৎসব তাঁদের মন্দিরেই অনুষ্ঠিত হয়।

মদনগোপাল বাড়ি।

কথা হচ্ছিল পরিবারের সদস্য তন্ময় গোস্বামীর সঙ্গে। তিনি জানালেন, দোলপূর্ণিমার আগের দিন চাঁচর পোড়ানো হয় এবং পরের দিন ভোরবেলা দেবদোল অনুষ্ঠিত হয়। দেববিগ্রহ মন্দিরের সামনে হাওদায় বিরাজ করেন এবং পরিবারের সকল সদস্য তাঁদের আবির দেন। দেবদোলের সময় ঠাকুরকে বাল্যভোগ নিবেদন করা হয় এবং তার পর পরিবারের কুলপুরোহিত এসে পূর্ণিমার বিশেষ পূজা শুরু করেন।

তন্ময়বাবুর কাছে আরও জানা গেল যে তাঁরা গরমকালের বিভিন্ন রান্নার পদ ঠাকুরকে নিবেদন করার আগে গ্রহণ করেন না। তাই এই দোলের দিন ভোগে সেই সমস্ত রান্নার পদ নিবেদন করা হয়। তার পর তাঁরা সবাই সেই পদগুলি খেতে পারেন।

শান্তিপুরের আর এক প্রাচীন বাড়ি মুখোপাধ্যায় বাড়ি ‘চাঁদুনীবাড়ি’ নামে পরিচিত। এই বাড়িতেও দোল উৎসব পালিত হয়। তবে এখানে হয় গোপালের দোল। কথা হচ্ছিল চাঁদুনীবাড়ির সদস্য সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি জানালেন, এই গোপালের বয়স প্রায় ২৫০ বছর। চাঁদুনীবাড়ির এক সদস্যা এই গোপালকে পান তাঁদেরই এক শাখার সদস্যদের কাছ থেকে। সেই বাড়িতে তিনি সিন্দুকে ছিলেন। মুখোপাধ্যায় বাড়ির সদস্যরা তাঁকে এনে পুজো শুরু করেন। এই গোপাল অষ্টধাতুর তৈরি। তাঁর নিত্য সেবাপূজা হয়। তবে পরিবারের কোনো সদস্য তাঁকে স্পর্শ করতে পারেন না যে হেতু তাঁর সঙ্গে পরিবারের প্রাচীন শ্রীশ্রীনারায়ণ জিউও থাকেন।

দোলের আগের দিন চাঁচর পোড়ানো হয়। রাজবেশে সুসজ্জিত হয়ে সেখানেও উপস্থিত থাকেন গোপাল। পরের দিন দেবদোলের পর বাড়ির সদস্যরা গোপালকে আবির দেন। দুপুরে স্নানের পর ভোগ নিবেদন হয়। ভোগে থাকে সাদাভাত, পোলাও, নানা রকমের ভাজা, তরকারি, মিষ্টি ইত্যাদি। তার পর সন্ধ্যায় আরতি ও শীতলভোগের পর গোপাল আবার নিজ গর্ভগৃহে ফিরে যান।

শান্তিপুরের বড়োগোপাল।

শান্তিপুরের দোল উৎসবে বিগ্রহবাড়ির পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বারোয়ারি পুজো। এই পুজোগুলির বিশেষত্ব হল বিরাট আকৃতির গোপাল বিগ্রহের পুজো। এই বিশেষ ধরনের নাড়ুগোপালের বিগ্রহ শান্তিপুরের মৃৎশিল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। গোপালের বর্ণ হয় মূলত আকাশি বা গোলাপি। কৃষ্ণের বাল্যবয়সের এই অপূর্ব বিগ্রহই পুজো হয় শান্তিপুরের দোল উৎসবে। বিভিন্ন নামে বিভিন্ন অঞ্চলের গোপাল পরিচিত, যেমন – বড়োগোপাল, মেজোগোপাল, ছোটোগোপাল, থ্যাবড়াগোপাল, ধেড়েগোপাল, ননীচোরা ইত্যাদি।

