Connect with us

রাজ্য

দুর্গাপুজো-কালীপুজোয় আমাকে পাওয়া যাবে না: মিমি চক্রবর্তী

Mimi Chakraborty

ওয়েবডেস্ক: সাংসদ হওয়ার পর তারকা জনপ্রতিনিধিদের আর এলাকায় দেখতে পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ বরাবরের। তবে তেমন ধ্যান-ধারণার পরিবর্তনের কথাই বললেন যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।

মিমি বলেন, “এলাকার মানুষের সমস্যায় তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করব। তবে কালীপুজো, দুর্গাপুজোয় আমাকে পাওয়া যাবে না”।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন, “সংসদের অধিবেশন বা এলাকার উন্নয়নের দাবি-দাওয়া নিয়ে দিল্লিতে বা অন্য কোথাও থাকলেও এলাকায় কাজের জন্য টিম থাকবে”।

গত মঙ্গলবার বিকেলে তিনি ভাঙড়ের কাঁঠালিয়াতে তৃণমূলের এক সভায় যোগ দেন। সেখানে মঞ্চে বসেই তাঁর নজরে পড়ে পিচের রাস্তার বেহাল দশা। তৎক্ষণাৎ সাংসদ নিজের সহায়ককে সব ছবি ক্যামেরাবন্দি করার নির্দেশ দেন। ওই রাস্তাটি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাসও দেন।

তৃণমূলের আর এক তারকা সাংসদ নুসরত জাহানের সঙ্গে একই দিনে লোকসভায় শপথ নিয়েছিলেন মিমি। তার পর নিজের এলাকায় ফিরে এসে তাঁর খামতি নেই এলাকা পরিদর্শনে। গত বুধবারও তিনি বিদ্যাধরপুর রেল লাইন ঘুরে দেখেন। নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত এই রেল লাইনে তিনি লেভেল ক্রসিংয়ের দাবিও তুলেছেন সংসদে।

একই ভাবে তার আগের দিনেও মিমি অ্ংশ নিয়েছেন একাধিক কর্মসূচিতে। কখনও রক্তদান শিবির আবার কখনও আগামী ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের প্রচারে, কার্যত ব্যস্ত মিমি। কতকটা ভোট প্রচারকালীন সময়ের মতোই!

মালদা

মালদায় বজ্রপাতে মৃত ৩

মালদা: বজ্রপাতে তিন জনের মৃত্যু হল মালদায় (Malda)। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ঘটনাটি ঘটে হরিশ্চন্দ্রপুর (Harishchandrapur) থানা এলাকায়। গুরুতর আহত হয়েছেন এক জন।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই প্রবল ঝড় শুরু হয় মালদার বিভিন্ন প্রান্তে। ঝড়বৃষ্টির মধ্যেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকায় তিনটে জায়গায় ভয়াবহ বজ্রপাত হয়। মারা যান তিন জন।

মৃতদের মধ্যে রয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক এলাকার বারদুয়ারী দক্ষিণ রামনগর গ্রামের মিঠু কর্মকার। মাঠে কাজ করছিলেন সে সময়। বাজ পড়ে প্রাণ হারান।

বাকি দু’জনও মাঠে কাজ করছিলেন। এ ছাড়াও বজ্রপাতের ফলে রামনগর এলাকার কৃষ্ণ সাহা নামের এক ব্যাক্তি গুরুতর আহত হন।

তাঁকে প্রথমে হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর অবস্থার অবনতি ঘটায় তাকে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত ঝড়বৃষ্টি হলেও রাতের দিকে সাংঘাতিক বজ্রপাত হয়। শহরবাসীর মধ্যে অনেকেই এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

পড়তে থাকুন

রাজ্য

রাজ্যে করোনায় নতুন আক্রান্ত ৩৬৮, সুস্থতার হারে স্বস্তি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: রাজ্যে করোনায় (Coronavirus) নতুন করে ৩৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬,৮৭৬। যদিও কিছুটা স্বস্তি দিয়ে বৃহস্পতিবারই রাজ্যে সুস্থতার হার চল্লিশ শতাংশের গণ্ডি পেরিয়েছে।

এ দিন বিকেলে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৮ জন রোগমুক্ত হয়েছেন। ফলে শরীর থেকে কোভিড ঝেড়ে ফেলে এখনও পর্যন্ত বাড়ি ফিরে গিয়েছে ২,৭৬৮ জন। তবে নতুন করে ১০ জনের মৃত্যু হওয়ায় রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৫৫। রাজ্যে এই মুহূর্তে সুস্থতার হার ৪০.২৫ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ জন। ফলে এই মুহূর্তে শহরে মোট করোনারোগী রয়েছেন ২৪৮৮ জন। এর মধ্যে ছাড়া পেয়ে গিয়েছেন ৯৯৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৩৪ জনের।

নতুন আক্রান্তের থেকে সুস্থ হওয়ার ব্যক্তিদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় যে যে জেলায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে সেগুলি হল, কোচবিহার, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পূর্ব বর্ধমান।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাওড়ায় ৫০, হুগলিতে ৪৭ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ৪১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১ জন।

উল্লেখ্য, অভিবাসী শ্রমিকরা ফিরে আসায় রাজ্যে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা কার্যত হুহু করে বাড়ছে। এমন পরিস্থিতি যে তৈরি হবে, সেটা আগে থেকেই আশঙ্কা করেছিল রাজ্য। শ্রমিকদের ফিরে আসার ব্যাপারটি শেষ হলে, নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় কিছুটা লাগাম পড়ে কি না, সেটাই দেখার।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৯,৪৯৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা এখন বেড়ে হয়েছে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ২২৫। রাজ্যে নমুনা পজিটিভ হওয়ার হার এখন রয়েছে ২.৮৪%।

পড়তে থাকুন

দেশ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানালেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল মাকরঁ

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনে (Cyclone Amphan) ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমাবেদনা জ্ঞাপন করলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল মাকরঁ (Emmanuel Macron)।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) দীকে চিঠি লেখেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। সেই চিঠিতেই উম্পুনের প্রসঙ্গ রয়েছে।

কূটনৈতিক একটি সূত্র জানাচ্ছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের কথা উল্লেখ করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। ফ্রান্সের সব মানুষের হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে তাঁর সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন আর ঘূর্ণিঝড়ে মৃতের প্রতি শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রেসিডেন্ট।”

উল্লেখ্য, গত ২০ মে সাগরদ্বীপে আছড়ে পড়েছে মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় উম্পুন। এখনও পর্যন্ত ঝড়ের দাপটে এ রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের, ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক লক্ষ মানুষ।

উত্তর ওড়িশাতেও উম্পুনের প্রভাব পড়েছে। সেখানে কারও মৃত্যু না হলেও পরিকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ভালোই হয়েছে। কিছুদিন আগেই মোদীকে ফোন করে উম্পুনে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমাবেদনা জ্ঞাপন করেছেন ব্রিটেনের যুবরাজ চার্লসও। ফলে বিদেশি সংবাদমাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় উম্পুন নিয়ে হইচই পড়েছিল, চার্লস আর মাকরঁর অবস্থান থেকেই তা স্পষ্ট।

পড়তে থাকুন

নজরে