প্রতি ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন রেল ইঞ্জিন কোথায় তৈরি হল?

0

কলকাতা: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম সর্বাধিক গতির রেল ইঞ্জিন নিয়ে এল পশ্চিমবঙ্গের চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কস (সিএলডব্লিউ)। এই দ্রুতগতির ইঞ্জিনের ছোটার ক্ষমতা প্রতি ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার। সিএলডব্লিউ দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রীবাহী ট্রেনের জন্য ৫৪০০ অশ্বশক্তিসম্পন্ন ডব্লিউএপি-৫ ইঞ্জিন তৈরি করে আসছে। এই ইঞ্জিন ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৬০ কিমি গতি তুলতে পারে। সেই ডব্লিউএপি-৫ ইঞ্জিনের নতুন করে নকশা করা হয়েছে।

সংস্থার এক জন প্রবীণ আধিকারিক বলেন, নতুন নকশার ডব্লিউএপি-৫ ইঞ্জিন এরোডিনামিক অর্থাৎ অত্যধিক গতিতে বাতাস কম টানে, যার ফলে শক্তিকে অনেক ভালো ভাবে কাজে লাগায় এবং খুব দ্রুত গতিতে চলার সময় এই ইঞ্জিন অনেক বেশি স্থিতিশীল। চালকের জায়গাটিও এক দম আধুনিক। সব থেকে বেশি গতি অর্থাৎ ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো উচ্চ শক্তিসম্পন্ন এর গিয়ারের ব্যবস্থাও। এই ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে দূরপাল্লার গাড়ি রাজধানী, শতাব্দী, গতিমানের জন্য।

এই নতুন ইঞ্জিনে রয়েছে কর্মীদের গলার শব্দ আর ভিডিও রেকর্ড করার ব্যবস্থা। রয়েছে মাইক্রোফোন, ক্যামেরা। ভেতরে আর বাইরে সব জায়গাতেই আছে ক্যামেরা আর মাইক্রোফোনের ব্যবস্থা, যাতে ভেতরে কর্মীদের আচরণ, কথাবার্তা রেকর্ড করা যায় আর বাইরের সিগন্যাল ব্যবস্থার সমস্ত পদ্ধতি ঠিকঠাক ভাবে রেকর্ড করা যায়।

রেলের গ্রুপ ডি পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর : পর্ব ২৫

বিশ্বের সব চেয়ে বৃহৎ লোকোমোটিভ প্রস্তুতকারক সংস্থা সিএলডব্লিউ ২০১৭-১৮ সালে সংস্থা ৩২৫টি রেল ইঞ্জিন তৈরি করেছে। বারাণসীর ডিজেল লোকোমোটিভ ওয়ার্কসকে ২৫টি ইঞ্জিন তৈরি করতে সাহায্য করেছে।

এই বছরের বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এই এই ধরনের উচ্চগতি  সম্পন্ন ইঞ্জিন তৈরির ব্যাপারে ঘোষণা করেছিলেন। সব মিলিয়ে ৫৭৩টি এই জাতীয় ইঞ্জিন তৈরির কথা বলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.