বিরাট আকৃতির গোপাল ঠিকই কিন্তু এত সুন্দর শিশুসুলভ মুখশ্রী যা প্রতিটি দর্শনার্থীর মন কাড়ে। শিশুদের মঙ্গলকামনায় অথবা সন্তানলাভের জন্য বহু ভক্ত পুজো দিয়ে থাকেন গোপালের কাছে। দোলের দিন গোপালদের পরানো হয় সোনা-রুপোর গহনা যা শান্তিপুরের চিরাচরিত প্রথা বলেই পরিচিত। দোলের পর দিন শোভাযাত্রা সহকারে গোপালের বিসর্জন হয়। দোলযাত্রাকে কেন্দ্র করে শ্রীধাম শান্তিপুরের এই প্রাচীন রীতিনীতি বাংলার ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে গৌরবান্বিত করে।

আরও পড়ুন: Dolyatra 2021: শ্রীশ্রীগোপীনাথকে কেন্দ্র করে দোলের দিন মেতে ওঠেন শোভাবাজার ছোটো রাজবাড়ির সদস্যরা

Continue Reading

নদিয়া

শন্তিপুরে সংশয়! দোটানায় বিজেপি, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা কংগ্রেসে

তা হলে কি বিজেপি-কংগ্রেস শিবিরের এই ‘দুর্বলতা’র ফায়দা তুলতে পারবে তৃণমূল কংগ্রেস?

Published

on

জয়ন্ত মণ্ডল, শান্তিপুর: দুই দলের রাজনৈতিক সম্পর্ক কার্যত ‘সাপে-নেউলে’। কিন্তু নির্দিষ্ট একটি ঘটনা পরম্পরায় এক দল দোটানায়, অন্য দল আশঙ্কা করছে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার!

ভোটযুদ্ধের মুখেই রাজনৈতিক চর্চায় উঠে আসেন নদিয়ার শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য। ২০১৬ সালের ভোটে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোট প্রার্থী হিসেবে ‘হাত’ প্রতীকে জেতার বছরখানেকের মধ্যেই তৃণমূলে, আর এ বার ভোটের মুখে তিনি নাম লেখান বিজেপিতে। এই ঘটনাই এখন ‘কাঁটা’র মতো বিঁধছে বিজেপি-কংগ্রেস দুই শিবিরের পায়ে। কী ভাবে?

Loading videos...

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শান্তিপুরে এখনও প্রার্থী নির্দিষ্ট করতে পারেনি বিজেপি, কংগ্রেস উভয়েই। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের একটা বড়ো অংশ (দাবি, তাঁরা দলের পুরনো সৈনিক) ‘দলবদলু’ বিধায়ককে প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে নারাজ। বিধানসভা এলাকার একটি বিজেপি পার্টি অফিসে বসে এক নেতা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সব কা সাথ, সব বিকাশ-এ উদ্বুদ্ধ হয়ে অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তাই বলে সবাইকে প্রার্থী করতে হবে? ওই ব্যক্তিকে (অরিন্দমকে) প্রার্থী করার মানে অন্য দলের হাতে শান্তিপুর তুলে দেওয়া। যেখানে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফলে আমরা শান্তিপুরে নিশ্চিত জয়ের জায়গায় রয়েছি। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেওয়া বিদায়ী বিধায়ককে প্রার্থী করলে দলের কর্মী-সমর্থকরা মুখ ফেরাবেন”।

এখানেই শেষ নয়, অরিন্দমকে প্রার্থী না করার জন্য তাঁরা দলের উচ্চ নেতৃত্বের কাছে দরবারও করেছেন বলে জানা গেল। স্থানীয় ওই বিজেপি নেতা বলেন, “আমরা এ বিষয়টা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষণ কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায়কে জানিয়েছি”।

যদিও যাঁকে নিয়ে বিতর্ক, সেই অরিন্দম জানান, দল তাঁকে কোথায় প্রার্থী করবে, অথবা করবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁর কথায়, “দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে, সেটা পালন করাই আমার লক্ষ্য”।

কিন্তু কংগ্রেসে কী ভাবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া? সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা রয়েছে কংগ্রেস প্রার্থীর। স্থানীয় মানুষ মনে করছেন, হাত প্রতীকে জিতেছিলেন অরিন্দম। ভায়া তৃণমূল হয়ে তিনি এখন গেরুয়া শিবিরে। এই ঘটনায় বিধায়কের উপর যেমন সাধারণ মানুষের বিশ্বাসভঙ্গ হয়েছে, তেমনই কংগ্রেসের প্রতিও আস্থায় ‘চিড়’ ধরেছে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় কংগ্রেস নেতা রাজু পাল বলেন, “শুধু এই পাঁচ বছর নয়, কয়েক দশক ধরে শান্তিপুরের মানুষ কংগ্রেসের উপর আস্থা দেখিয়ে আসছেন। কংগ্রেস মানে কোনো ব্যক্তি নয়। শান্তিপুরের সার্বিক উন্নয়নে কংগ্রেস কয়েক দশক ধরে যে ভূমিকা পালন করেছে, তা কখনোই অস্বীকার করেন না এখানকার মানুষ। ফলে মানুষের কংগ্রেসের উপরে সাধারণ মানুষের আস্থা অটুট রয়েছে”।

