নতুন এই ইঞ্জিনহীন ট্রেন

কলকাতা: পরীক্ষামূলক দৌড়ের জন্য গত সোমবার উন্মচিত হয়েছে দেশের প্রথম ইঞ্জিনহীন ট্রেন। সব কিছু ঠিকঠাক চললে হাওড়া এবং নয়াদিল্লিতে সংযুক্ত করতে পারে এই ট্রেন।

গত সোমবার চেন্নাইয়ের ইন্টেগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে উন্মোচিত হয়েছে এই অত্যাধুনিক ট্রেন। রেল বোর্ডের সদস্য রাজেশ অগ্রবাল জানিয়েছেন, পরীক্ষামূলক দৌড় সফল হলে হাওড়া এবং নয়াদিল্লির মধ্যে এই ট্রেন নামানো হবে।

হাওড়া থেকে নয়াদিল্লির মধ্যে ১৪০০ কিমি পথ পাড়ি দিতে ১৬ ঘণ্টা সময় নেয় রাজধানী এক্সপ্রেস। নতুন ট্রেনে সেই সময়ে নেমে আসতে পারে ১২ ঘণ্টায়।

এখনকার স্বল্প দূরত্বের ইএমইউ ও ডিএমইউ ট্রেনের মতো আলাদা ইঞ্জিন নেই এই ট্রেনের। এই রেকে সামনে, পিছনে ও মাঝে ট্রাকশান মোটর থাকে। চালক হাতল ঘোরালেই ট্রাকশান মোটরগুলি সক্রিয় হয়ে চাকাকে ঘোরাতে শুরু করে। ট্রেনের নীচে পাওয়ার ট্রান্সমিশন থাকবে। সেখান থেকেই বিদ্যুৎ এসে এসি থেকে আলো সব জ্বালাতে সাহায্য করবে। স্টেশন এলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বেরিয়ে আসবে সিঁড়ি। যা দিয়ে নামা-ওঠা করবে যাত্রীরা। ছাড়ার সময় আবার তা ঢুকে যাবে। ইলেকট্রিক্যাল ব্রেক কন্ট্রোলে ট্রেন দাঁড়াবে সঙ্গে সঙ্গে। দুরন্ত গতির এই ট্রেনের সামনের দিক হবে প্লেনের মতো ছুঁচোলো। দেখতে অনেকটা বুলেট ট্রেনের মতো।

আরও পড়ুন প্রতি ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার গতিসম্পন্ন রেল ইঞ্জিন কোথায় তৈরি হল?

আগামী পাঁচ দিন চেন্নাইয়ের ইন্টেগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরির কাছে পরীক্ষামূলক দৌড়ের পরে তাকে নয়াদিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে। মোরাদাবার-বরেলি বিভাগে দেড়শো কিলোমিটার ঘণ্টায় সর্বোচ্চ গতিবেগে দৌড়ের পরীক্ষা হবে। তার পর কোটা-সোয়াইমাধোপুর বিভাগে নিয়ে গিয়ে সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৬০ কিমিতে পরীক্ষা হবে এই ট্রেনের।

হাওড়া-নয়াদিল্লির পাশাপাশি হাওড়া-চেন্নাই এবং হাওড়া-মুম্বই রুটেও এই ট্রেন চালানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন অগ্রবাল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here