বড়োবাজারের পর মুকুলের বিরুদ্ধে ফের প্রতারণা মামলার তদন্তে পুলিশ

0
ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: বড়োবাজারে আর্থিক দুর্নীতির মামলার তদন্তে বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের দিল্লির বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু ওই মামলায় তিনি সাক্ষী। এ বার তাঁকেই মূল অভিযুক্ত হিসাবে রেখে দায়ের হওয়া অন্য একটি দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, বেহালার বীরেন রায় রোডের বাসিন্দা এক ব্যবসায়ী মুকুলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগটি দায়ের করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালে যখন মুকুল রায় রাজ্যসভার সাংসদ, সে সময় তিনি তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। সাংসদ তাঁর সঙ্গে তিন ব্য়ক্তির পরিচয় করিয়ে দেন। ওই তিন ব্য়ক্তি তাঁকে পূর্ব রেলের জোনাল রেলওয়ে ইউজার্স কনসালটেটিভ কমিটির (জেডআরইউসিসি) সদস্য হওয়ার জন্য জোর করেন। যার জন্য তাঁরা মুকুলের মাধ্যমে ৪৬ লক্ষ টাকা দাবি করেন। এমনকী ওই তিন ব্যক্তির দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটও করে দিতে হয়। এ ব্যাপারে যাবতীয় নথিও ওই ব্যক্তি পুলিশকে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

দিন দুয়েক আগেই বড়োবাজারকাণ্ডে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৮০ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ মামলায় মুকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কলকাতা পুলিশ। ওই মামলায় কয়েকদিন আগে তাঁকে নোটিস দেয় লালবাজার। পাশাপাশি ব্যাঙ্কশাল আদালতে মুকুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। গ্রেফতারি পরোয়ানার বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁকে স্বস্তি দিয়ে দিল্লি হাইকোর্ট গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থগিতাদেশ জারি করে এবং মুকুলকে ১০ দিনের রক্ষাকবচ দেয়। তবে আগামী ১০ দিন তাঁকে যেমন গ্রেফতার করা যাবে না তেমনই এই মামলার তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করতে তাঁকে।

এর পরই জানা যায়, তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও এক প্রতারণার মামলার নাড়াচাড়া শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। চাকরি দেওয়া-সহ রেলের কমিটিতে জায়গা করে দেওয়ার নাম করে তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার নয়া অভিযোগ সামনে এসেছে। চলতি বছরে সরশুনা থানায় দায়ের হওয়া ওই অভিযোগে প্রতারণা, জালিয়াতি, ষড়যন্ত্র, হুমকির পাশাপাশি দুর্নীতি নিরোধক আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

সূত্রের খবর, সরশুনা থানায় দায়ের হওয়া প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার প্রতারণার ওই মামলাটি অভিযুক্তদের তালিকায় প্রথমেই নাম রয়েছে মুকুলের। তিনি ছাড়াও এফআইআরে নাম রয়েছে মুকুল ঘনিষ্ঠ আরও কয়েকজনের।

এ ব্যাপারে মুকুল সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, “এমন কোনো অভিযোগের কথা আমি এখনও জানি না। সংবাদমাধ্যমের কাছেই প্রথম শুনলাম। তবে এটুকু বলতে পারি, মমতা বন্দোপাধ্যায় রাজনৈতিক ভাবে হেরে গিয়ে আমাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর ঘৃণ্য রাজনীতি শুরু করেছেন”।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.