আগামী ১৭ এপ্রিল, পঞ্চম দফায় শান্তিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তা হলে কি বিজেপি-কংগ্রেস শিবিরের এই ‘দুর্বলতা’র ফায়দা তুলতে পারবে তৃণমূল কংগ্রেস? সেখানেও রয়েছে ধন্ধ! প্রবীণ রাজনীতিক এবং শান্তিপুর পুরসভার প্রশাসক অজয় দে-কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। যা নিয়ে ‘ঘরের ভিতর ঘর’ গড়ে উঠেছে শাসকদলেও। সেটা যে কোথাও কোথাও খুব স্পষ্ট, তা বোঝা যায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের কথায়। স্থানীয় এক জাঁদরেল নেতা জানতে চান, ‘অলৌলিক’ কিছুর মতো শান্তিপুরেও শেষমেশ প্রার্থী বদল হবে না তো?

২০১৯ লোকসভা ভোটে শান্তিপুরের বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফল

বিজেপি- ১,১২,৫৯৯

তৃণমূল- ৭৭,৫৮৭

সিপিএম-১১,৬২৮

কংগ্রেস-৩,৪৭২

২০১৬ সালে শান্তিপুর বিধানসভার ফলাফল

কংগ্রেস-১,০৩,৫৬৬

তৃণমূল-৮৪,০৭৮

সিপিএম-১১,৮৩৮

বিজেপি-৭,৪৯৫*

আরও পড়তে পারেন: ৩৪ আসনে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের, ২১ আসনে আইএসএফের

Continue Reading

ধর্মকর্ম

শান্তিপুরে ধুমধাম করে পালিত হচ্ছে শ্রীশ্রীঅদ্বৈতাচার্যের আবির্ভাব মহোৎসব

উৎসব চলবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অবধি। পালিত হবে চিঁড়ে-মুড়কির মহোৎসব, নগরকীর্তন ইত্যাদি।

Published

on

শুভদীপ রায় চৌধুরী

১৪৩৪ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশের শ্রীহট্টের লাউড় গ্রামে মাঘী সপ্তমীতিথিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কমলাক্ষ, পরবর্তীকালে যিনি হয়ে উঠলেন অদ্বৈতাচার্য্। শান্তিপুরের বড়ো গোস্বামীবাড়িতে শুক্রবার ধুমধাম করে পালিত হল প্রভুর আবির্ভাব মহোৎসব। ‘গৌর আনা ঠাকুর’ শ্রীশ্রীঅদ্বৈতাচার্যের আবির্ভাব উপলক্ষ্যে ১২ দিন ধরে পালিত হচ্ছে।

Loading videos...

১২ বছর বয়সে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে কমলাক্ষ চলে আসেন শান্তিপুরে উচ্চতর বিদ্যার জন্য। তিনি ফুলিয়ার শান্তাচার্য পণ্ডিতের কাছে পড়াশোনা করতেন। সেই সময় ফুলিয়া আর শান্তিপুর এক সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একটি স্থান হিসাবে পরিচিত ছিল।

কমলাক্ষ গুরুগৃহে থাকতেন এবং সেখানে বেদ, ষড়দর্শন পাঠ করে ‘বেদপঞ্চানন’ উপাধিও পেয়েছিলেন। সন্তানের ‘বেদপঞ্চানন’ উপাধি পাওয়ার কথা শুনে কমলাক্ষের পিতা কুবের মিশ্র ও মা লাভাদেবী শান্তিপুরে চলে আসেন। শান্তিপুরে আসার অল্প দিনের মধ্যেই তাঁরা মারা যান। তখন কমলাক্ষের বয়স ১৭ কি ১৮ বছর। তাঁদের পারলৌকিক কাজের পর কমলাক্ষ ভারতভ্রমণে বেরিয়ে পড়েন।

ভারতভ্রমণে বেরিয়ে তীর্থসমূহে ঘুরতে ঘুরতে একদিন দক্ষিণ ভারতে শ্রীমাধবাচার্য্ আশ্রমে শ্রীমাধবেন্দ্রপুরীর সঙ্গে পরিচয় ঘটে। শ্রীমাধবেন্দ্রপুরী তাঁর শিক্ষা ও ভক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে দীক্ষা প্রদান করেন এবং কমলাক্ষের নাম হয় অদ্বৈতাচার্য্। ঈশ্বর অভেদ তাই ‘অদ্বৈত’ এবং অগাধ পাণ্ডিত্যের কারণে ‘আচার্য’- এই দুই মিলে শ্রীমাধবেন্দ্রপুরী তাঁর নামকরণ করেন অদ্বৈতাচার্য্।

সেই সময়ে গোঁড়া ব্রাহ্মণদের দাপট এবং রাজ-শাসনের বিধিনিষেধ ভেঙে অদ্বৈতাচার্য্ সমাজের অনাচার দূর করার কাজে নিজেকে নিযুক্ত করেন। তাই নিয়ে এসেছিলেন শ্রীশ্রীচৈতন্যদেবকে। বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, অদ্বৈতপ্রভুর সাধনাসিদ্ধ আহ্বানে সাড়া দিয়ে মহাপ্রভু ধরায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তাই অদ্বৈতাচার্য্কে ‘গৌর আনা ঠাকুর’ বলেও অভিহিত করা হয়।

অদ্বৈতপ্রভু ভারত ভ্রমণে বেরিয়ে নেপালের গণ্ডকী নদী থেকে একটি নারায়ণশিলা পান, যা তিনি নিজে পুজো করতেন। বর্তমানে সেই নারায়ণশিলার পুজো হয়  তাঁরই বংশধরদের বাড়িতে, শান্তিপুরে যে বাড়ি বড়ো গোস্বামীবাড়ি বলে পরিচিত।

কথা হচ্ছিল বড়ো গোস্বামীবাড়ির সদস্য সুদীপ্ত গোস্বামীর সঙ্গে। তিনি জানালেন, শুক্রবার সকালে মঙ্গলারতির পর অদ্বৈতপ্রভুর প্রাপ্ত নারায়ণশিলার অভিষেক হয়। তার পর পাঠবাড়ি আশ্রম, নবদ্বীপের সমাজবাড়ি-সহ বিভিন্ন জায়গার বৈষ্ণবদের উপস্থিতিতে কীর্তনের আসর বসে।

উৎসব চলবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অবধি। পালিত হবে চিঁড়ে-মুড়কির মহোৎসব, নগরকীর্তন ইত্যাদি।

আরও পড়ুন: বরানগরের জয় মিত্র কালীবাড়িতে পশুবলি বন্ধ হয়েছিল বালানন্দ ব্রহ্মচারীর বিধানে  

Continue Reading
Advertisement
Advertisement
দেশ10 mins ago

Vaccination Drive: আকাল মেটাতে বিদেশ থেকে টিকা আমদানি করার কথা ঘোষণা করল ৯ রাজ্য

রাজ্য24 mins ago

প্রবল বৃষ্টির জের, কলকাতায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ১, বিভিন্ন জেলায় মৃত্যু ৫ জনের

বাংলাদেশ9 hours ago

Bangladesh Covid Vacination: টিকা ট্রায়ালে চিন অর্থ চাওয়ায় রাজি হয়নি বাংলাদেশ

বাংলাদেশ9 hours ago

Bangladesh-China Relation: চিনের এমন আচরণ আশা করেনি বাংলাদেশ

দেশ11 hours ago

G-7 Summit: পর্তুগালের পর ইংল্যান্ড যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

বিজ্ঞান12 hours ago

জানেন কি, কোভিড থেকে সুস্থ হওয়ার পর অ্যান্টিবডিগুলি কত দিন পর্যন্ত রক্তে থেকে যায়

রাজ্য13 hours ago

Bengal Corona Update: কুড়ি হাজারের গণ্ডি পেরোল দৈনিক সংক্রমণ, প্রচুর টেস্টর ফলে সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশের নীচে

coronavirus test
দেশ14 hours ago

আক্রান্তদের ফের আরটি-পিসিআর নয়, কোভিড টেস্টে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

বিজ্ঞান3 days ago

কোভিডের ভাইরাস বায়ুবাহিত, ৬ ফুট পর্যন্ত ছড়াতে পারে, দাবি শীর্ষ মার্কিন সংস্থার

Madhyamik examination west bengal
শিক্ষা ও কেরিয়ার16 hours ago

Madhyamik 2021: আপাতত সম্ভব নয় মাধ্যমিক পরীক্ষা, সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পর্ষদ

রাজ্য3 days ago

Bengal Corona Update: নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় একই, রাজ্যে বাড়ল সুস্থতা

ক্রিকেট2 days ago

বিরাট-রোহিত ছাড়াই এক নতুন ভারতীয় দলকে জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে দেখা যাবে!

দেশ1 day ago

Covid Crisis: অক্সিজেনের অভাবে ১১ কোভিডরোগীর মৃত্যু অন্ধ্রপ্রদেশের হাসপাতালে

দেশ24 hours ago

Covid Crisis: সংক্রমণের ধার কমাতে একটি বিশেষ ওষুধে ছাড়পত্র দিল গোয়া, খেতে হবে সবাইকে

রাজ্য3 days ago

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃতীয় মন্ত্রীসভায় একাধিক নতুন মুখ

দেশ3 days ago

ভ্যাকসিন এবং কোভিডের চিকিৎসা সরঞ্জামে ট্যাক্স কেন? মমতার চিঠির পর ১৬টা টুইট কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

ভিডিও

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 months ago

বাজেট কম? তা হলে ৮ হাজার টাকার নীচে এই ৫টি স্মার্টফোন দেখতে পারেন

আট হাজার টাকার মধ্যেই দেখে নিতে পারেন দুর্দান্ত কিছু ফিচারের স্মার্টফোনগুলি।

কেনাকাটা3 months ago

সরস্বতী পুজোর পোশাক, ছোটোদের জন্য কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সরস্বতী পুজোয় প্রায় সব ছোটো ছেলেমেয়েই হলুদ লাল ও অন্যান্য রঙের শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজে ওঠে। তাই ছোটোদের জন্য...

কেনাকাটা3 months ago

সরস্বতী পুজো স্পেশাল হলুদ শাড়ির নতুন কালেকশন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই সরস্বতী পুজো। এই দিন বয়স নির্বিশেষে সবাই হলুদ রঙের পোশাকের প্রতি বেশি আকর্ষিত হয়। তাই হলুদ রঙের...

কেনাকাটা4 months ago

বাসন্তী রঙের পোশাক খুঁজছেন?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সামনেই আসছে সরস্বতী পুজো। সেই দিন হলুদ বা বাসন্তী রঙের পোশাক পরার একটা চল রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ওই...

কেনাকাটা4 months ago

ঘরদোরের মেকওভার করতে চান? এগুলি খুবই উপযুক্ত

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ঘরদোর সব একঘেয়ে লাগছে? মেকওভার করুন সাধ্যের মধ্যে। নাগালের মধ্যে থাকা কয়েকটি আইটেম রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার...

কেনাকাটা4 months ago

সিলিকন প্রোডাক্ট রোজের ব্যবহারের জন্য খুবই সুবিধেজনক

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী এখন সিলিকনের। এগুলির ব্যবহার যেমন সুবিধের তেমনই পরিষ্কার করাও সহজ। তেমনই কয়েকটি কাজের সামগ্রীর খোঁজ...

কেনাকাটা4 months ago

আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আজ রইল আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডেড মেকআপ সামগ্রী ৯৯ টাকার মধ্যে অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদন লেখার সময় যে দাম ছিল...

কেনাকাটা4 months ago

রান্নাঘরের এই সামগ্রীগুলি কি আপনার সংগ্রহে আছে?

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রান্নাঘরে বাসনপত্রের এমন অনেক সুবিধেজনক কালেকশন আছে যেগুলি থাকলে কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে। এমনকি দেখতেও সুন্দর।...

কেনাকাটা4 months ago

৫০% পর্যন্ত ছাড় রয়েছে এই প্যান্ট্রি আইটেমগুলিতে

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দৈনন্দিন জীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলির মধ্যে বেশ কিছু এখন পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫০% বা তার বেশি ছাড়ে। তার মধ্যে...

কেনাকাটা4 months ago

ঘরের জন্য কয়েকটি খুবই প্রয়োজনীয় সামগ্রী

খবরঅনলাইন ডেস্ক: নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক বেশ কয়েকটি সামগ্রীর খোঁজ রইল অ্যামাজন থেকে। প্রতিবেদনটি লেখার সময় যে দাম ছিল তা-ই...

নজরে